📌 কাস্টমস গোয়েন্দা অধিদপ্তরের অভিযানে কক্সবাজারে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, যন্ত্রাংশ হিসেবে আমদানি করে স্থানীয়ভাবে সংযোজন করে পূর্ণাঙ্গ গাড়িতে রূপান্তর করা হয়েছে। তদন্ত চলছে শুল্ক ফাঁকির সম্ভাবনা যাচাইয়ে
কক্সবাজারে যন্ত্রাংশ আমদানির আড়ালে স্থানীয়ভাবে পূর্ণাঙ্গ গাড়ি নির্মাণের অভিযোগে তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের (সিআইআইডি) চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়। জব্দ করা গাড়িগুলোর মধ্যে রয়েছে টয়োটা সুপ্রা, হোন্ডা সিভিক ও মাজদা এমএক্স-৫।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৯১ অনুযায়ী তিনটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।
- 📌 অভিযান চালানো হয় কক্সবাজারের কলাতলী রোডের ওশান প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এলাকায়।
- 📌 গাড়িগুলোর প্রচলিত নম্বর প্লেটের পরিবর্তে ‘ঝওঘঐ৪’, ‘ঝ৪ঋওঅঞ’ ও ‘ঊঝঐ৪ঐ’ লেখা ছিল।
- 📌 প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, যন্ত্রাংশ হিসেবে আমদানি করে স্থানীয়ভাবে সংযোজন করে পূর্ণাঙ্গ গাড়িতে রূপান্তর করা হয়েছে।
- 📌 তদন্তাধীন ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন হাসিবুর রহমান সিনহা, আজমাইন রাইহান, নকিবুল হাসান, শরাফাত রহমান ও সিফিয়াত মাহমুদ।
📰 বিস্তারিত
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে কক্সবাজারের কলাতলী রোডের ওশান প্যারাডাইস হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এলাকায় অভিযান চালায় সিআইআইডির চট্টগ্রাম আঞ্চলিক কার্যালয়ের একটি দল। অভিযানে যন্ত্রাংশ হিসেবে আমদানি করে স্থানীয়ভাবে সংযোজন বা জোড়া লাগিয়ে পূর্ণাঙ্গ গাড়িতে রূপান্তর করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা তিনটি গাড়ি শনাক্ত করা হয়। পরে কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ধারা ১৯১ অনুযায়ী গাড়িগুলো জব্দ করা হয়।
অভিযানে গাড়িগুলোর প্রচলিত নম্বর প্লেটের পরিবর্তে ‘ঝওঘঐ৪’, ‘ঝ৪ঋওঅঞ’ ও ‘ঊঝঐ৪ঐ’ লেখা থাকার বিষয়টিও কর্মকর্তাদের নজরে আসে। সিআইআইডি জানায়, গাড়িগুলোর আমদানি, ঘোষণার ধরন, মালিকানা, শুল্ক-কর পরিশোধ এবং দেশে এনে স্থানীয়ভাবে সংযোজনের বৈধতা যাচাই করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, পূর্ণাঙ্গ গাড়ি হিসেবে আমদানি না দেখিয়ে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ হিসেবে ঘোষণা দিয়ে দেশে এনে পরে স্থানীয়ভাবে জোড়া লাগিয়ে পূর্ণাঙ্গ গাড়িতে রূপান্তর করা হয়ে থাকতে পারে। এর মাধ্যমে পণ্যের প্রকৃত পরিচয় গোপন, ভুল ঘোষণা, অসত্য তথ্য প্রদান কিংবা প্রযোজ্য শুল্ক-কর ফাঁকির কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
"গাড়িগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসেবে পাঁচজনের নাম পাওয়া গেছে। তারা হলেন—কক্সবাজারের হাসিবুর রহমান সিনহা, গাজীপুরের আজমাইন রাইহান, ঢাকার নকিবুল হাসান, গাজীপুরের শরাফাত রহমান এবং ঢাকার সিফিয়াত মাহমুদ।"
তদন্তে গাড়িগুলো অন্য কোনো পণ্যের ঘোষণার আড়ালে অথবা অসত্য বা ভুল ঘোষণার মাধ্যমে আমদানি করা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেলে কাস্টমস আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে চোরাচালানের উপাদান পাওয়া গেলে আইনের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাসিবুর রহমান সিনহা, আজমাইন রাইহান, নকিবুল হাসান, শরাফাত রহমান, সিফিয়াত মাহমুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!