📌 রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত ঐতিহাসিক উৎসবে প্রাচীন মিশর ও বাংলার বিভিন্ন প্রত্নস্থানের চিত্র জীবন্ত হয়ে উঠেছে। উপাচার্য ড. শওকাত আলী উদ্বোধন করেন এই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের জগতকে জীবন্ত করে তুলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার তৃতীয় তলায় গত বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে একটায় আয়োজিত দিনব্যাপী ঐতিহ্য উৎসবে প্রাচীন মিশর ও বাংলার সভ্যতার বিভিন্ন প্রত্নস্থানের চিত্র শিক্ষার্থীদের হাতে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। উপাচার্য অধ্যাপক ড. শওকাত আলী এই উৎসবের উদ্বোধন করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১০ সেপ্টেম্বর রংপুরের বেরোবি’তে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত উৎসবে মিশরীয় ও বাংলার প্রাচীন সভ্যতার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো জীবন্ত হয়ে উঠেছে
- 📌 উৎসবে উপস্থাপিত হয়েছে লালবাগ কেল্লা, ষাট গম্বুজ মসজিদ, কান্দজির মন্দির, দিনাজপুরের নয়াবাদ মসজিদ, সোমপুর বিহার, শালবন বিহার, গৌড়নগর ও মিশরীয় ফারাও তিতেন খামেনের মমি
- 📌 শিক্ষার্থীরা ঐতিহাসিক চরিত্রে সেজে অংশ নেন — কেউ মিশরীয় রানী নেফাতিতি, কেউ প্রাচীন বাংলার পুরোহিত, আবার কেউ গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বধূর সাজে উপস্থিত হন
- 📌 ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোহাগ আলী বলেন, আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য পাঠ্য বইয়ের ইতিহাসকে বাস্তব জ্ঞান হিসেবে উপস্থাপন করা
- 📌 উপাচার্য ড. শওকাত আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মাধ্যমে ইতিহাসের বিভিন্ন সভ্যতা নতুনভাবে তুলে ধরা সম্ভব
📰 বিস্তারিত
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসবে শিক্ষার্থীরা নিজস্বভাবে প্রাচীন বাংলা ও মিশরীয় সভ্যতার প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন তৈরি করেছেন। উৎসবে উপস্থাপিত হয়েছে লালবাগ কেল্লা, ষাট গম্বুজ মসজিদ, কান্দজির মন্দির, দিনাজপুরের নয়াবাদ মসজিদ, সোমপুর বিহার, শালবন বিহার, গৌড়নগর এবং মিশরীয় ফারাও তিতেন খামেনের মমি। এছাড়াও মিশরীয় পিরামিডের রহস্যময় চিত্রও উপস্থাপিত হয়েছিল।
উৎসবে শিক্ষার্থীরা ঐতিহাসিক চরিত্রে সেজে অংশ নেন। কেউ মিশরীয় রানী নেফাতিতি, কেউ প্রাচীন বাংলার পুরোহিত, আবার কেউ গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বধূর সাজে উপস্থিত হন। ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সোহাগ আলী বাসস’কে বলেন, “আমাদের এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব সম্পর্কে পাঠ্য বইয়ে শিক্ষার্থীরা যা জানছে, সেটা সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করা। ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের বিষয়গুলো শুধু ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জানার সুযোগ করে দিয়ে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা আমাদের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।”
সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান উৎসবে অংশগ্রহণ করে বলেন, “ইতিহাস বিভাগের এই আয়োজনটি অবশ্যই প্রশংসনীয়। আমরা সাধারণত ইতিহাস সম্পর্কে পড়ি, কিন্তু আমাদের দেশের ইতিহাস ঐতিহ্যগুলোকে এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। যে গুলো আমরা সচরাচর দেখতে পাই না, সেগুলো খুব সুন্দরভাবে এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে।” ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী শারজিদা বলেন, “এই উৎসবের মাধ্যমে আমরা অতীতকে সবার সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। প্রত্নতত্ত্বের প্রকৃত তাৎপর্য এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এর গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করাই ছিল আমাদের উদ্দেশ্য।”
"আমাদের এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব সম্পর্কে পাঠ্য বইয়ে শিক্ষার্থীরা যা জানছে, সেটা সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান অর্জন করা। ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের বিষয়গুলো শুধু ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, অন্যান্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জানার সুযোগ করে দিয়ে ইতিহাস সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা আমাদের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি), রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উপাচার্য ড. শওকাত আলী, সহকারী অধ্যাপক সোহাগ আলী, শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান, শিক্ষার্থী শারজিদা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ সেপ্টেম্বর (তারিখ), ১১:৩০ (উদ্বোধন সময়)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!