📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ভারতের মহাকাশ খরচ নিয়ে বৈশ্বিক গবেষণায় ধাক্কা: প্রতি কেজিতে সর্বোচ্চ ব্যয় ভারতেরই!

ভারতের মহাকাশ খরচ নিয়ে বৈশ্বিক গবেষণায় ধাক্কা: প্রতি কেজিতে সর্বোচ্চ ব্যয় ভারতেরই!

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 যুক্তরাজ্য ও ইতালির গবেষকদের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, মহাকাশে প্রতি কেজি পেলোড পাঠাতে ভারতের ব্যয় বিশ্বের অন্যান্য প্রধান দেশের তুলনায় সর্বোচ্চ। ইসরোর দাবির বিপরীতে প্রকাশিত এই গবেষণা ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির সাশ্রয়ী ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে

যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইতালির পলিটেকনিকো দ্য তুরিনের এক যৌথ গবেষণায় উঠে এসেছে যে, মহাকাশে প্রতি কেজি পেলোড (মালামাল) পাঠাতে ভারতের ব্যয় বিশ্বের প্রধান মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২৫ সালে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রতি কেজি পেলোড উৎক্ষেপণে ব্যয় হয়েছে ১৩ হাজার ৩০২ মার্কিন ডলার, যা যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় প্রায় চারগুণ বেশি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মহাকাশে প্রতি কেজি পেলোড পাঠাতে ভারতের ব্যয় ১৩ হাজার ৩০২ মার্কিন ডলার, যা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় মাত্র ৩ হাজার ২২৫ ডলার, যা সবচেয়ে কম
  • 📌 গবেষণায় বিশ্লেষণ করা হয়েছে ১৯৬০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ৬ হাজার ৭৪০টির বেশি রকেট উৎক্ষেপণের তথ্য
  • 📌 ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির সাশ্রয়ী ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এই গবেষণা

📰 বিস্তারিত

গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে অর্থনীতিবিষয়ক সাময়িকী *ইকোনমিকস লেটার্স*-এ। এতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক গড় ব্যয় ছিল প্রতি কেজি পেলোডে ৩ হাজার ৮৬৮ ডলার। তবে বিভিন্ন দেশের মধ্যে ব্যয়ের পার্থক্য ছিল উল্লেখযোগ্য। যুক্তরাষ্ট্র প্রতি কেজিতে ব্যয় করেছে ৩ হাজার ২২৫ ডলার, যা সবচেয়ে কম। এরপর রয়েছে জাপান (৫ হাজার ২৮৭ ডলার), চীন (৫ হাজার ৮০৯ ডলার), রাশিয়া (৬ হাজার ৬৮২ ডলার) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (৯ হাজার ৮৯৭ ডলার)।

গবেষক অ্যালেসিও তেরজি ও ফ্রান্সেসকো নিকোলি জানান, ভারতের রকেটগুলোর বহনক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় প্রতি কেজিতে ব্যয় অনেক বেশি হয়ে যায়। এছাড়া বারবার রকেট উৎক্ষেপণ এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তির অভাবও ভারতের ব্যয় বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের স্পেসএক্স বারবার রকেট ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৪ সালে মঙ্গলাভিযান প্রসঙ্গে বলেছিলেন, ‘ভারত প্রতি কিলোমিটারে মাত্র ৭ রুপি খরচে মঙ্গল গ্রহে পৌঁছে গেছে।’ তবে এই নতুন গবেষণা ভারতের মহাকাশ কর্মসূচির ব্যয় নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলেছে। ইসরোর বর্তমান চেয়ারম্যান ড. ভি নারায়ণন গবেষণার তথ্যকে ভুল বলে দাবি করেছেন, যদিও বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেননি। অন্যদিকে ইসরোর সাবেক চেয়ারম্যান ড. এস সোমনাথ মনে করেন, শুধুমাত্র প্রতি কেজির ব্যয় দিয়ে পুরো চিত্র বোঝা সম্ভব নয়।

"এই গবেষণায় ভুল তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।" — ড. ভি নারায়ণন, চেয়ারম্যান, ইসরো

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাজ্য ও ইতালি
  • 👥 গবেষক দল: অ্যালেসিও তেরজি, ফ্রান্সেসকো নিকোলি
  • 🔢 সর্বোচ্চ ব্যয়কারী দেশ: ভারত (১৩,৩০২ ডলার প্রতি কেজি)
  • 🔢 সর্বনিম্ন ব্যয়কারী দেশ: যুক্তরাষ্ট্র (৩,২২৫ ডলার প্রতি কেজি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖