📌 মন্ত্রিসভা অনুমোদনের ১৫ দিন পরেও নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। অর্থ মন্ত্রণালয় ও আইন বিভাগের যাচাই-বাছাই চলছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া যথাযথভাবে চলছে
গভর্নমেন্ট কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে। মন্ত্রিসভা অনুমোদনের ১৫ দিন পরেও নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। সরকারি কর্মচারীরা অপেক্ষায় থাকলেও সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আইনি ও প্রশাসনিক যাচাই-বাছাই চলছে। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি হবে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং শেষে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৫ দিনের বিলম্ব: মন্ত্রিসভা অনুমোদনের পরেও নতুন পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।
- 📌 ৫টি আলাদা নির্দেশনা: সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন শ্রেণি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য পাঁচটি বিশেষ আদেশ (এসআরও) প্রস্তুতির কাজ চলছে।
- 📌 ২০টি গ্রেড বহাল: নতুন পে স্কেলে সর্বনিম্ন বেতন ২০ হাজার টাকা ও সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা করা হয়েছে।
- 📌 ১ জুলাই কার্যকর: নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।
- 📌 ‘ওয়ান র্যাংক, ওয়ান পেনশন’: বিএনপি সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপ যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে। তিনি বলেছেন, বাস্তবায়নের প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নেই। তবে, সরকারি কর্মচারীদের বিভিন্ন শ্রেণি ও প্রতিষ্ঠানের জন্য পাঁচটি আলাদা নির্দেশনা প্রস্তুতির কাজ চলছে। এতে প্রতিরক্ষা বাহিনী, পুলিশ, সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের বেতন-ভাতা এবং সুযোগ-সুবিধার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
সাবেক সচিব আব্দুল আউয়াল মজুমদার বলেছেন, প্রজ্ঞাপনের খসড়ায় আইনি শব্দ ও পরিভাষা খতিয়ে দেখা জরুরি। তিনি আরও বলেন, যে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারবে না, তাদের উচিত নয় পরবর্তী সরকারের জন্য সেই সিদ্ধান্ত রেখে যাওয়া। তবে পে কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন করতেই হবে।
২০১৫ সালের পর প্রথমবারের মতো নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। গত ৩১ আগস্ট অনুমোদনের পর দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে, এমন আশা ছিল। কিন্তু বর্তমানে অর্থ বিভাগ খসড়া প্রজ্ঞাপন তৈরির কাজ পুরোদমে এগিয়ে নিচ্ছে।
"পে স্কেল নিয়ে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে। প্রথমে সচিব কমিটি সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে সুপারিশ করেছে। পরে মন্ত্রিসভা তা অনুমোদন দিয়েছে। এখন দ্রুত সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হবে।"
— ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ (সরকারি কর্মকর্তা ও মন্ত্রণালয়)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, আব্দুল আউয়াল মজুমদার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ দিন (বিলম্ব), ৩১ আগস্ট (মন্ত্রিসভা অনুমোদন), ২০টি গ্রেড, ২০ হাজার টাকা (সর্বনিম্ন বেতন), ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা (সর্বোচ্চ বেতন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!