📌 ১ নভেম্বর থেকে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের কথা থাকলেও সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে বেতন নির্ধারণে অসংগতি ও কারিগরি জটিলতার কারণে বেতন বর্ধিত হচ্ছে না। ১৪ লাখ কর্মচারী, ৮ লাখ পেনশনভোগী ও ৬ লাখ এমপিও শিক্ষকের বেতন বিতরণে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে
১ নভেম্বর থেকে নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের কথা থাকলেও সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে বেতন বিতরণে বড় ধরনের জটিলতা দেখা দিয়েছে। নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী বেতন বর্ধিত হওয়ার কথা থাকলেও কারিগরি অসংগতি ও আইবাস++ পদ্ধতির জটিলতার কারণে অনেক কর্মচারী এখনও পুরাতন বেতন পাচ্ছেন। অর্থ বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, বেতন বিতরণের কাজ সম্পূর্ণ না হওয়ায় বেতন বর্ধিত হচ্ছে না।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ নভেম্বর থেকে নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের কথা থাকলেও ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী, ৮ লাখ পেনশনভোগী ও ৬ লাখ এমপিও শিক্ষকের বেতন বিতরণে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।
- 📌 নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী ১১তম গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭ হাজার টাকা, কিন্তু ১২তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণে ৭০০ টাকা বেশি হয়ে গেছে (৩৭ হাজার ৭০০ টাকা)।
- 📌 বাড়িভাড়া ভাতা কমে যাওয়ার কারণে পদোন্নতির পরও কর্মচারীদের মোট আয় কমতে পারে ৬০০ টাকা।
- 📌 উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সময়সীমা নিয়ে অসংগতি সৃষ্টি হয়েছে; একই গ্রেডের জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের বেতন সমান বা কনিষ্ঠ কর্মকর্তার বেতন বেশি হতে পারে।
- 📌 আইবাস++ পদ্ধতির কারিগরি জটিলতা ও অভিজ্ঞতার ঘাটতির কারণে বেতন নির্ধারণে বিলম্ব ঘটছে।
📰 বিস্তারিত
অর্থ বিভাগের সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের কাজে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় ১৪ লাখ সরকারি কর্মচারী, ৮ লাখ পেনশনভোগী এবং ৬ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষকের মধ্যে বেতন নির্ধারণের কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। গ্রেডের ক্রম, উচ্চতর গ্রেড, বাড়িভাড়া ভাতা ও পদোন্নতির আর্থিক সুবিধা নিয়ে অসংগতি দেখা দিয়েছে। এছাড়াও, সরকারের সমন্বিত আর্থিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি আইবাস++-এর জটিলতা বেতন বিতরণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বেতন নির্ধারণে অসংগতি সৃষ্টি হয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ১১তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর আগের বেতন ছিল ২৩ হাজার ৬৬০ টাকা, কিন্তু নতুন কাঠামোয় তার বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ১২তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা। ফলে, উচ্চতর ১১তম গ্রেডের কর্মচারীদের তুলনায় ১২তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বেশি হয়ে গেছে।
পদোন্নতির পরও কর্মচারীদের মোট আয় কমতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, দশম গ্রেডের একজন কর্মকর্তার মূল বেতন ৪৯ হাজার ৭০০ টাকা থেকে নবম গ্রেডে পদোন্নতির পর ৫১ হাজার টাকা হলে মূল বেতন বাড়বে ১ হাজার ৩০০ টাকা। তবে বাড়িভাড়া ভাতা কমে যাওয়ার কারণে মোট আয় ৬০০ টাকা কমতে পারে।
উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সময়সীমা নিয়ে অসংগতি সৃষ্টি হয়েছে। কর্মচারীদের অভিযোগ, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যাদের চাকরির বয়স আট বছর এবং যাদের ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে, উভয় পক্ষই ১ জুলাই থেকে প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার যোগ্য হতে পারেন। এতে একই গ্রেডের জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ কর্মকর্তাদের বেতন সমান বা কনিষ্ঠ কর্মকর্তার বেতন বেশি হতে পারে।
"বেতন নির্ধারণে উল্টে যাচ্ছে গ্রেডের ক্রম। ১১তম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন কমে গেছে ১২তম গ্রেডের তুলনায়। এছাড়াও, বাড়িভাড়া ভাতা কমে যাওয়ার কারণে কর্মচারীদের মোট আয় কমতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, সরকারি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, কর্মচারীরা, কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ লাখ কর্মচারী, ৮ লাখ পেনশনভোগী, ৬ লাখ এমপিও শিক্ষক, ৩৭ হাজার টাকা (১১তম গ্রেড), ৩৭ হাজার ৭০০ টাকা (১২তম গ্রেড)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!