📌 এলএনজি কার্গোর অভাবে আগামী তিন দিন দেশে গ্যাস সংকট অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। আগস্টের ২৩ তারিখ একটি কার্গো আসার সম্ভাবনা থাকলেও তা সংকট কাটাতে যথেষ্ট নয়
তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) কার্গো-সংকটের কারণে আগামী তিন দিন দেশে গ্যাস সংকট অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা। এক মাস ধরে চলমান এই সংকটের কারণে শিল্পকারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যাপক ব্যাহত হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 আগামী তিন দিন গ্যাস সংকট অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে পেট্রোবাংলা
- 📌 আগস্টের ২৩ তারিখ একটি এলএনজি কার্গো আসার সম্ভাবনা রয়েছে
- 📌 গ্যাস সরবরাহ কমে দৈনিক ২ হাজার ১৯৫ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমেছে
- 📌 বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৩ হাজার থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে সীমাবদ্ধ
- 📌 ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও গাজীপুরের অধিকাংশ কারখানা বন্ধ রয়েছে
📰 বিস্তারিত
পেট্রোবাংলার পরিচালন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ শোয়েব জানিয়েছেন, আগামী তিন দিন গ্যাস সংকট অব্যাহত থাকবে। আগস্টের ২৩ তারিখ একটি এলএনজি কার্গো আসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই কার্গো আসার পরও দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা কম। গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউতে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
গত ২১ জুলাইয়ের অগ্নিকাণ্ডের আগে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। বর্তমানে তা কমে দৈনিক ২ হাজার ১৯৫ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমেছে। দেশীয় কূপ থেকে গ্যাস সরবরাহও ধীরে ধীরে কমছে। গত ১০ জুন দেশীয় কূপ থেকে ১ হাজার ৬৬৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ হলেও গতকাল তা ছিল ১ হাজার ৬৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট।
গ্যাসের অভাবে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও গাজীপুর এলাকায় অধিকাংশ কারখানা গত এক সপ্তাহ ধরে সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমালিকেরা। বিদ্যুৎ উৎপাদনও ১৩ হাজার থেকে ১৪ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে। বিদ্যুতের চাহিদা ১৬ হাজার অতিক্রম করলে লোডশেডিং দুই হাজার মেগাওয়াটের বেশি হয়ে যাচ্ছে।
‘২৩ আগস্ট একটি এলএনজি কার্গো আসতে পারে। সেদিন থেকে দুটি এফএসআরইউ পূর্ণ সক্ষমতায় চলবে বলে আশা করি। এই সময়ের মধ্যে দেশীয় উৎপাদনও বাড়ানো যাচ্ছে না।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, গাজীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পরিচালক মোহাম্মদ শোয়েব, শিল্পমালিকেরা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ২ হাজার ১৯৫ মিলিয়ন ঘনফুট, বিদ্যুৎ উৎপাদন ১৩-১৪ হাজার মেগাওয়াট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!