📅 ৩ নভেম্বর ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১১.১১-এ দারাজের অনলাইন কেনাকাটা: বাংলাদেশে কেনা থেকে ঘরে পৌঁছানো ‘অ্যাড টু কার্ট’ অভিজ্ঞতা

১১.১১-এ দারাজের অনলাইন কেনাকাটা: বাংলাদেশে কেনা থেকে ঘরে পৌঁছানো ‘অ্যাড টু কার্ট’ অভিজ্ঞতা

📷 ছবি: যুগান্তর

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Jugantor ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দারাজের ১১.১১ ক্যাম্পেইন বাংলাদেশে আট বছর ধরে ক্রেতাদের কেনাকাটার অভ্যাস পরিবর্তন করে আসছে। ২০২৫ সালে ৬ কোটি টাকার সাশ্রয় এবং ৬৯০ কিলোমিটার দূরত্বে ডেলিভারি সহজ করে তোলা হয়েছে। এবারও নতুন কার্যক্রম নিয়ে আসছে নবম আয়োজন

দারাজের বার্ষিক অনলাইন বিক্রয় উৎসব ১১.১১ বাংলাদেশের ক্রেতাদের কেনাকাটার অভ্যাসকে সম্পূর্ণ পরিবর্তন করেছে। এই ক্যাম্পেইনটি ২০১৮ সাল থেকে প্রতি বছর নতুন অফার, ব্র্যান্ড অংশগ্রহণ এবং সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য সরবরাহ করে আসছে। ২০২৫ সালের ক্যাম্পেইনে ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার সাশ্রয় এবং ১০ গুণ প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করে দারাজের জনপ্রিয়তা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০১৮ সাল থেকে বাংলাদেশে দারাজের ১১.১১ ক্যাম্পেইন আট বছর ধরে চলছে, যা ক্রেতাদের কেনাকাটার অভ্যাস পরিবর্তন করেছে
  • 📌 ২০২৫ সালের ক্যাম্পেইনে ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার সাশ্রয় এবং ৬০ শতাংশ ছাড়ের ভাউচার ব্যবহার করা হয়েছে
  • 📌 ২০২৫ সালে ১১.১১ ক্যাম্পেইনে ২৫ শতাংশ বিক্রি প্রথমবারের মতো ক্রেতাদের কাছ থেকে হয়েছে
  • 📌 ৫০ শতাংশ বিক্রি ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে
  • 📌 দারাজমলের ব্র্যান্ডগুলো সাধারণ সেলারদের তুলনায় ১০ গুণ বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে
  • 📌 ২০২৫ সালের ক্যাম্পেইনে একটি অর্ডার রংপুর থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ৬৯০ কিলোমিটার দূরত্বে পৌঁছেছে
  • 📌 ২০২৬ সালে বাংলাদেশে দারাজ ১১.১১-এর নবম আয়োজন নতুন কার্যক্রম নিয়ে আসছে

📰 বিস্তারিত

দারাজের ১১.১১ ক্যাম্পেইন বাংলাদেশে অনলাইন কেনাকাটার একটি ঐতিহ্য হয়ে উঠেছে। এই ক্যাম্পেইনটি শুরু হয়েছিল চীনের ‘সিঙ্গেলস ডে’ ধারণা থেকে, যা ২০০৯ সালে আলিবাবা গ্রুপের মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম বড় অনলাইন শপিং উৎসবে পরিণত হয়। বাংলাদেশে ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো এই ক্যাম্পেইন শুরু হয় এবং প্রথম আয়োজনে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার অর্ডার এসেছিল, যার মোট মূল্য ছিল প্রায় ৪৫ কোটি টাকা।

২০২৫ সালের ক্যাম্পেইনে জনপ্রিয় পণ্যশ্রেণির মধ্যে ছিল হোম অ্যাপ্লায়েন্স, মোবাইল অ্যাকসেসরিজ, লন্ড্রি ও গৃহস্থালি সামগ্রী, বাথ অ্যান্ড বডি এবং ফ্যাশন। সবচেয়ে বেশি কেনা পণ্যগুলোর মধ্যে ছিল ওয়াশিং মেশিন, অ্যাডিডাস স্নিকার্স, নিভিয়া ক্রিম, অফিস চেয়ার, হায়ার গিজার, চিনিগুঁড়া চাল, স্টারশিপ মিল্ক পাউডার, সার্ফ এক্সেল লিকুইড ও ইলেকট্রিক কেটলি।

দারাজের ‘চয়েস’ শপিং চ্যানেল ক্রেতাদের নিয়মিত কেনাকাটায় সাশ্রয়ের সুযোগ তৈরি করে। এখানে তিনটি পণ্য কিনলে বিনা মূল্যে ডেলিভারি এবং পাঁচটি পণ্য কিনলে বিনা মূল্যে ডেলিভারির সঙ্গে উপহার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া দারাজমলের মাধ্যমে ক্রেতারা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের আসল পণ্য কেনার সুযোগ পান।

"২০২৫ সালের ক্যাম্পেইনে দারাজমলের ব্র্যান্ডগুলো সাধারণ সেলারদের তুলনায় ১০ গুণ বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ (রংপুর থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ৬৯০ কিলোমিটার)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ক্রেতারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ লাখ ২০ হাজার অর্ডার (২০১৮), ৪৫ কোটি টাকা (২০১৮), ৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা (২০২৫), ৬০ শতাংশ ছাড়, ২৫ শতাংশ প্রথমবারের মতো ক্রেতা, ৫০ শতাংশ এমএফএস মাধ্যমে পরিশোধ, ১০ গুণ প্রবৃদ্ধি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖