📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

চীনা বাণিজ্য ও বিনিয়োগে গতি দিতে ঢাকায় খোলা ১৪টি ব্যাংকের চায়না ডেস্ক

চীনা বাণিজ্য ও বিনিয়োগে গতি দিতে ঢাকায় খোলা ১৪টি ব্যাংকের চায়না ডেস্ক

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের চীনা বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে সহজতর করতে ১৪টি ব্যাংক পৃথক চায়না ডেস্ক চালু করেছে। চীনা মুদ্রায় লেনদেন, প্রকল্প অর্থায়ন ও মাশুল জমা সহ সেবা দিয়ে চীনা বিনিয়োগে গতি আনছে ব্যাংকগুলো। চলতি বছরের প্রথমার্ধে দুই দেশের বাণিজ্য ১২.৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশের চীনা বাণিজ্য ও বিনিয়োগকে আরও সহজতর করার লক্ষ্যে দেশের ১৪টি ব্যাংক পৃথক ‘চায়না ডেস্ক’ চালু করেছে। এ সেবা দিয়ে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রকল্প অর্থায়ন, মাশুল জমা, গ্যারান্টি সুবিধা এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সহ বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া চীনে প্রতিনিধি অফিসও খোলা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 **১৪টি ব্যাংক** পৃথক চায়না ডেস্ক চালু করেছে, এর মধ্যে সর্বশেষ **ওয়ান ব্যাংক ও এনসিসি ব্যাংক**।
  • 📌 **চায়না ডেস্কে** চীনা নাগরিকদের **প্রাধান্য** দিয়ে নিয়োগ করা হয় এবং লেনদেন হয় **চীনা মুদ্রায়**।
  • 📌 **চলতি ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে** বাংলাদেশ-চীন বাণিজ্যের পরিমাণ **১২.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার** (১০.৬% বৃদ্ধি)।
  • 📌 **চীনের পুঞ্জীভূত বিনিয়োগ** বাংলাদেশে **৩.৬ বিলিয়ন ডলার** (২০২৫ সালে ৫০% বৃদ্ধি)।
  • 📌 **চায়না ডেস্ক** দিয়ে **বাণিজ্য অর্থায়ন, প্রকল্প অর্থায়ন, নগদ ব্যবস্থাপনা** সহ সেবা দেওয়া হচ্ছে।

📰 বিস্তারিত

চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার। দেশের অবকাঠামো প্রকল্প, সৌর ও তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র, প্রযুক্তি খাত এবং তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি আমদানি করা হয় চীন থেকে। এছাড়া বৈদ্যুতিক ও ভোগ্যপণ্যের বেশিরভাগ আমদানি চীন থেকে হয়। এ জন্য দেশের ব্যাংকগুলো চীনের ব্যাংক অব চায়না, আইসিবিসি, সিসিবি ও এবিসির মতো ব্যাংকগুলোর সঙ্গে সরাসরি লেনদেন ও নস্ট্রো হিসাব পরিচালনা করছে।

ব্যাংকগুলো চায়না ডেস্ক চালু করার মাধ্যমে চীনা বিনিয়োগকারীদের, বাংলাদেশি আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে আর্থিক সংযোগ বাড়াচ্ছে। এতে বাণিজ্য অর্থায়ন, নগদ ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন এবং প্রকল্প অর্থায়ন সহ বিভিন্ন সেবা দেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ **ওয়ান ব্যাংক ও এনসিসি ব্যাংক** চায়না ডেস্ক চালু করেছে। এর আগে **১২টি ব্যাংক** এ সেবা চালু করেছিল, যার মধ্যে রয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ, এইচএসবিসি বাংলাদেশ, ব্যাংক অব সিলন, হাবিব ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, এমটিবি, ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল), ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি), প্রাইম ব্যাংক, দ্য সিটি ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও মিডল্যান্ড ব্যাংক।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) **সৈয়দ মাহবুবুর রহমান** বলেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আগে শুধু আমদানি হতো, কিন্তু এখন চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ জন্য তাদের ব্যাংকিং সেবার চাহিদা বেড়েছে।

"চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রতিনিয়ত বাড়ছে। আগে শুধু আমদানি হতো। এখন দেশটির প্রতিষ্ঠানগুলো বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ জন্য তাদের ব্যাংকিং সেবার চাহিদা বেড়েছে।"

চায়না ডেস্ক চালু করার ফলে চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রকল্প অর্থায়ন, মাশুল জমা, গ্যারান্টি সুবিধা এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সহ বিভিন্ন সেবা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া চীনা নাগরিকদের নিয়োগের ক্ষেত্রে **মান্দারিন ভাষা জানা ব্যক্তিদের** প্রাধান্য দেওয়া হয়।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম (চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল), চীন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সৈয়দ মাহবুবুর রহমান (এমটিবি এমডি)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪টি ব্যাংক, ১২.৮ বিলিয়ন ডলার, ৩.৬ বিলিয়ন ডলার, ৫০%

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖