📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৪ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কাটিমন: ফুটপাত থেকে অভিজাত দোকানে ছড়িয়ে পড়েছে ‘অসময়ের আম’, বাজারে দখল করছে দ্রুত

কাটিমন: ফুটপাত থেকে অভিজাত দোকানে ছড়িয়ে পড়েছে ‘অসময়ের আম’, বাজারে দখল করছে দ্রুত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কাটিমন আমের উৎপাদন দ্রুত বাড়ছে এবং বাজারে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে। ঢাকার ফুটপাত থেকে অভিজাত এলাকার দোকান পর্যন্ত এখন কাটিমন পাওয়া যায়। প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এই ‘বারোমাসি আম’। কৃষিবিজ্ঞানী মেহেদী মাসুদ বলেছেন, কাটিমনের উৎপাদন প্রতিবছর দ্বিগুণ হচ্ছে এবং শীঘ্রই এটি দেশের সর্বাধিক উৎপাদিত আম হয়ে উঠতে পারে

বাংলাদেশের আমের বাজারে একটি নতুন বিপ্লব ঘটছে। ‘অসময়ের আম’ হিসেবে পরিচিত কাটিমন আমের উৎপাদন দ্রুত বাড়ছে এবং ঢাকার ফুটপাত থেকে অভিজাত এলাকার ফলের দোকান পর্যন্ত এখন এই আমের সরবরাহ নিশ্চিত। প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এই সুস্বাদু আম, যা ক্রেতাদের মন কাড়ছে। কৃষিবিজ্ঞানী মো. মেহেদী মাসুদ বলেছেন, কাটিমনের উৎপাদন প্রতিবছর প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে এবং শীঘ্রই এটি দেশের সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত আমের শিরোপা পেতে পারে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 কাটিমন আমের বাজার দখল দ্রুত বাড়ছে; ঢাকার ফুটপাত থেকে অভিজাত এলাকার দোকান পর্যন্ত পাওয়া যায়
  • 📌 প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ২৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে কাটিমন, যা ‘অসময়ের আম’ হিসেবে পরিচিত
  • 📌 দেশে প্রতি বছর প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন কাটিমন উৎপাদিত হয়, যা মোট আম উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ
  • 📌 কৃষিবিজ্ঞানী মেহেদী মাসুদ বলেছেন, কাটিমনের উৎপাদন প্রতিবছর দ্বিগুণ হচ্ছে এবং শীঘ্রই এটি দেশের সর্বাধিক উৎপাদিত আম হয়ে উঠতে পারে
  • 📌 কাটিমন আমের উৎপাদন শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালে, এবং বর্তমানে এটি বারোমাসি আমের মতোই বাজারে দখল করছে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের আমের বাজারে কাটিমন আমের আগমন একটি বিপ্লব। এই আমের উৎপাদন শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালে, এবং এখন এটি ঢাকার ফুটপাত থেকে অভিজাত এলাকার ফলের দোকান পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে। কাটিমন আমের দাম প্রতি কেজি ১৬০ থেকে ২৮০ টাকার মধ্যে রয়েছে, যা ‘অসময়ের আম’ হিসেবে পরিচিত। এই আমের আকার ও মান ভেদে দাম পরিবর্তিত হয়। কৃষিবিজ্ঞানী মো. মেহেদী মাসুদ বলেছেন, কাটিমনের উৎপাদন প্রতিবছর প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প’-এর মাধ্যমে কাটিমনের চাষ শুরু হয়েছিল।

কাটিমন আমের উৎপাদন শুরু হয়েছিল ২০১৪ সালে, যখন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে এই জাতের চাষ শুরু করে। সফলভাবে চারা উৎপাদন ও গাছে মুকুল আসার পর ২০১৬ সালে ব্যাপকভাবে চারা উৎপাদন এবং চাষিদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়। কাটিমন আমের উৎপাদন বাড়ার পেছনে রয়েছে কৃষিবিজ্ঞানী মেহেদী মাসুদ। তিনি বলেছেন, ‘আমের বার্ষিক উৎপাদনে তারতম্য থাকে। বেশি ফলনের বছরকে বলা হয় ‘অন সিজন’; পরের ‘অফ সিজনে’ ফলন প্রায় দেড় লাখ মেট্রিক টন কমে যায়।’

বর্তমানে দেশে প্রতি বছর প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন কাটিমন উৎপাদিত হয়, যা মোট আম উৎপাদনের প্রায় ৫ শতাংশ। মোট আম উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে আম্রপালি (৩৫ শতাংশ), এরপর হিমসাগর (১৫ শতাংশ), বারি (১০ শতাংশ), হাঁড়িভাঙা (৭ শতাংশ), গোবিন্দভোগ ও কাটিমন (৫ শতাংশ করে), ল্যাংড়া (সাড়ে ৪ শতাংশ) ও গোপালভোগ (২ শতাংশ)। তবে কাটিমনের উৎপাদন দ্রুত বাড়ছে এবং শীঘ্রই এটি দেশের সর্বাধিক উৎপাদিত আমের শিরোপা পেতে পারে।

"বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে কাটিমনের চাষ শুরু হয়েছিল। এখন এটি বারোমাসি আমের মতোই বাজারে দখল করছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মেহেদী মাসুদ (কৃষিবিজ্ঞানী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রতি কেজি ১৬০-২৮০ টাকা, ১ লাখ মেট্রিক টন উৎপাদন, ৫ শতাংশ মোট আম উৎপাদন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖