📌 গঙ্গা-পদ্মা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন চুক্তি নবায়নের সময় রাজ্যের পানিসম্পদ, শিল্প ও পরিবেশগত স্বার্থ পুরোপুরি সুরক্ষিত থাকে।
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জোরালো দাবি উত্থাপিত হয়েছে, যেন বাংলাদেশের সঙ্গে চলমান ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গা-পদ্মা পানিবণ্টন চুক্তির নবায়নকালে রাজ্যের স্বার্থ ক্ষুণ্ন না হয়। রাজ্যের এক জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তার বরাতে ভারতীয় সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বৈঠকে রাজ্যের প্রতিনিধিরা বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গঙ্গা-পদ্মা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে
- 📌 পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার চুক্তি নবায়নে কেন্দ্রের প্রতি স্বার্থ রক্ষার দাবি জানিয়েছে
- 📌 রাজ্যের কর্মকর্তারা শুষ্ক মৌসুমে ভাগীরথী-হুগলি নদীর প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার ওপর জোর দিয়েছেন
- 📌 ফারাক্কা ব্যারেজের উজান ও ভাটিতে অবস্থিত জেলাগুলোতে নদীভাঙন ও বন্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে
- 📌 কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্টে জাহাজ চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে পলি জমার কারণে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বিদ্যমান গঙ্গা-পদ্মা পানিবণ্টন চুক্তির মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে যাচ্ছে। এই চুক্তি নবায়নের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে, যেন রাজ্যের পানিসম্পদ, শিল্প ও পরিবেশগত স্বার্থ পুরোপুরি সুরক্ষিত থাকে। রাজ্যের এক জ্যেষ্ঠ প্রশাসনিক কর্মকর্তা পিটিআইকে জানান, কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বৈঠকে রাজ্যের প্রতিনিধিরা বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করেন। বৈঠকে রাজ্যের পানীয় জল ও শিল্প খাতের জন্য গঙ্গার পানির চাহিদা তুলে ধরে একটি বিশদ প্রতিবেদনও জমা দেওয়া হয়।
ওই কর্মকর্তা আরও জানান, রাজ্যের প্রধান উদ্বেগ হলো, নবায়িত চুক্তিতে যেন রাজ্যের ন্যায্য প্রয়োজনীয়তাগুলো পর্যাপ্তভাবে সুরক্ষিত থাকে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে ভাগীরথী-হুগলি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত পানি পাওয়া অত্যন্ত জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, রাজ্য সরকার ফারাক্কা ব্যারেজ হয়ে ভাগীরথী-হুগলি নদী ব্যবস্থায় শুষ্ক মৌসুমে পানির পর্যাপ্ত প্রবাহ বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে।
হুগলি নদীতে পানির প্রবাহ কমে যাওয়ার ফলে নৌচলাচলে মারাত্মক নাব্যতা সংকট তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে ফারাক্কা ব্যারেজের উজান ও ভাটি—উভয় অংশের মালদা, মুর্শিদাবাদ এবং নদীয়া জেলার এক বিশাল এলাকা প্রতি বছর নদীভাঙনের কবলে পড়ছে। অতিরিক্ত পলি জমার কারণে এলাকায় বারবার বন্যা দেখা দিচ্ছে এবং কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্টে জাহাজ চলাচলেও তা বাধা সৃষ্টি করছে।
‘আমাদের প্রধান উদ্বেগ হলো, নবায়িত কোনো চুক্তিতে যেন রাজ্যের ন্যায্য প্রয়োজনীয়তাগুলো পর্যাপ্তভাবে সুরক্ষিত থাকে। বিশেষ করে শুষ্ক মৌসুমে ভাগীরথী-হুগলি নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত পানি পাওয়া অত্যন্ত জরুরি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!