📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ইরান যুদ্ধেও তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে চীনের প্রভাবশালী ভূমিকা

ইরান যুদ্ধেও তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে চীনের প্রভাবশালী ভূমিকা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ইরান যুদ্ধের পাঁচ মাসেও তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে ছিল চীনের প্রভাব। দেশটি আমদানি অর্ধেকে নামিয়ে ও মজুত থেকে তেল ছাড়ার মাধ্যমে বৈশ্বিক সরবরাহ স্থিতিশীল রাখে। ওপেকের প্রভাব কমে যাওয়ার পাশাপাশি চীনের বাজার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পাঁচ মাস পরেও আন্তর্জাতিক তেলবাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে ছিল চীনের প্রভাবশালী ভূমিকা। দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে হামলার ঝুঁকি থাকলেও চীন নিজস্ব কৌশলে সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে। ফলে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম তুলনামূলকভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়ে গেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইরান যুদ্ধের পাঁচ মাসেও ব্রেন্ট ক্রুডের দাম নিয়ন্ত্রণে ছিল চীনের প্রভাব
  • 📌 হরমুজ প্রণালিতে তেল সরবরাহ বন্ধের ঝুঁকি থাকলেও চীন আমদানি অর্ধেকে নামিয়ে আনে
  • 📌 চীন প্রতিদিন ৫৫ লাখ ব্যারেল তেল আমদানি করে, যা আগের অর্ধেক
  • 📌 ওপেকের প্রভাব কমে যাওয়ার পাশাপাশি চীনের বাজার নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু
  • 📌 সৌদি আরব ও আরব আমিরাত পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল রাখে

📰 বিস্তারিত

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি তৈরি হয়। এতে বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ তেল উপসাগরে আটকে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। পরিমাণগত দিক থেকে এটি ছিল প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেল। তবে চীন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। দেশটি প্রতিদিন অপরিশোধিত তেল আমদানি প্রায় অর্ধেকে নামিয়ে ৫৫ লাখ ব্যারেলে নিয়ে আসে। একই সঙ্গে মজুত থেকে তেল ছাড়ার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ চাহিদা নিয়ন্ত্রণ করে চীন বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে স্থিতিশালী রাখে।

এছাড়া সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত দ্রুত পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল ভিন্ন পথে সরবরাহের ব্যবস্থা করে। যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানসহ ধনী দেশগুলোও কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়ে। ফলে বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পায়। তবে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে চীন। যুদ্ধ শুরুর আগে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গত ৩০ এপ্রিল সর্বোচ্চ ১২৬ ডলারে উঠলেও পরবর্তী সময়ে তা নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

তেলের বাজারে চীনের প্রভাব নতুন নয়। দেশটি বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নিজের অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার করেছে। বার্লি আমদানিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হওয়া থেকে শুরু করে বিরল মৃত্তিকা পরিশোধনে শীর্ষ অবস্থান—বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেইজিংয়ের বাজার সক্ষমতা রয়েছে। তবে ইরান যুদ্ধের সময় দেখা গেছে, বড় ক্রেতা হিসেবে চীন নিজের বাজারক্ষমতা ব্যবহার করে তেল আমদানিকারক দেশগুলোকেও লাভবান করেছে।

"গুরুত্বপূর্ণ কোনো বাজার এভাবে কোনো দেশের একক নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ার বিষয়টি উদ্বেগের।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বৈশ্বিক তেলবাজার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চীন সরকার
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ লাখ ব্যারেল (চীনের দৈনিক তেল আমদানি), ১২৬ ডলার (ব্রেন্ট ক্রুডের সর্বোচ্চ দাম)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖