📌 তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠিত হলেও তিন দিন পার হওয়া সত্ত্বেও সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই। গাজীপুর, সাভার ও মিরপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যেই এই বিলম্ব চলছে।
তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সরকার গত রোববার নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করলেও তিন দিন পার হওয়া সত্ত্বেও সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই। এদিকে গাজীপুর, সাভার-আশুলিয়া ও মিরপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকার গত রোববার নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করলেও তিন দিন পার হওয়া সত্ত্বেও সভা ডাকার কোনো উদ্যোগ নেই
- 📌 বোর্ডে নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমদ, মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিন ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের (বিজিআইডব্লিউএফ) সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতার নিয়োগ করা হয়েছে
- 📌 বোর্ডের চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান বলেছেন, ‘আমরা শিগগিরই সভা করব’
- 📌 শ্রমিকপক্ষের দুই প্রতিনিধি আনোয়ার হোসাইন ও বাবুল আখতার সোমবার সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন, ‘প্রয়োজনে রাতভর বৈঠক করতেও আমাদের আপত্তি নেই’
- 📌 সর্বশেষ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নিম্নতম মজুরি কাঠামো কার্যকর হয়েছিল, আগামী ডিসেম্বরে নতুন মজুরি কাঠামো হবে
- 📌 ১৯৯৪ সালে প্রথম নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠিত হয়, তখন শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ছিল ৯৩০ টাকা
📰 বিস্তারিত
শ্রম মন্ত্রণালয় গত রোববার একটি প্রজ্ঞাপনে নিম্নতম মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করে। বোর্ডে নিরপেক্ষ সদস্য হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এবং মালিক ও শ্রমিকপক্ষের স্থায়ী সদস্য হিসেবে যথাক্রমে বাংলাদেশ এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের যুগ্ম মহাসচিব আসিফ আইয়ুব ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে নিয়োগ করা হয়েছে। আরেকটি প্রজ্ঞাপনে তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য গঠিত নিম্নতম মজুরি বোর্ডে মালিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বিজিএমইএর পরিচালক এ বি এম সামছুদ্দিন ও শ্রমিকপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল শ্রমিক ফেডারেশনের (বিজিআইডব্লিউএফ) সাধারণ সম্পাদক বাবুল আখতারকে নিয়োগ করা হয়েছে।
তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য ছয় সদস্যের মজুরি বোর্ড গঠিত হয়েছে। বোর্ডের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নিম্নতম মজুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান। বোর্ডের প্রথম সভা কবে হবে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, ‘আমরা শিগগিরই মজুরি বোর্ডের সভা করব। আমরা সভা করার জন্য প্রস্তুত।’ তিনি জানান, সর্বশেষ মজুরি বোর্ডের প্রজ্ঞাপনের ৪৫ দিন পর প্রথম সভা হয়েছিল। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হয়েছিল ছয় থেকে সাত মাসে। এবার তেমনটি হবে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে মজুরি নির্ধারণের কার্যক্রম শেষ করতে সরকার আন্তরিক।
শ্রমিকপক্ষের দুই প্রতিনিধি আনোয়ার হোসাইন ও বাবুল আখতার গতকাল সোমবার শ্রম ভবনে সংবাদ সম্মেলন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে মজুরি বোর্ডের সভা ডাকার অনুরোধ করেন। সংবাদ সম্মেলনে বাবুল আখতার বলেন, ‘সর্বশেষ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নিম্নতম মজুরি কাঠামো কার্যকর হয়েছিল। সেই হিসেবে আগামী ডিসেম্বরে নতুন মজুরি কাঠামো হবে। শ্রমিকেরা যেন জানুয়ারিতে মজুরি হাতে পান, সেভাবে আমরা কাজ করব। আমাদের বিলম্ব হওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রয়োজনে আমরা মজুরি বোর্ডে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করব। রাতভর বৈঠক করতেও আমাদের আপত্তি নেই। শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি আদায়ে আমরা কোনো ছাড় দেব না।’
"আমরা শিগগিরই মজুরি বোর্ডের সভা করব। আমরা সভা করার জন্য প্রস্তুত।"
"সর্বশেষ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে নিম্নতম মজুরি কাঠামো কার্যকর হয়েছিল। সেই হিসেবে আগামী ডিসেম্বরে নতুন মজুরি কাঠামো হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (শ্রম ভবন), গাজীপুর, সাভার-আশুলিয়া, মিরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ আশফাকুর রহমান, মোসলেহ উদ্দিন আহমদ, আসিফ আইয়ুব, আনোয়ার হোসাইন, বাবুল আখতার, এ বি এম সামছুদ্দিন
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ দিন, ১ ডিসেম্বর, ৯ এপ্রিল
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!