📌 বঙ্গোপসাগরে গ্যাস অনুসন্ধানে অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার কারণে বর্তমান সরকার বহুজাতিক কোম্পানির সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করে তথ্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। লন্ডন ও সিঙ্গাপুরে ১০টি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে নতুন দরপত্রের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে এবং গবেষণা তথ্য বিনামূল্যে উন্মুক্ত করা হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার কারণে বর্তমান সরকার নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বহুজাতিক কোম্পানির সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করে তথ্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ২৯, ৩০ সেপ্টেম্বর এবং ১ অক্টোবর লন্ডনে মোট ১০টি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বঙ্গোপসাগরে গ্যাস অনুসন্ধানে অংশগ্রহণ কমে যাওয়ায় সরকার নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে
- 📌 লন্ডনে ১০টি কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা; সিঙ্গাপুরে ছয়টি কোম্পানির সঙ্গে বৈঠক
- 📌 দরপত্র জমার সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে ৩১ মার্চ পর্যন্ত
- 📌 গবেষণা তথ্য বিনামূল্যে উন্মুক্ত করা হয়েছে; আগে প্রতিটি তথ্যের দাম ছিল ৫ লাখ ৬৮ হাজার ডলার
- 📌 গভীর সমুদ্রে ১৫টি ও অগভীর সমুদ্রে ১১টি ব্লক রয়েছে
- 📌 ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত তিনটি কোম্পানি দরপত্র নথি কিনেছে
📰 বিস্তারিত
বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের দরপত্রে অংশগ্রহণ কমে যাওয়ায় বর্তমান সরকার নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ২৯, ৩০ সেপ্টেম্বর এবং ১ অক্টোবর লন্ডনে মোট ১০টি বহুজাতিক কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সিঙ্গাপুরেও ছয়টি কোম্পানির সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। আলোচনার বিষয় ছিল চলমান দরপত্র ও উৎপাদন অংশীদারত্ব চুক্তি (পিএসসি)।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল লন্ডনের বৈঠকগুলোয় অংশ নিয়েছে। বহুজাতিক কোম্পানির মতামত গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নিয়েছে সরকার। তাই সমুদ্রে গ্যাসের সম্ভাবনা নিয়ে যত রকমের তথ্য আছে, তা বহুজাতিক কোম্পানির জন্য উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে বিনিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বহুজাতিক কোম্পানি।
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের পরিস্থিতিতে বিনিয়োগের ব্যাপারে সতর্কতা বাড়ার কারণে দরপত্রের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। আগে ১ জুন থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা ছিল, এখন তা বাড়িয়ে ৩১ মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছে। পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সমুদ্রে বিভিন্ন কোম্পানি অনুসন্ধান কাজের অংশ হিসেবে জরিপ করে তথ্য দিয়েছে। এখন চারটি বিনা পয়সায় উন্মুক্ত করা হয়েছে। বাকি ছয়টির দাম কমিয়ে প্রতিটি ৫ হাজার ডলারে নেওয়া হয়েছে।
গত ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত তিনটি কোম্পানি দরপত্র নথি কিনেছে। এদের মধ্যে রয়েছে তুরস্কের টার্কিশ পেট্রোলিয়াম ওভারসিজ কোম্পানি, চীনের সিনুক ইন্টারন্যাশনাল এবং সিনোপ্যাক। এসব কোম্পানি আগে বঙ্গোপসাগরের তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে অংশ নেয়নি। লন্ডনে আলোচনা করা কোম্পানিগুলির মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মার্ফি ওয়েল, ব্রাজিলের পেট্রোব্রাস, কুয়েতের কেইউএফপিইসি, অস্ট্রেলিয়ার জিও এক্সপ্লোরেশন, সিঙ্গাপুরের ইউনিয়ন এনার্জি গ্রুপ, কানাডার ভেলিউরা, ইতালির ইএনআই, মার্কিন কোম্পানি এক্সনমবিল, যুক্তরাজ্যের বিপির এবং শেল।
"বহুজাতিক কোম্পানির মতামত গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনায় নিয়েছে সরকার। তাই সমুদ্রে গ্যাসের সম্ভাবনা নিয়ে যত রকমের তথ্য আছে, তা উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লন্ডন, সিঙ্গাপুর, বঙ্গোপসাগর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী, পেট্রোবাংলা কর্মকর্তা, বহুজাতিক কোম্পানির কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০টি কোম্পানি (লন্ডন), ৬টি কোম্পানি (সিঙ্গাপুর), ১৫টি ব্লক (গভীর সমুদ্র), ১১টি ব্লক (অগভীর সমুদ্র), ৩টি কোম্পানি (দরপত্র নথি কিনেছে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!