📌 বাংলাদেশ সরকার অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে বর্ষার আগেই অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
বাংলাদেশ সরকার অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমান ব্যবস্থা অনুযায়ী অর্থবছর শুরু হয় ১ জুলাই এবং শেষ হয় পরের বছরের ৩০ জুন। নতুন ব্যবস্থায় অর্থবছর শুরু হবে ১ এপ্রিল এবং শেষ হবে পরের বছরের ৩১ মার্চ। মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে ১৭ আগস্ট এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তবে নতুন ব্যবস্থা অবিলম্বে কার্যকর হবে না। পরিবর্তনের ফলে ২০২৭ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসের একটি অন্তর্বর্তী অর্থবছর থাকবে। পরবর্তীকালে ২০২৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে নতুন ব্যবস্থার প্রথম পূর্ণাঙ্গ অর্থবছর শুরু হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন করে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার
- 📌 নতুন ব্যবস্থা কার্যকর হবে ২০২৮ সালের ১ এপ্রিল থেকে
- 📌 ২০২৭ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসের অন্তর্বর্তী অর্থবছর থাকবে
- 📌 মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে ১৭ আগস্ট এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়
- 📌 বর্ষাকালে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকায় কাজের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বর্তমান ব্যবস্থায় অর্থবছর শুরু হয় ১ জুলাই এবং শেষ হয় পরের বছরের ৩০ জুন। নতুন ব্যবস্থায় অর্থবছর শুরু হবে ১ এপ্রিল এবং শেষ হবে পরের বছরের ৩১ মার্চ। এর ফলে বর্ষার আগেই অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। কারণ বর্ষাকালে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি ও উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দীর্ঘায়িত হওয়ার কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় এবং কাজের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, লেজিসলেটিভ বিভাগ, অর্থ বিভাগসহ উপযুক্ত অংশীজনদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে। এ পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশের সংবিধান, জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এ প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে হবে। এছাড়া অর্থবছর পরিবর্তনের সঙ্গে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় যুক্ত বিভিন্ন সিস্টেমে প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনতে হবে।
অর্থবছর পরিবর্তনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, ব্রিটিশ ভারতে প্রথম অর্থবছর ছিল মে থেকে পরের বছরের এপ্রিল পর্যন্ত। পরবর্তীকালে তা পরিবর্তন করে এপ্রিল থেকে মার্চ করা হয়। পরবর্তীতে পাকিস্তান আমলে আবার পরিবর্তন করে জুলাই থেকে জুন অর্থবছর চালু করা হয়। স্বাধীন বাংলাদেশেও একই ব্যবস্থা বহাল রাখা হয়।
"অর্থবছর পরিবর্তনের ফলে বর্ষাকালে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকায় কাজের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নতুন ব্যবস্থায় বর্ষার আগেই প্রকল্প সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ মাস (অন্তর্বর্তী অর্থবছর), ১৭ আগস্ট (মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!