📌 সারের অনিয়ম ও কৃত্রিম সংকট প্রতিরোধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন কৃষি সচিব। রাজশাহী বিভাগের মোহনপুর উপজেলায় কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন
সারের সুষ্ঠু সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন কৃষি সচিব মো. সেলিম খান। রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি বলেন, কোনো অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কৃষি সচিব মো. সেলিম খান জানান, সারের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে
- 📌 রাজশাহী বিভাগে সারের পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে
- 📌 অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন কৃষি সচিব
- 📌 সার ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম প্রতিরোধে সারা দেশে সরেজমিন পরিদর্শন ও মতবিনিময় কর্মসূচি চালু হয়েছে
📰 বিস্তারিত
কৃষি সচিব মো. সেলিম খান রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় বলেন, দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো রাজশাহী বিভাগেও সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। তিনি জানান, কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং সারের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো অসাধু ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কৃষকদের দুর্ভোগে ফেলতে চাইলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ কৃষি সচিব সেলিম খান জানান, সার ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
সভা শেষে কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন, সার ডিলার প্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত দল রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় সরেজমিন পরিদর্শন ও কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে।
‘দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতো রাজশাহী বিভাগেও বর্তমানে সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। কৃষকদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত বরাদ্দ দেওয়ার পাশাপাশি সারের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষি সচিব মো. সেলিম খান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ (ঘণ্টা), ১৮ (বছর), ৩ (ঘণ্টা), ২৭ (অর্থবছর)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!