📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামের ইউরিয়া কারখানা ছয় মাসের বন্ধের পর আবার উৎপাদন শুরু, গ্যাস সংকটের কারণে ছিল বাধা

চট্টগ্রামের ইউরিয়া কারখানা ছয় মাসের বন্ধের পর আবার উৎপাদন শুরু, গ্যাস সংকটের কারণে ছিল বাধা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দীর্ঘ ছয় মাসের বন্ধের পর চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) গত মঙ্গলবার উৎপাদন শুরু করেছে। গ্যাস সরবরাহের স্বাভাবিকতা ও কারিগরি সমস্যা দূর করার পর কারখানাটি আবার সার উৎপাদনে ফিরেছে।

দীর্ঘ ছয় মাসের বন্ধের পর চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড (সিইউএফএল) গত মঙ্গলবার সকালে আবার উৎপাদন শুরু করেছে। গ্যাস সরবরাহের স্বাভাবিকতা ফিরে আসার পরেও কারিগরি ত্রুটির কারণে উৎপাদন শুরুতে সময় লেগেছিল। তবে আজ কারখানাটি সার উৎপাদনে ফিরে আসার ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিকদের মধ্যে স্বস্তি ফেলেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত ৪ মার্চ থেকে বন্ধ থাকা চট্টগ্রাম ইউরিয়া কারখানা ১৫ সেপ্টেম্বর আবার উৎপাদন শুরু করেছে
  • 📌 গ্যাস সরবরাহের স্বাভাবিকতা ফিরে আসার পরেও কারিগরি ত্রুটির কারণে উৎপাদন শুরুতে সময় লেগেছিল
  • 📌 উৎপাদন বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক উত্তম চৌধুরী বলেছেন, আগামীকালের মধ্যে কারখানাটি পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত অবস্থায় আসবে
  • 📌 সিইউএফএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিজানুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘ ছয় মাসের বন্ধের কারণে হওয়া ক্ষতির পূরণ সম্ভব হবে নিয়মিত উৎপাদনের মাধ্যমে
  • 📌 কারখানাটির দৈনিক উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার
  • 📌 গ্যাসের চাপ কমে গেলে বা সরবরাহ বন্ধ হলে উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যায়

📰 বিস্তারিত

সিইউএফএলের সূত্র জানায়, গত মাসের শেষ দিকে গ্যাস সরবরাহ পাওয়ার পর ধাপে ধাপে অ্যামোনিয়া প্ল্যান্ট চালু করা হয়েছিল। পরে ইউরিয়া প্ল্যান্টের যন্ত্রপাতি সচল করার পর উৎপাদন শুরু হয়। তবে চালুর প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু যান্ত্রিক জটিলতা দেখা দেয়। কারখানার প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা কাজ করে ত্রুটিগুলো দূর করেছেন।

কারখানাটি কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়া এলাকায় অবস্থিত। সিইউএফএল দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সার কারখানা। গত আড়াই বছরে গ্যাসসংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কারখানাটি অন্তত ছয় দফা বন্ধ হয়েছে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে সিইউএফএল মাত্র পাঁচ দিন উৎপাদনে ছিল। পরে ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি কারখানাটি বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকার পর একই বছরের অক্টোবরে আবার উৎপাদন শুরু হয়। ২০২৫ সালের বিভিন্ন সময়েও গ্যাসসংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে কারখানাটি একাধিকবার বন্ধ ও চালুর মধ্য দিয়ে যায়। প্রতিবার উৎপাদন শুরু হওয়ার পর কিছুদিন চলার মধ্যেই নতুন সংকট দেখা দেয়।

কারখানার তথ্য অনুযায়ী, সিইউএফএল পূর্ণমাত্রায় চালাতে দৈনিক প্রায় ৪৮ থেকে ৫২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রয়োজন। পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ না থাকলে কারখানার উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয় না। গ্যাসের চাপ কমে গেলে বা সরবরাহ বন্ধ হলে উৎপাদনও বন্ধ হয়ে যায়।

"সকালে আমাদের উৎপাদন প্রাথমিকভাবে শুরু হয়েছে। গত মাসের শেষের দিকে আমরা গ্যাস পেলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে তাৎক্ষণিকভাবে উৎপাদনে ফিরতে পারিনি। এরপর একে একে সব যন্ত্রপাতি সচল করার চেষ্টা করা হয়েছে। আশা করি, আগামীকালের মধ্যে কারখানাটি পুরোপুরি ত্রুটিমুক্ত ও স্বাভাবিক অবস্থায় আসবে।"
"দীর্ঘ প্রায় ছয় মাস পর তাঁরা উৎপাদনে ফিরেছেন। এই সময় উৎপাদন বন্ধ থাকায় যে ক্ষতি হয়েছে, নিয়মিত উৎপাদনের মাধ্যমে তা অল্প সময়ের মধ্যে পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে বলে তাঁরা আশাবাদী।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়া, কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: উত্তম চৌধুরী (উপমহাব্যবস্থাপক), মিজানুর রহমান (ব্যবস্থাপনা পরিচালক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬ মাস (বন্ধ), ৪৮-৫২ মিলিয়ন ঘনফুট (দৈনিক গ্যাস প্রয়োজন), ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন (উৎপাদন ক্ষমতা)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖