📌 বাবার দেওয়া দশ হাজার টাকায় ব্যবসা শুরু করেছিলেন নিশাত আনজুম। দশ বছরের মাথায় প্রতিষ্ঠানটি এখন দেশীয় পোশাকের অন্যতম ব্র্যান্ড হিসেবে পরিচিত। কর্মীসংখ্যা ২৭, কারখানা শাহজাদপুরে
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় বাবার কাছ থেকে দশ হাজার টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন নিশাত আনজুম। সেই টাকায় মাত্র ৭০ থেকে ৮০টি পোশাক তৈরি করে প্রথম প্রদর্শনীতে অংশ নেন তিনি। প্রথম দিনেই বেশির ভাগ পণ্য বিক্রি হয়ে যায়। এরপর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্যবসার সূচনা: বাবার দেওয়া দশ হাজার টাকায় শুরু করেছিলেন নিশাত আনজুম
- 📌 প্রথম প্রদর্শনী: ৭০ থেকে ৮০টি পোশাক নিয়ে অংশ নিয়েছিলেন প্রথম প্রদর্শনীতে
- 📌 প্রতিষ্ঠানের অবস্থান: শাহজাদপুরে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কারখানা রয়েছে
- 📌 কর্মীসংখ্যা: বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন মোট ২৭ জন
- 📌 বিক্রয়কেন্দ্র: বর্তমানে বনানীতে প্রতিষ্ঠানটির অফিস ও দোকান রয়েছে
📰 বিস্তারিত
২০১৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় বাবার কাছ থেকে দশ হাজার টাকা নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলেন নিশাত আনজুম। বাবা ভেবেছিলেন মেয়েটি হয়তো বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও ঘুরতে যাওয়ার জন্য টাকাটা নিয়েছে। কিন্তু সেই টাকায় তিনি তৈরি করেছিলেন মাত্র ৭০ থেকে ৮০টি পোশাক। প্রথম প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে প্রথম দিনেই বেশির ভাগ পণ্য বিক্রি হয়ে যায়।
এরপর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। ২০১৭ সালে বাড্ডায় নিজস্ব কারখানা চালু করেন তিনি। ধীরে ধীরে কর্মীসংখ্যা বাড়তে থাকে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা নিশাত আনজুম বলেন, ‘শুরুর দিকে অনেক কিছুই ছিল নতুন। কোথা থেকে কাপড় সংগ্রহ করব, কীভাবে উৎপাদনের কাজ এগিয়ে নেব — এসব বিষয় নিয়ে কাজ করতে করতেই সব শিখতে হয়েছে।’
বর্তমানে শাহজাদপুরে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব কারখানা রয়েছে। কর্মীসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭ জনে। প্রতিষ্ঠানটির বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে বনানীতে। করোনা মহামারির সময় জেনেটিক প্লাজায় অবস্থিত বিক্রয়কেন্দ্রটি বন্ধ হয়ে যায়। দেশীয় কাপড় ব্যবহার করে তৈরি করা হয় প্রতিষ্ঠানটির পোশাক। এখানে পাওয়া যায় শাড়ি, থ্রি-পিস, কুর্তা, কো-অর্ড সেটসহ বিভিন্ন ধরনের পোশাক।
পঞ্চগড়, রাজশাহী, নরসিংদী ও ইসলামপুর থেকে সংগ্রহ করা হয় কাপড়। আইন পেশায় যুক্ত থাকলেও উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন নিশাত আনজুম। তিনি বলেন, নিজের নকশার অনুকরণে তৈরি পোশাক অন্য প্রতিষ্ঠানে বিক্রি হতে দেখেছেন তিনি। বিষয়টি হতাশাজনক হলেও তিনি সেটিকে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখেননি। বরং নতুন নকশা তৈরির দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন।
‘দেশীয় পোশাককে আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে অরাম। মৌলিক নকশা ও মানসম্পন্ন পণ্যই একটি প্রতিষ্ঠানকে দীর্ঘ মেয়াদে টিকিয়ে রাখতে পারে।’ — নিশাত আনজুম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিশাত আনজুম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ হাজার টাকা, ৭০-৮০টি পোশাক, ২৭ জন কর্মী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!