📌 সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে এলএনজি কার্গো না আসায় সরকার বিপাকে পড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণে দরপত্র ডেকেও পাওয়া যাচ্ছে না পর্যাপ্ত সরবরাহ। ফলে দেশে গ্যাস সংকট অব্যাহত রয়েছে।
সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে (ডিপিএম) এলএনজি কার্গো না আসায় সরকার বিপাকে পড়েছে। আগস্টের জন্য নির্ধারিত তিন কার্গোর মধ্যে দুটি পাওয়া গেলেও সরবরাহ পর্যাপ্ত নয়। ফলে দেশে গ্যাসের সংকট কাটছে না। জ্বালানি বিভাগের অনুমোদনে এলএনজি আমদানি তদারক করে পেট্রোবাংলা ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে এলএনজি কার্গো না আসায় সরকার বিপাকে পড়েছে
- 📌 আগস্টের জন্য তিন কার্গো এলএনজি কিনতে তিন দফায় দরপত্র ডাকা হলেও পাওয়া গেছে মাত্র দুটি
- 📌 আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম গত ছয় মাসে প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 গত জানুয়ারিতে প্রতি ইউনিট এলএনজির দাম ছিল ১০–১১ ডলার, জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ২২ ডলার
- 📌 সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি তিনটি এলএনজি কার্গোর অনুমোদন দেয়নি
📰 বিস্তারিত
সরাসরি ক্রয়পদ্ধতিতে এলএনজি কার্গো না আসায় সরকার বিপাকে পড়েছে। আগস্টের জন্য নির্ধারিত তিন কার্গোর মধ্যে দুটি পাওয়া গেলেও সরবরাহ পর্যাপ্ত নয়। ফলে দেশে গ্যাসের সংকট কাটছে না। জ্বালানি বিভাগের অনুমোদনে এলএনজি আমদানি তদারক করে পেট্রোবাংলা ও তার সহযোগী প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)।
আগস্টের জন্য তিন কার্গো এলএনজি কিনতে তিন দফায় দরপত্র ডাকা হলেও পাওয়া গেছে মাত্র দুটি। এর ফলে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। এলএনজি সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারা জানান, প্রতি দরপত্রে এলএনজির দাম বাড়ছে। সরাসরি ক্রয়পদ্ধতি না করে আগে দরপত্র ডাকা হলে কম দামে এলএনজি পাওয়া যেত।
গত ছয় মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত জানুয়ারিতে এশিয়ার স্পট বাজারে প্রতি ইউনিট এলএনজির দাম ছিল ১০–১১ মার্কিন ডলার। গত এপ্রিলের শেষ দিকে দাম ছিল ১৪–১৫ ডলার। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে তা বেড়ে প্রায় ২২ ডলারে পৌঁছায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি তিনটি এলএনজি কার্গোর অনুমোদন দেয়নি। ওই তিনটির দাম ছিল ২০ থেকে সাড়ে ২১ ডলারের মধ্যে। আরও কম দামে কেনার নামে বেশ কিছু কার্গো সরাসরি কেনার ক্রয়াদেশ অনুমোদন করা হয়। এসব কার্গোর চারটি আগস্টে আসার কথা ছিল, যার একটিও আসেনি।
"এলএনজি যতটুকু পাওয়া যাচ্ছে, তার মাধ্যমে সরবরাহ ধরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর বাইরে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির অধীন এলএনজি কার্গো আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুল মান্নান (পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ ডলার (জুলাইয়ে এলএনজির দাম)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!