📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ২:২৭ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সামাজিক মাধ্যমের ফিডে কেন বিরোধিতার পোস্টই বেশি আসে: গবেষণা ফলাফল

সামাজিক মাধ্যমের ফিডে কেন বিরোধিতার পোস্টই বেশি আসে: গবেষণা ফলাফল

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সামাজিক মাধ্যমের অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীদের বিরোধিতামূলক বিষয়বস্তুকেই ফিডে বেশি প্রাধান্য দেয়। মার্কিন গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব পোস্টে ব্যবহারকারীরা মন্তব্য করেন, সেগুলোই তাদের ফিডে বারবার আসে। রাজনৈতিক আদর্শের ভিত্তিতেও এই প্রবণতা ভিন্ন রূপ নেয়

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীদের মূল্যবোধের বিপরীতধর্মী বিষয়বস্তুকেই তাদের ফিডে বারবার তুলে ধরছে। যুক্তরাষ্ট্রের ৭১৫ জন মার্কিন ব্যবহারকারীর ওপর পরিচালিত এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে। বিজ্ঞান সাময়িকী ‘প্রোসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস’-এ প্রকাশিত এই গবেষণা অনুসারে, ব্যবহারকারীরা যেসব পোস্টে বিরোধিতা করেন, সেগুলোতে মন্তব্য করার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। ফলে অ্যালগরিদম সেই বিরোধিতামূলক বিষয়বস্তুকেই তাদের ফিডে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখায়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সামাজিক মাধ্যমের অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীদের বিরোধিতামূলক বিষয়বস্তুকেই ফিডে বেশি প্রাধান্য দেয়
  • 📌 যেসব পোস্টে ব্যবহারকারীরা মন্তব্য করেন, সেগুলোই তাদের ফিডে বারবার আসে
  • 📌 যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাট সমর্থকদের ফিডে তাদের নিজস্ব মূল্যবোধের বিরোধী পোস্ট আসার প্রবণতা চার গুণেরও বেশি
  • 📌 গবেষণায় অংশগ্রহণকারী মার্কিন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৭১৫ জন
  • 📌 ইন্টারনেটের এক-তৃতীয়াংশের বেশি লেখা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি হচ্ছে বলে নতুন গবেষণায় উঠে এসেছে

📰 বিস্তারিত

গবেষকদের মতে, সামাজিক মাধ্যমগুলোর অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীর অনলাইন আচরণ বিশ্লেষণ করে তাদের ফিড নির্ধারণ করে। সাধারণত ব্যবহারকারীরা যেসব পোস্টের সঙ্গে একমত হন, সেগুলোতে তারা শুধুমাত্র ‘লাইক’ দিয়ে চলে যান। কিন্তু বিরোধিতা করেন এমন পোস্টে গিয়ে দীর্ঘ মন্তব্য লেখেন। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর অ্যালগরিদম একটি ‘লাইক’-এর চেয়ে একটি ‘রিপ্লাই’ বা মন্তব্যকে অনেক বেশি শক্তিশালী সংকেত হিসেবে গণ্য করে। ফলে সিস্টেম ধরে নেয় যে ব্যবহারকারী এই ধরনের বিষয়ের ওপর বেশি আগ্রহী, এবং পরবর্তীতে সেই সম্পর্কিত পোস্টের সংখ্যা বাড়িয়ে দেয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, পরিবেশ সুরক্ষা বা সামাজিক দায়বদ্ধতার মতো ইতিবাচক বিষয়বস্তুর চেয়ে নিয়মকানুন ও প্রথা রক্ষার মতো বিরোধিতামূলক পোস্টগুলোই ব্যবহারকারীর ফিডে বেশি প্রাধান্য পাচ্ছে। রাজনৈতিক আদর্শের ভিত্তিতেও এই প্রবণতা ভিন্ন রূপ নেয়। যুক্তরাষ্ট্রে রিপাবলিকানদের তুলনায় ডেমোক্র্যাট সমর্থকদের ফিডে তাদের নিজস্ব মূল্যবোধের বিরোধী পোস্ট আসার প্রবণতা চার গুণেরও বেশি। গবেষকদের মতে, শুধু এনগেজমেন্ট বা ব্যবহারকারীর সক্রিয়তাকে ভিত্তি করে অ্যালগরিদম পরিচালনা করায় সমাজে রাজনৈতিক ও সামাজিক মেরুকরণ দিন দিন বাড়ছে।

গবেষণা দলের মতে, ব্যবহারকারীদের নিজেদের ফিড নিয়ন্ত্রণের বেশি ক্ষমতা দেওয়া হলে এবং রাজনৈতিক মতভেদের বাইরে যেসব বিষয়বস্তু সংযোগ তৈরি করতে পারে তা প্রদর্শন করা গেলে, সামাজিক মাধ্যমে গঠনমূলক আলোচনার পথ সুগম হতে পারে। এছাড়া নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে যে, ইন্টারনেটের এক-তৃতীয়াংশের বেশি লেখা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্য অনুসারে, নতুন ওয়েবপেজগুলোর প্রায় ৩৫ শতাংশে ‘উল্লেখযোগ্য মাত্রায় এআই দিয়ে সম্পাদনা বা লেখার’ লক্ষণ পাওয়া গেছে।

"সামাজিক মাধ্যমগুলোর অ্যালগরিদম ব্যবহারকারীর দেওয়া একটি ‘লাইক’-এর চেয়ে একটি ‘রিপ্লাই’ বা মন্তব্যকে অনেক বেশি শক্তিশালী সংকেত হিসেবে গণ্য করে। এর ফলে সিস্টেম ধরে নেয় যে ব্যবহারকারী এই ধরনের বিষয়ের ওপর বেশি আগ্রহী।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মার্কিন ব্যবহারকারীরা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭১৫ জন, ৩৫ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖