📌 ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। স্থলবন্দর কার্যকরকরণ ও অবকাঠামো খাতে যৌথ উদ্যোগের প্রস্তাব দিয়েছেন তারা
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। শনিবার সিলেট মহানগর পুলিশের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় অংশ নিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভারতীয় ব্যবসায়ীরা স্থলবন্দর পুরোপুরি চালু করার দাবি জানিয়েছেন
- 📌 মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিদলও বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে
- 📌 বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি এখন ২৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি
- 📌 ভিয়েতনামের উদাহরণ তুলে ধরে অর্থনীতির আকারের সঙ্গে বাণিজ্যের সামঞ্জস্য প্রয়োজন বলে মত দেন মন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির জানান, ভারতীয় ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই বিনিয়োগ শুরু করেছেন। তারা স্থলবন্দরগুলো পুরোপুরি চালু করার মাধ্যমে ব্যবসায়িক সুবিধা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, স্থলবন্দর বন্ধ থাকায় ভারতীয় ব্যবসায়ীদের কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়টি উঠে এসেছে। এছাড়া অবকাঠামো খাতে যৌথ বিনিয়োগের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন এবং ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরির জন্য ট্রাস্ট গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন তারা।
মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধিদলও বাংলাদেশে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাব ও পরামর্শ সরকার বিবেচনায় নিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত শুল্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বিভিন্ন দেশের ওপরই পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশের ওপর সাধারণ শুল্কের বাইরে বর্তমানে ১০ শতাংশ ট্যারিফ প্রয়োগ করা হয়েছে, যা সর্বনিম্ন হারের মধ্যে একটি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সম্পর্কে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই দেশটির আমদানি রপ্তানির তুলনায় বেশি। এটি বিশ্বের অনেক দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তবে তিনি রপ্তানি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী বলেন, রপ্তানি বাড়লে আমদানিও বৃদ্ধি পাবে। দেশের অর্থনীতির আকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাণিজ্যের পরিমাণ বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে। ভিয়েতনামের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ভিয়েতনামের বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৮০০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে বাংলাদেশের প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলার। অর্থনীতির আকারের সঙ্গে এটি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
"ভারতীয় ব্যবসায়ীরা স্থলবন্দর পুরোপুরি চালু করার মাধ্যমে ব্যবসায়িক সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। মার্কিন ব্যবসায়ীরাও বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিলেট, বাংলাদেশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: খন্দকার আবদুল মুক্তাদির (বাণিজ্যমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ শতাংশ (শুল্ক হার), ২৭ বিলিয়ন ডলার (বাণিজ্য ঘাটতি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!