📌 দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির জন্য আবেদন করেছে। বাংলাদেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠান ভারতে ইলিশ রপ্তানির দীর্ঘমেয়াদি অনুমতি চেয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মৎস্য মন্ত্রণালয়ের মতামতের অপেক্ষায় রয়েছে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের ইলিশ রপ্তানির দীর্ঘমেয়াদি অনুমতি চেয়েছে। বাংলাদেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠান ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছে। অন্যদিকে, ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির অনুমতি চেয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে কি রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বাংলাদেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠান দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি চেয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে খুলনার বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ, চট্টগ্রামের জেএস এন্টারপ্রাইজ ও আনরাজ ফিশ প্রোডাক্টস, ঢাকার ভিজিল্যান্ট এক্সপ্রেস, সাতক্ষীরার এম এ এন্টারপ্রাইজ, ভোলার রাফিদ এন্টারপ্রাইজ, বরিশালের মহিমা এন্টারপ্রাইজ ও তানিশা এন্টারপ্রাইজ।
- 📌 ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আলাদা চিঠি পাঠিয়েছে।
- 📌 গত বছর বাংলাদেশ সরকার ভারতে ১ হাজার ২০০ টন ইলিশ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছিল, কিন্তু শেষ পর্যন্ত মাত্র ১৫০ টন রপ্তানি হয়েছিল।
- 📌 বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান বলেছেন, মৎস্য মন্ত্রণালয়ের মতামত পেলে শিগগিরই রপ্তানির অনুমতি বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
- 📌 রপ্তানিকারকদের দাবি, মাত্র ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ইলিশ সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তারা দীর্ঘমেয়াদি (অন্যতম দুই মাস) রপ্তানির অনুমতি চেয়েছে।
- 📌 ১৯৯৬ সাল থেকে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ৫ হাজার টন ইলিশ রপ্তানি হত, কিন্তু বর্তমানে অনুমোদিত পরিমাণের তুলনায় রপ্তানি কম হয়ে আসছে।
📰 বিস্তারিত
দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের ইলিশ রপ্তানির দীর্ঘমেয়াদি অনুমতি চেয়েছে। বাংলাদেশের ১৮টি প্রতিষ্ঠান ভারতে ইলিশ রপ্তানির অনুমতি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছে। এদের মধ্যে রয়েছে খুলনার বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ, চট্টগ্রামের জেএস এন্টারপ্রাইজ ও আনরাজ ফিশ প্রোডাক্টস, ঢাকার ভিজিল্যান্ট এক্সপ্রেস, সাতক্ষীরার এম এ এন্টারপ্রাইজ, ভোলার রাফিদ এন্টারপ্রাইজ, বরিশালের মহিমা এন্টারপ্রাইজ ও তানিশা এন্টারপ্রাইজ।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে কি রপ্তানির অনুমতি দেওয়া হবে। বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান বলেছেন, ‘মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে মতামত পেলে শিগগিরই অনুমতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। আশা করছি, রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার পক্ষে ইতিবাচক মতামতই আসবে।’
রপ্তানিকারকদের দাবি, মাত্র ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যে ঋণপত্র খোলা, ইলিশ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও প্যাকেজিং শেষ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। তারা দীর্ঘমেয়াদি (অন্যতম দুই মাস) রপ্তানির অনুমতি চেয়েছে।
ভারতের ফিশ ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ থেকে ইলিশ আমদানির জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে আলাদা চিঠি পাঠিয়েছে। সংগঠনটি বলেছে, ১৯৯৬ সাল থেকে বাংলাদেশ প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৫ হাজার টন ইলিশ ভারতে রপ্তানি করত। তবে বর্তমানে অনুমোদিত পরিমাণের তুলনায় রপ্তানি কম হয়ে আসছে।
"মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে মতামত পেলে শিগগির অনুমতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে। আশা করছি, রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার পক্ষে ইতিবাচক মতামতই আসবে।"
— বাণিজ্যসচিব মো. আতাউর রহমান খান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রাম, বরিশাল, সাতক্ষীরা, ভোলা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আতাউর রহমান খান (বাণিজ্যসচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮টি প্রতিষ্ঠান, ১ হাজার ২০০ টন (গত বছরের অনুমতি), ১৫০ টন (গত বছরের রপ্তানি), ৫ হাজার টন (প্রতি বছর গড় রপ্তানি)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!