📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া: সিইপিএ আলোচনার পর যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা

বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া: সিইপিএ আলোচনার পর যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ আলোচনা শেষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক গভীরতর করার জন্য সরকারি-বেসরকারি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়। বাণিজ্য, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও শিল্প বহুমুখীকরণে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই গ্রুপ গঠিত হবে।

বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ (সামগ্রিক অর্থনৈতিক অংশীদারতা চুক্তি) আলোচনা সম্পন্ন করার পর অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীরতর করার উদ্যোগ নেয়। এই লক্ষ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং শিল্পের বহুমুখীকরণে সরকারি-বেসরকারি খাতের যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২ নভেম্বর সিউলে বাংলাদেশের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী জুং-সুং পার্কের মধ্যে বৈঠকে বাংলাদেশ-কোরিয়া যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
  • 📌 গ্রুপে অংশ নেবে দুই দেশের সরকারি সংস্থা ও ব্যবসায়িক চেম্বারের প্রতিনিধি। তারা বিনিয়োগ সুযোগ, ব্যবসা সহজীকরণ ও পিপিপি মডেলের মাধ্যমে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির পথ চিহ্নিত করবেন।
  • 📌 অর্থমন্ত্রী বলেন, সিইপিএ-পরবর্তী সুযোগকে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ কোরিয়া সরকার ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।
  • 📌 কোরিয়ার বিনিয়োগে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশে ইলেকট্রনিকস, জাহাজ নির্মাণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এআই ও ডিজিটাল শিল্পে বিনিয়োগের সম্ভাবনা চিহ্নিত করা হয়েছে।
  • 📌 বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের জন্য মূলধন প্রত্যাবাসন ডিজিটালাইজেশন, ইলেকট্রনিকস শিল্পের শুল্ক ২৬% থেকে শূন্যে নামানো এবং অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি জিটুজি ও পিপিপি মডেল বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়েছে।

📰 বিস্তারিত

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সিইপিএ আলোচনা সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গতিশীল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-কোরিয়া সম্পর্কের পরবর্তী পর্যায়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্প বহুমুখীকরণ এবং বৈশ্বিক ভ্যালু চেইনে বাংলাদেশের গভীর সংযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের জন্য নতুন প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রচলিত বস্ত্র ও তৈরি পোশাকনির্ভর অংশীদারত্বের বাইরে গিয়ে কোরিয়ার সঙ্গে আরও বিস্তৃত ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। তিনি ইলেকট্রনিকস ও সেমিকন্ডাক্টর, জাহাজ নির্মাণ ও সামুদ্রিক শিল্প, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল ও সৃজনশীল শিল্পকে সহযোগিতার সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি জ্বালানি, ওষুধ, মেডিকেল ডিভাইস, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, লজিস্টিকস, আধুনিক উৎপাদনশিল্প ও অবকাঠামো খাতে কোরীয় বিনিয়োগের সম্ভাবনার কথা জানান।

বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নের উদ্যোগ হিসেবে অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, মূলধন প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার ডিজিটালাইজেশন ও স্বয়ংক্রিয়করণ, ইলেকট্রনিকস শিল্পের কাঁচামালের ওপর শুল্ক ২৬ শতাংশ থেকে শূন্যে নামানো এবং কাস্টমস ও বন্দর কার্যক্রম সহজ ও গতিশীল করা। এছাড়া কৌশলগত অবকাঠামো, জ্বালানি ও অন্যান্য অগ্রাধিকারমূলক বিনিয়োগ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে সরকার-টু-সরকার (জিটুজি) এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেলের ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।

দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী জুং-সুং পার্ক বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী কোরীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন সমস্যা ও আগ্রহের বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ সহজ করতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা প্রয়োজন। এ বিষয়ে একটি সমন্বিত তালিকা বাংলাদেশকে দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে কোরীয় পক্ষ।

"সিইপিএ-পরবর্তী সুযোগকে বাস্তব ও দৃশ্যমান অর্থনৈতিক সুফলে রূপ দিতে বাংলাদেশ কোরিয়া সরকার ও দেশটির ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: সিউল (দক্ষিণ কোরিয়া), বাংলাদেশ
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বাণিজ্যমন্ত্রী জুং-সুং পার্ক, তানভীর শাহরিয়ার গনি, রেহান আসিফ আসাদ, মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৬ শতাংশ (ইলেকট্রনিকস শিল্পের শুল্ক হ্রাস), ২ নভেম্বর ও ৩ নভেম্বর (বৈঠকের তারিখ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖