📌 বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও বোয়িং ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তিতে পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ও ছয়টি ৭৩৭-৮ বিমান অন্তর্ভুক্ত। জাতিসংঘের অধিবেশনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিনসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের মধ্যে ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার একটি সম্পূরক চুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তিতে পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ও ছয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮ বিমান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও বোয়িং ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে — পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ও ছয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮
- 📌 চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা
- 📌 বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেছেন, এই চুক্তি দেশের আন্তর্জাতিক বিমান যোগাযোগের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ
- 📌 চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক ও উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউসহ বোয়িং ও যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন
📰 বিস্তারিত
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিউইয়র্কে জাতিসংঘের অধিবেশনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক।
বোয়িং গ্লোবালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসন, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফানি পোপ, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস পল কাপুর, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের ইউরেশিয়া, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বাণিজ্যিক বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে রুমী এ হোসেন বলেন, ‘আজকের এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের চলমান বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমাদের বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার আলোকে এই ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে বসবাসকারী জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগের চাহিদা পূরণে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
"আমাদের বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার আলোকে এই ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আমাদের যে কার্যকর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে, তা উড়োজাহাজ সরবরাহ ও পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আমাদের আস্থা জুগিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র (জাতিসংঘ অধিবেশনের সাইডলাইন)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রুমী এ হোসেন (বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান), ব্র্যাড ম্যাকমুলেন (বোয়িং)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১টি বিমান (পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ও ছয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!