📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫০ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অবৈধ অ্যাপে ঋণ নিয়ে বিপাকে যুবক, সুদের হার ৮০০ শতাংশ পর্যন্ত

অবৈধ অ্যাপে ঋণ নিয়ে বিপাকে যুবক, সুদের হার ৮০০ শতাংশ পর্যন্ত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 অবৈধ অ্যাপের মাধ্যমে ঋণ নিয়ে বিপাকে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। তিন ধাপে ৬ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ১০ হাজার টাকা শোধ করতে হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে

বেসরকারি চাকরিজীবী শাহীন হোসেন গত জুনে মুঠোফোনে একটি অবৈধ অ্যাপের মাধ্যমে তিন ধাপে ৬ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। মাসখানেক মেয়াদের এই ঋণে তাঁকে শোধ করতে হয়েছে প্রায় ১০ হাজার টাকা। অর্থাৎ সুদের হার ছিল ৮০০ শতাংশ। শাহীন হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বেশি টাকা চাইছে দেখে তিনি পরিশোধে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। তখন তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে হুমকি দেওয়া হয় এই বলে যে তাঁর মুঠোফোনে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিদিন সুদ বাড়ছিল। হুমকি আসছিল। আমি এক পর্যায়ে টাকা শোধ করে দিই।’

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মুঠোফোন অ্যাপের মাধ্যমে তিন ধাপে ৬ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে শোধ করতে হয়েছে ১০ হাজার টাকা
  • 📌 সুদের হার ছিল ৮০০ শতাংশ পর্যন্ত
  • 📌 পরিশোধে অস্বীকৃতি জানালে হুমকি দেওয়া হয় ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার
  • 📌 বাংলাদেশ ব্যাংক অবৈধ অ্যাপের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেবে
  • 📌 দেশে অন্তত ৩০টি অবৈধ ঋণদানকারী অ্যাপের সন্ধান পাওয়া গেছে

📰 বিস্তারিত

বেসরকারি চাকরিজীবী শাহীন হোসেন জানান, তিনি গত জুনে মুঠোফোনে একটি অ্যাপের মাধ্যমে তিন ধাপে ৬ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। মাসখানেক মেয়াদের এই ঋণে তাঁকে শোধ করতে হয়েছে প্রায় ১০ হাজার টাকা। অর্থাৎ সুদের হার ছিল ৮০০ শতাংশ। তিনি আরও বলেন, বেশি টাকা চাইছে দেখে তিনি পরিশোধে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। তখন তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে হুমকি দেওয়া হয় এই বলে যে তাঁর মুঠোফোনে থাকা ব্যক্তিগত তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন সুদ বাড়ছিল। হুমকি আসছিল। আমি এক পর্যায়ে টাকা শোধ করে দিই; আর কোনো দিন এভাবে ঋণ নেব না।’

প্রথম আলো এমন ৩০টি অ্যাপের খোঁজ পেয়েছে, যেগুলো বাংলাদেশে অবৈধভাবে ঋণ দেয়। ভুক্তভোগীদের বক্তব্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার কয়েকটি দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, এসব অ্যাপের নিয়ন্ত্রকেরা ফেসবুক ও অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রলুব্ধ করতে বিজ্ঞাপন দেয়। কেউ ঋণ নিতে অ্যাপ ডাউনলোড করলে ব্যক্তির অজান্তেই তাঁর মুঠোফোন থেকে ছবি, ভিডিও, সবার নম্বর, খুদে বার্তাসহ বিভিন্ন তথ্য নিয়ে নেয়। পরে ঋণের বিপরীতে উচ্চ সুদ দাবি করা হয়। পরিশোধ না করলে মানুষকে হয়রানির মুখোমুখি হতে হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান প্রথম আলোকে বলেন, অ্যাপে অবৈধ ঋণদানের বিষয়টি তাঁর জানা নেই। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল ঋণের অ্যাপের প্রতারণার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেবে। বাংলাদেশে এই প্রবণতা নতুন এবং এখনো খুব বেশি বিস্তার লাভ করেনি; কিন্তু ভারত, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে এটা ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে বলে উল্লেখ করছে সেসব দেশের সংবাদমাধ্যম।

"অ্যাপে অবৈধ ঋণদানের বিষয়টি তাঁর জানা নেই। ডিজিটাল ঋণের অ্যাপের প্রতারণার বিষয়ে মানুষকে সচেতন করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শাহীন হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ হাজার টাকা, ১০ হাজার টাকা, ৮০০ শতাংশ, ৩০টি অ্যাপ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖