📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৭:৪২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে শাহ আমানত বিমানবন্দরের পূর্ণ ব্যবহার দাবি চেম্বারের

চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে শাহ আমানত বিমানবন্দরের পূর্ণ ব্যবহার দাবি চেম্বারের

📷 ছবি: শেয়ার বিজ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Share Biz ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহারের জন্য পাঁচ দফা প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছে। প্রস্তাবগুলোর মধ্যে রয়েছে ৪০ শতাংশ প্রণোদনামূলক ট্যারিফ, বিমানবন্দরকে ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা এবং কার্গো ভিলেজ স্থাপন

চট্টগ্রাম অঞ্চলকে দেশের প্রধান বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহারের জন্য পাঁচ দফা প্রস্তাব দিয়েছে চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিসিসিআই)। সংগঠনটির সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 চট্টগ্রামকে আঞ্চলিক বিনিয়োগ ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তুলতে বিমানবন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহারের দাবি
  • 📌 বিমানবন্দরকে ২৪ ঘণ্টা ও সপ্তাহে সাত দিন চালু রাখার প্রস্তাব
  • 📌 আন্তর্জাতিক রুটের জন্য ৪০ শতাংশ প্রণোদনামূলক ট্যারিফ নির্ধারণের দাবি
  • 📌 বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় কার্গো ভিলেজ ও আইসিডি স্থাপনের প্রস্তাব
  • 📌 দীর্ঘপথের ফ্লাইটের জন্য ট্রানজিট ও জ্বালানি সরবরাহের সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি

📰 বিস্তারিত

চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি মনে করে, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর, বৃহৎ পাইকারি বাজার এবং একাধিক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল থাকা সত্ত্বেও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ জানান, চট্টগ্রাম অঞ্চলে অধিকাংশ শিল্প-কারখানা অবস্থিত হওয়ায় এটি দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র। তবে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা থাকা সত্ত্বেও বিমানবন্দরের সক্ষমতা পুরোপুরি ব্যবহৃত হচ্ছে না।

চেম্বারের প্রস্তাব অনুযায়ী, বিমানবন্দরকে ২৪ ঘণ্টা ও সপ্তাহে সাত দিন পরিচালনা করা, আন্তর্জাতিক রুটের জন্য ৪০ শতাংশ অগ্রাধিকারমূলক ট্যারিফ নির্ধারণ করা এবং দীর্ঘপথের ফ্লাইটের বিরতির সময় যাত্রী ওঠানামার সুবিধা প্রদান করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে কার্গো ভিলেজ ও আইসিডি বা সিএফএস স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মোংলা বন্দরের তুলনায় চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য হ্রাসকৃত ট্যারিফ নির্ধারণ করা হলেও বিমানবন্দরের ট্রাফিক বৃদ্ধি ও পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহারের জন্য প্রণোদনামূলক ট্যারিফ নির্ধারণ করা প্রয়োজন। চেম্বার আশা প্রকাশ করে যে, এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী এবং আঞ্চলিক বিনিয়োগ ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

"চট্টগ্রাম অঞ্চলের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগাতে বিমানবন্দরের পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহারের বিকল্প নেই। সরকারের সহযোগিতা ও প্রণোদনার মাধ্যমে এ অঞ্চলকে দেশের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চট্টগ্রাম অঞ্চল, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আমিরুল হক (সভাপতি, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি), আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী (অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০ শতাংশ প্রণোদনামূলক ট্যারিফ, ২৪ ঘণ্টা বিমানবন্দর পরিচালনা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖