📌 গ্যাস সরবরাহের চরম সংকটে নরসিংদীর তিন শতাধিক কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। দেশে দৈনিক গ্যাস চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও সরবরাহ নেমেছে মাত্র ২২৬ কোটি ঘনফুটে। ফলে স্থানীয় অর্থনীতি ও শ্রমিকদের জীবিকা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
গ্যাস সরবরাহের মারাত্মক সংকটে নরসিংদী জেলার তিন শতাধিক কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহ ধরে গ্যাসের চাপ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে যাওয়ায় ছোট-বড় সব ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠানই উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশে দৈনিক গ্যাস চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও সরবরাহ নেমেছে ২২৬ কোটি ঘনফুটে
- 📌 স্বাভাবিক সময়ে সরবরাহ হতো ২৭০ কোটি ঘনফুট, যা রেশনিংয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হতো
- 📌 গত শনিবার থেকে গ্যাস সরবরাহ ধারাবাহিকভাবে কমে আসছে (২৪২ → ২৪০ → ২২৮ → ২২৬ কোটি ঘনফুট)
- 📌 নরসিংদী জেলায় তিন শতাধিক কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে
- 📌 স্থানীয় বস্ত্রশিল্পের প্রায় ৭০ শতাংশ উৎপাদন করে এই জেলার কারখানাগুলো
📰 বিস্তারিত
নরসিংদী জেলায় গ্যাসের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে গ্যাস সরবরাহের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাওয়ায় জেলার তিন শতাধিক কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি রাশিদুল হাসান জানিয়েছেন, গ্যাস সংকটের কারণে স্থানীয় অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তিনি বলেন, 'গ্যাস না পাওয়া ছোট-বড় তিন শতাধিক কারখানায় উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন ব্যবসায়ীরা।'
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহ ধরে গ্যাসের চাপ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে যাওয়ায় কারখানাগুলো বিকল্প কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছে না। ফলে শ্রমিকদের বসে থাকতে হচ্ছে এবং অনেক কারখানায় উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে। নরসিংদী শহর ও আশপাশের এলাকায় যেসব কারখানায় উৎপাদন বন্ধ আছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে চিশতিয়া সাইজিং মিল, ইয়ামিন সাইজিং মিল, মমিন সাইজিং মিল, হোসেন ডাইং অ্যান্ড ক্যালেন্ডারিং মিল, আবেদ টেক্সটাইল মিলস, শিল্পী ডাইং, নদী-বাংলা সাইজিং মিল, ভূঁইয়া টেক্সটাইল অ্যান্ড ক্যালেন্ডার মিলস।
নরসিংদী টেক্সটাইল, ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিং অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও মাধবদী ডাইং ফিনিশিং মিলসের মালিক নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, গ্যাস সংকট দ্রুত সমাধান না হলে শিল্পমালিকেরা শ্রমিকদের বেতন কিংবা গ্যাস বিল পরিশোধ করতে পারবেন না। তিনি বলেন, 'এভাবে চলতে থাকলে শ্রমিকদের বেতন কিংবা গ্যাস বিল কিছুই দিতে পারবেন না শিল্পমালিকেরা।'
‘সরকারের জানানো উচিত, এই সংকট কবে নিরসন হবে এবং ওই সময় পর্যন্ত আমাদের কী করা উচিত।’ — আনিসুর রহমান ভূঁইয়া, পরিচালক, ভূঁইয়া টেক্সটাইল অ্যান্ড ক্যালেন্ডার মিলস লিমিটেড
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নরসিংদী জেলা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাশিদুল হাসান (সভাপতি, নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দৈনিক গ্যাস চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট, সরবরাহ ২২৬ কোটি ঘনফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!