📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের মালিকানা পরিবর্তনের পথে। প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নিতে এক লাখের বেশি শেয়ার ক্রয় করেছেন। এস আলম গ্রুপের বেনামি শেয়ারের কাগজপত্র হারিয়ে যাওয়ায় উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হস্তক্ষেপ প্রত্যাশিত

ঢাকা: দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক সংকট ও উচ্চ খেলাপি ঋণের কারণে আলোচিত বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নিতে একাধিক শেয়ারহোল্ডারের কাছ থেকে এক লাখের বেশি শেয়ার ক্রয় করেছেন বলে সূত্রে জানা গেছে। এর মধ্যে ইতোমধ্যেই প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শেয়ার তার নামে হস্তান্তর সম্পন্ন হয়েছে। বাকি প্রায় এক লাখ শেয়ারের হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দুই লাখ শেয়ারের মালিকানা অর্জিত হলেই তিনি ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ লাভ করবেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নিতে এক লাখের বেশি শেয়ার ক্রয় করেছেন
  • 📌 ইতোমধ্যেই প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শেয়ার তার নামে হস্তান্তর সম্পন্ন হয়েছে
  • 📌 দুই লাখ শেয়ারের মালিকানা অর্জিত হলেই তিনি ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ লাভ করবেন
  • 📌 ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ এস আলম গ্রুপের প্রায় ৪১.৮৬ শতাংশ শেয়ারের কাগজপত্র খুঁজে পাচ্ছে না
  • 📌 ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ২০২৫ সালে প্রায় ৭০ শতাংশ থেকে কমে বর্তমানে প্রায় ৫৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে। প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নিতে একাধিক শেয়ারহোল্ডারের কাছ থেকে এক লাখের বেশি শেয়ার ক্রয় করেছেন। এর মধ্যে ইতোমধ্যেই প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শেয়ার তার নামে হস্তান্তর সম্পন্ন হয়েছে। বাকি প্রায় এক লাখ শেয়ারের হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। দুই লাখ শেয়ারের মালিকানা অর্জিত হলেই তিনি ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ লাভ করবেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ এস আলম গ্রুপের নামে থাকা প্রায় ৪১.৮৬ শতাংশ শেয়ারের কাগজপত্র খুঁজে পাচ্ছে না। বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংককে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ব্যাংকের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান বলেন, ‘এস আলম গ্রুপের বেনামি ৪০ শতাংশ শেয়ারের কাগজপত্র খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একাধিক বার চিঠি দিয়েও কোনো হদিস মিলেনি। বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে সব কিছু। বাংলাদেশ ব্যাংক যা নির্দেশনা দিবে সেই অনুযায়ী পরবর্তীতে কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবায়দুল হক বলেন, ‘এস আলমের বেনামি ১৮টি প্রতিষ্ঠানকে আমরা নোটিশ করেছি। একটি প্রতিষ্ঠানও আমাদের চিঠি নেয়নি। সবগুলো ফেরত আসছে। এখন আদালতের মাধ্যমে আমরা বিষয়টি দেখছি। আদালত যদি এই শেয়ারগুলো বাজেয়াপ্ত করে, তাহলে আমরা এগুলো বিক্রি করব অন্য জায়গায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রী ইশরাক শেয়ার কিনেছেন কি না, এ বিষয়ে আমার এই মুহূর্তে জানা নেই। মূল কথা হচ্ছে, আমরা তো মালিকদেরই এখনো খুঁজে পাচ্ছি না। মালিকদের খোঁজার চেষ্টা করছি।’

‘প্রচলিত বিধান অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বা একক গোষ্ঠী একটি ব্যাংকের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে পারেন। তবে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে শেয়ার থাকলেই সেগুলোর প্রকৃত মালিকানা একজনের—এমনটি ধরে নিয়ে সরাসরি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়।’ — বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, প্রচলিত বিধান অনুযায়ী কোনো ব্যক্তি বা একক গোষ্ঠী একটি ব্যাংকের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে পারেন। তবে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নামে শেয়ার থাকলেই সেগুলোর প্রকৃত মালিকানা একজনের—এমনটি ধরে নিয়ে সরাসরি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি একাধিক নামে শেয়ার ধারণ করে একটি ব্যাংকে ৫০ শতাংশ বা তার বেশি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন—এমন অভিযোগ থাকলেও, এর পেছনে একই ব্যক্তি বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীর মালিকানা রয়েছে, তা দাফতরিক ও আইনগতভাবে প্রমাণ করতে হবে।

ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ২০২৫ সালে প্রায় ৭০ শতাংশ থেকে কমে বর্তমানে প্রায় ৫৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। যদিও পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক, তবে বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে ধীরে ধীরে উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন। ব্যাংকের মালিকানা কাঠামো অনুযায়ী, প্রায় ৫১ শতাংশ শেয়ার সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারের মালিকানায় রয়েছে ৩৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ, সোনালী, জনতা ও অগ্রণী ব্যাংকের কাছে রয়েছে ১১ দশমিক ৩২ শতাংশ এবং সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকবহির্ভূত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে রয়েছে ৫ দশমিক ১৫ শতাংশ শেয়ার।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওবায়দুল হক, মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৩ হাজার, ১ লাখ, ২ লাখ, ৪১.৮৬ শতাংশ, ৭০ শতাংশ, ৫৬ শতাংশ, ১০ শতাংশ, ৫০ শতাংশ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖