📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:২১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

রাজধানীর বাজারে ডিম ও সবজির দাম কমলেও স্থিতিশীল মাছ-মাংসের মূল্য

রাজধানীর বাজারে ডিম ও সবজির দাম কমলেও স্থিতিশীল মাছ-মাংসের মূল্য

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 রাজধানীর বাজারে ডিম ও বেশ কয়েকটি সবজির দাম কমলেও মাছ ও মাংসের মূল্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। গত সপ্তাহের তুলনায় ডজন প্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা। তবে বেশিরভাগ সবজির কেজি এখনো ৮০ টাকা বা তার বেশি।

রাজধানীর বাজারে ডিম ও বেশ কয়েকটি সবজির দাম কমলেও মাছ ও মাংসের মূল্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে গত সপ্তাহের তুলনায় ডজন প্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা। তবে বেশিরভাগ সবজির কেজি এখনো ৮০ টাকা বা তার বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত সপ্তাহের তুলনায় ডজন প্রতি ডিমের দাম কমেছে ১০ টাকা
  • 📌 রাজধানীর বাজারে বেশিরভাগ সবজির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে
  • 📌 গত কয়েক সপ্তাহে সরবরাহ ঘাটতির কারণে অনেক সবজির দাম কেজিতে ১০০ টাকা ছাড়িয়েছিল
  • 📌 ব্রয়লার মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ টাকা কমে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে
  • 📌 গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায়

📰 বিস্তারিত

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ডিমের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কমেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বাজারে ডজন প্রতি ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা দরে, যেখানে গত সপ্তাহে এর দাম ছিল ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে বেশ কয়েকটি সবজির দাম কমলেও বেশিরভাগ সবজির কেজি এখনো ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসেনি। কিছু মাছের দাম প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে, আবার কিছু মাছের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় ১০ টাকা কমে ১৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকা, হাইব্রিড মুরগি ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে।

পুকুরে চাষ করা পাঙ্গাস মাছ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২৩০ টাকা দরে, তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। মানভেদে চিংড়ির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, রুই ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে। ভেটকি বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। পাঙ্গাস মাছ কিনতে আসা মিজানুর রহমান বলেন, আগে ১৮০ কেজি বিক্রি হতো। এখন ২০০ টাকার নিচে নেই। আর তেলাপিয়া তো কয়েক মাসের ব্যবধানে ৬০ টাকা বেড়েছে।

রায়ের বাজারের মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, আজকে মাছের দাম আগের মতোই আছে। কিছু মাছের দাম সব সময় বেশি থাকে। ২০ থেকে ৩০ টাকা ওঠানামা করে। সকালে মাছের এক দাম, আবার বিকেলে আরেক দাম থাকে।

সবজির বাজারেও সরবরাহ ঘাটতির কারণে কয়েক সপ্তাহ আগে অনেক সবজির দাম কেজিতে ১০০ টাকা ছাড়িয়েছিল। পরে সরবরাহ বাড়ায় কিছু সবজির দাম কমেছে। তবে এখন বাজারে পাওয়া ১৬ ধরনের সবজির মধ্যে ১২টির দাম কেজিতে ৮০ টাকা বা তার বেশি। এর মধ্যে পাঁচ ধরনের সবজির দাম ১০০ টাকা বা তার বেশি। দাম সবচেয়ে বেশি এমন সবজির মধ্যে লম্বা বেগুন ১২০ টাকা, গোল বেগুন ১৫০ টাকা ও টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ১০০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্ষা মৌসুমে সরবরাহ বৃদ্ধির কারণে সাধারণত এসব সবজির দাম তুলনামূলক কম থাকার কথা। কিন্তু শুক্রবার এসবের বেশির ভাগই ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। শসার দামও ছিল কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা। সারা বছর কমবেশি পাওয়া যায় এমন পেঁপে, লাউ, মিষ্টিকুমড়া ও চালকুমড়ার দামও তুলনামূলক বেশি। মাঝারি আকারের একেকটি লাউ ৭০ টাকা, চালকুমড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং মিষ্টিকুমড়া ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছিল। সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া পেঁপের দামও এখন ৪০ টাকা।

কাঁচা মরিচের বাজারে অবশ্য কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। দুই সপ্তাহ আগেও এর দাম কেজিতে ৪০০ টাকা বা তার বেশি উঠেছিল। গত সপ্তাহে ছিল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা। আজ কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হতে দেখা গেছে। কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী রবিন বলেন, ভারতীয় কাঁচা মরিচের চালান বাজারে আসার পর দাম অনেকটাই কমেছে।

পেঁয়াজের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই। খুচরা বাজারে মানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয়। পাঁচ কেজি একসঙ্গে কিনলে ২৮০ থেকে ২৯০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। চালের দাম অবশ্য স্থির রয়েছে। মোটা চাল ৫২ থেকে ৫৫ টাকা, বিআর-২৮ ৬০ টাকা, মিনিকেট ৭৮ টাকা ও কাটারিভোগ ও নাজির ৮৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

"আগে ১৮০ কেজি বিক্রি হতো। এখন ২০০ টাকার নিচে নেই। আর তেলাপিয়া তো কয়েক মাসের ব্যবধানে ৬০ টাকা বেড়েছে। তেলাপিয়া ২৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।"
"আজকে মাছের দাম আগের মতোই আছে। কিছু মাছের দাম সব সময় বেশি থাকে। ২০ থেকে ৩০ টাকা ওঠানামা করে। সকালে মাছের এক দাম, আবার বিকেলে আরেক দাম থাকে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজধানীর বাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিজানুর রহমান, আনোয়ার হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ টাকা, ৮০ টাকা, ১৪০ টাকা, ১৫০ টাকা, ১৫৫ টাকা, ২০ টাকা, ৩০ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖