📌 গত ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়কালের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে সরকারি কর্মকর্তাদের। দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের জন্য রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক। করের হিসাব কীভাবে করা যায় তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে
গত ১ জুলাই ২০২৫ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত সময়কালের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে বাধ্য সরকারি কর্মকর্তাদের। দশম গ্রেড বা তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের জন্য এই রিটার্ন দেওয়া বাধ্যতামূলক। রিটার্ন না দিলে বেতন-ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। সরকারি কর্মকর্তাদের করের হিসাব কীভাবে করা যায়, তা নিয়ে বিস্তারিত জানা যাচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের জন্য এবারের কর রিটার্ন জমা দিতে হবে বাধ্যতামূলক। অন্যদের জন্য তা বাধ্যতামূলক নয়।
- 📌 ১ জুলাই ২০২৫ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত সময়কালের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে।
- 📌 গত জুলাই কার্যকর করা নতুন বেতন-ভাতা এবারের রিটার্নে অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।
- 📌 শরিফুল ইসলাম নামের কর্মকর্তার মোট করযোগ্য আয় ৬ লাখ ৩ হাজার ৫০০ টাকা। তার ওপর করের পরিমাণ ২০ হাজার ৩৫০ টাকা।
- 📌 বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত হিসেবে শরিফুল ইসলামের প্রাপ্য রেয়াত ৫ হাজার ১০০ টাকা। ফলে তার প্রদেয় কর ১৫ হাজার ২৫০ টাকা।
📰 বিস্তারিত
সরকারি কর্মকর্তাদের করের হিসাব করার ক্ষেত্রে প্রথমেই মনে রাখতে হবে যে, গত জুলাই কার্যকর করা নতুন বেতন-ভাতা কার্যকর হওয়ার পর থেকে এবারের রিটার্নে তা অন্তর্ভুক্ত করা হবে না। তবে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময়কালের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। এবারের রিটার্নের ক্ষেত্রে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সারা বছরই রিটার্ন দেওয়ার বিধান করেছে।
উদাহরণস্বরূপ, শরিফুল ইসলাম নামের একজন সরকারি কর্মকর্তার করের হিসাব নেওয়া হলো। তার মাসিক মূল বেতন ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা, উৎসব বোনাস ৭১ হাজার টাকা, চিকিৎসা ভাতা ১৮ হাজার টাকা, ইনসেনটিভ বোনাস ১ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকা এবং বাংলা নববর্ষ ভাতা ৭ হাজার ১০০ টাকা। এছাড়াও তিনি মাসে ১৪ হাজার ২০০ টাকা বাড়িভাড়া ভাতা পান। তার ভবিষ্য তহবিলে প্রতি মাসে ৪ হাজার টাকা জমা রাখেন এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে তার ভবিষ্য তহবিলে অর্জিত সুদের পরিমাণ ছিল ৩৩ হাজার ৫০০ টাকা।
শরিফুল ইসলামের করযোগ্য মোট আয় হলো মূল বেতন ৪ লাখ ২৬ হাজার টাকা, উৎসব বোনাস ৭১ হাজার টাকা এবং ইনসেনটিভ বোনাস ১ লাখ ৬ হাজার ৫০০ টাকা। সব মিলিয়ে তার মোট আয় ৬ লাখ ৩ হাজার ৫০০ টাকা। চার লাখ টাকা পর্যন্ত কর নেই। বাকি ২ লাখ ৩ হাজার ৫০০ টাকার ওপর ১০ শতাংশ করের পরিমাণ ২০ হাজার ৩৫০ টাকা। তবে তার চিকিৎসা ভাতা, বাড়িভাড়া ভাতা ও বাংলা নববর্ষ ভাতা করমুক্ত।
"চাকরি (ব্যাংক, বিমা ও ফাইন্যান্স কোম্পানি) (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫-এর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় শরিফুল ইসলামের চিকিৎসা ভাতা, বাড়িভাড়া ভাতা ও বাংলা নববর্ষ ভাতা করমুক্ত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ (সরকারি কর্মকর্তাদের করের হিসাব)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শরিফুল ইসলাম (উদাহরণস্বরূপ কর্মকর্তা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ লাখ ৩ হাজার ৫০০ টাকা (মোট করযোগ্য আয়), ২০ হাজার ৩৫০ টাকা (কর), ৫ হাজার ১০০ টাকা (বিনিয়োগজনিত কর রেয়াত)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!