📌 খুলনার কয়রা থেকে গৃহবধূ আয়েশা খাতুনকে অপহরণের পর হত্যার অভিযোগে মামলা করেন তাঁর মা। দেড় মাস পর পিবিআই তাঁকে ঢাকা থেকে জীবিত উদ্ধার করে। আদালতে জবানবন্দিতে আয়েশা খাতুন স্বামী ইসলাম সরদারসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করেন
খুলনার কয়রা থেকে গৃহবধূ আয়েশা খাতুনকে (৩৬) অপহরণের পর হত্যা করে লাশ গুমের অভিযোগে মামলা করার মাত্র দেড় মাস পর তাঁকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। আজ শুক্রবার খুলনা আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়ার পর তাঁকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনার কয়রা থেকে গৃহবধূ আয়েশা খাতুনকে অপহরণের পর হত্যা করে লাশ গুমের অভিযোগে মামলা করেন তাঁর মা আমেনা খাতুন
- 📌 গত ১১ জুলাই কয়রা থানার নাকশা গ্রাম থেকে আয়েশাকে স্বামী ইসলাম সরদারসহ তিনজন অপহরণ করে
- 📌 মামলায় অভিযোগ করা হয়, টাকা না পেয়ে আসামিরা আয়েশাকে হত্যা করে লাশ গুম করেছে
- 📌 পিবিআির তদন্তে আয়েশার অবস্থান শনাক্ত করে দেড় মাস পর তাঁকে জীবিত উদ্ধার
- 📌 আদালতে জবানবন্দিতে আয়েশা খাতুন স্বামী ইসলাম সরদারসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করেন
📰 বিস্তারিত
খুলনার কয়রা থানার নাকশা গ্রামের বাসিন্দা আয়েশা খাতুনকে গত ১১ জুলাই তাঁর স্বামী ইসলাম সরদারসহ তিনজন অপহরণ করে বলে অভিযোগ করেন তাঁর মা আমেনা খাতুন। মামলায় তিনি জানান, পূর্বপরিকল্পিতভাবে আয়েশাকে কয়রা থানার মসজিদকুড় ব্রিজের ওপর থেকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না পেয়ে আসামিরা আয়েশাকে হত্যা করে লাশ গুম করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ অভিযোগে ৩ আগস্ট খুলনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে মামলা করেন আমেনা খাতুন। আদালত সিআর মামলাটি পিবিআিকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পিবিআির তদন্তে আয়েশার অবস্থান শনাক্ত করে গতকাল তাঁকে ঢাকা থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
আজ তাঁকে খুলনা আদালতে হাজির করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে আয়েশা খাতুন স্বামী ইসলাম সরদারসহ তিনজনকে অপহরণ ও হত্যার অভিযোগ করেন। পরে আদালত তাঁকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশ দেন।
"আমাকে অপহরণ করে হত্যা করতে চেয়েছিল স্বামী ইসলাম সরদারসহ অন্যরা। পিবিআির তদন্তেই আমার জীবন রক্ষা পেয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কয়রা, খুলনা ও ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আয়েশা খাতুন (৩৬), ইসলাম সরদার (স্বামী), আমেনা খাতুন (মা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ জুলাই, ৩ আগস্ট, ১৬৪ ধারা, ৩৬ বছর, ৫ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!