📅 ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের ১ লাখ ১১ হাজার বইয়ের সংগ্রহে পাঠকসেবা বন্ধ সাত বছর, প্রকল্পের ধীরগতি দায়ী

চট্টগ্রামের ১ লাখ ১১ হাজার বইয়ের সংগ্রহে পাঠকসেবা বন্ধ সাত বছর, প্রকল্পের ধীরগতি দায়ী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারে ১ লাখ ১১ হাজার বই থাকলেও সাত বছর ধরে পাঠকসেবা বন্ধ রয়েছে। প্রকল্পের ধীরগতি ও নির্মাণকাজের অপেক্ষায় বইপড়ুয়া মানুষদের পড়ার সুযোগ বন্ধ রয়েছে

চট্টগ্রামের একটি বিশাল বই সংগ্রহে পাঠকসেবা বন্ধ থাকায় নগরের বইপড়ুয়া মানুষদের পড়ার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারে ১ লাখ ১১ হাজার ৫৪৭টি বই এবং ১৯টি পত্রিকা সংরক্ষিত রয়েছে, কিন্তু সাত বছর ধরে এই বইগুলোর ব্যবহার বন্ধ রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রাম বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারে ১ লাখ ১১ হাজার ৫৪৭টি বই এবং ১৯টি পত্রিকা সংরক্ষিত রয়েছে, কিন্তু পাঠকসেবা বন্ধ সাত বছর ধরে
  • 📌 প্রকল্পের আওতায় নির্মিত ১৬ তলা ভবনে ১০ হাজার পাঠকের বসার ব্যবস্থা থাকার কথা, কিন্তু নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি
  • 📌 প্রকল্পের কাজের ভৌত অগ্রগতি ৯২ শতাংশ হলেও আর্থিক অগ্রগতি ৮৩ শতাংশ, কাজ শেষ হবে ২০২৭ সালের জুনে
  • 📌 চট্টগ্রামের ৬০ লাখ মানুষের মধ্যে বই পড়ার সুযোগ খুবই সীমিত, লালদীঘির গণপাঠাগারে মাত্র ৪৫ হাজার বই রয়েছে

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারটি ‘চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্স স্থাপন’ প্রকল্পের অংশ। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল আধুনিক সুবিধাসহ গণগ্রন্থাগারের পাঠকসেবা সম্প্রসারণ ও তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর সেবা চালু করা। তবে ২০১৯ সাল থেকে নির্মাণকাজের কারণে পাঠকসেবা বন্ধ রয়েছে।

গ্রন্থাগারের পঞ্চম তলায় বই সাজানো হলেও সেখানে চলছে দাপ্তরিক কাজ। সভাকক্ষ, পরিচালকের কক্ষ এবং পুরোনো বই ও সংবাদপত্রের সংরক্ষণস্থল ধুলায় ডুবে রয়েছে। গ্রন্থাগারের পরিচালক দিলীপ কুমার সাহা বলেছেন, “ভবন নির্মাণের কাজ শেষ না হওয়ায় পাঠকসেবা এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। নতুন ভবনে আধুনিক সুবিধা থাকবে, কাজ শেষ হলে সেসব সুবিধাসহ গ্রন্থাগারের কার্যক্রম চালু হবে।”

চট্টগ্রামের ৬০ লাখ মানুষের মধ্যে বই পড়ার সুযোগ খুবই সীমিত। লালদীঘির পশ্চিম পাড়ের সিটি করপোরেশনের গণপাঠাগারে মাত্র ৪৫ হাজার বই রয়েছে। এই ১২০ বছরের পুরোনো পাঠাগারটি লেখক, গবেষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অন্যতম ভরসা। তবে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগারের বন্ধ থাকায় নগরের পাঠকসমাজের জন্য একটি বড় পাঠের পরিসরও বন্ধ রয়েছে।

"ভবন নির্মাণের কাজ শেষ না হওয়ায় পাঠকসেবা এখনো চালু করা সম্ভব হয়নি। নতুন ভবনে আধুনিক সুবিধা থাকবে, কাজ শেষ হলে সেসব সুবিধাসহ গ্রন্থাগারের কার্যক্রম চালু হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: দিলীপ কুমার সাহা (গ্রন্থাগারের পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ১১ হাজার ৫৪৭টি বই, ১৯টি পত্রিকা, ১৬ তলা ভবন, ১০ হাজার পাঠকের বসার ব্যবস্থা, ৯২ শতাংশ ভৌত অগ্রগতি, ৮৩ শতাংশ আর্থিক অগ্রগতি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖