📌 কুয়েতের উপহার হিসেবে পাঠানো ২০ টন মাছের মধ্যে ১৫ টন বাজারে বিক্রি না হলে আবার নিলামে নেওয়া হয়েছে। গলদা চিংড়ি ও রুপচাঁদার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দরপত্র জমা দিতে হবে
কুয়েতের উপহার হিসেবে পাঠানো ২০ টন মাছের মধ্যে ৫ টন বাগদা চিংড়ি বিক্রি হলেও বাকি ১৫ টন মাছের ক্রেতা পাওয়া যায়নি। সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) আবার নিলাম ডাকেছে। গলদা চিংড়ি ও রুপচাঁদার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে দরপত্র জমা দিতে হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুয়েতের উপহার হিসেবে পাঠানো ২০ টন মাছের মধ্যে ৫ টন বাগদা চিংড়ি বিক্রি হয়েছে, বাকি ১৫ টন মাছের জন্য আবার নিলাম ডাকা হয়েছে
- 📌 ১০ টন গলদা চিংড়ি ও ৫ টন রুপচাঁদার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দরপত্র জমা দিতে হবে
- 📌 দরপত্র জমা দেওয়ার জন্য ঢাকার প্রধান কার্যালয় এবং খুলনা ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক কার্যালয়ে যেতে হবে
- 📌 ন্যূনতম ৫০০ কেজি মাছের জন্য দর প্রস্তাব দেওয়া যাবে, গলদা চিংড়ি ও রুপচাঁদার জন্য পৃথকভাবে দর দিতে হবে
- 📌 ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর খুলনার ভান্ডারকোটে মাছের নমুনা দেখার সুযোগ থাকবে
- 📌 বিজয়ী ক্রেতাকে মাছের মূল্যের ১৫ শতাংশ সংযোজন কর এবং ৫ শতাংশ আয়কর দিতে হবে
📰 বিস্তারিত
গত এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ সরকার কুয়েতের উপহার হিসেবে উচ্চমানের মাছ কিনেছিল। কিন্তু ফ্লাইট সংক্রান্ত জটিলতায় মাছ কুয়েতে পাঠানো সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে ছিল ১০ টন গলদা চিংড়ি, ৫ টন রুপচাঁদা ও ৫ টন বাগদা চিংড়ি। বাগদা চিংড়ির ৫ টন বিক্রি হলেও বাকি মাছের ক্রেতা পাওয়া যায়নি। টিসিবি আবার নিলাম ডাকেছে।
১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার মধ্যে দরপত্র জমা দিতে হবে। ঢাকার প্রধান কার্যালয় এবং খুলনা ও চট্টগ্রামের আঞ্চলিক কার্যালয়ে দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ন্যূনতম ৫০০ কেজির জন্য দর প্রস্তাব করতে হবে। গলদা চিংড়ি ও রুপচাঁদার জন্য পৃথকভাবে দর প্রস্তাব ও জামানত দিতে হবে।
মাছগুলো খুলনার বাটিয়াঘাটার ভান্ডারকোটের ট্রাস্ট সি-ফুড ইন্ডাস্ট্রিজের প্রসেসিং প্ল্যান্টে সংরক্ষিত আছে। ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত মাছের নমুনা দেখার সুযোগ থাকবে। টিসিবির মুখপাত্র ও উপপরিচালক শাহাদত হোসেন বলেছেন, ‘আশা করছি, এ দফায় সব মাছ বিক্রি হয়ে যাবে।’
কুয়েত সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের সময় তারা জানিয়েছিল, নিজেদের নিয়মিত ফ্লাইটে উপহারের পণ্য নিয়ে যাবে। কিন্তু মাছ পচনশীল হওয়ায় বাণিজ্যিক ফ্লাইটে নিতে অনাগ্রহ তাদের। ফলে মাছ পচনশীল হওয়ায় কুয়েতে পাঠানো সম্ভব হয়নি।
‘৫ টন বাগদা চিংড়ি বিক্রি হয়ে গেছে। পুনর্নিলাম ডাকা হয়েছে গলদা চিংড়ি ও রুপচাঁদার জন্য। আশা করছি, এ দফায় সব মাছ বিক্রি হয়ে যাবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, ভান্ডারকোট (খুলনা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহাদত হোসেন (টিসিবির মুখপাত্র ও উপপরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ টন (মোট মাছ), ১৫ টন (বাকি মাছ), ৫ টন (বাগদা চিংড়ি), ১০ টন (গলদা চিংড়ি), ৫ টন (রুপচাঁদা), ১৫ সেপ্টেম্বর, ১২:৩০ (দরপত্র জমা দিতে শেষ সময়), ৫০০ কেজি (ন্যূনতম ক্রয় পরিমাণ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!