📅 ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রে ২৪ জন সাহিত্যিকের রচনা পাঠ্যসূচিতে

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে এইচএসসি বাংলা ১ম পত্রে ২৪ জন সাহিত্যিকের রচনা পাঠ্যসূচিতে

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ১ম পত্রের পাঠ্যসূচিতে ২৪ জন কবি-সাহিত্যিকের ১২টি গদ্য, পদ্য, একটি উপন্যাস ও একটি নাটক অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এনসিটিবি বিজ্ঞপ্তিতে নতুন পাঠ্যসূচির বিবরণ দেওয়া হয়েছে

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক ও সমমান শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা ১ম পত্রের পাঠ্যসূচিতে ২৪ জন কবি ও সাহিত্যিকের রচনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) নতুন পাঠ্যসূচির বিবরণ প্রকাশ করেছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ১ম পত্রে ২৪ জন কবি-সাহিত্যিকের রচনা অন্তর্ভুক্ত
  • 📌 পাঠ্যসূচিতে ১২টি গদ্য ও ১২টি পদ্য, একটি উপন্যাস ও একটি নাটক অন্তর্ভুক্ত
  • 📌 গদ্য অংশে বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ, প্রমথ চৌধুরী, শরৎচন্দ্র, রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনসহ ১০ জন সাহিত্যিকের রচনা
  • 📌 পদ্য অংশে মাইকেল মধুসূদন দত্ত, কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাশসহ ১০ জন কবির কবিতা অন্তর্ভুক্ত
  • 📌 উপন্যাস হিসেবে ‘লালসালু’ (সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ) ও নাটক হিসেবে ‘সিরাজ-উদ-দৌলা’ (সিকান্দার আবু জাফর) পড়ানো হবে

📰 বিস্তারিত

এনসিটিবি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নতুন পাঠ্যসূচিতে ২৪ জন সাহিত্যিকের রচনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গদ্য অংশে শিক্ষার্থীরা পড়বেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বাঙ্গালার নব্য লেখকদিগের প্রতি নিবেদন’, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘অপরিচিতা’, প্রমথ চৌধুরীর ‘সাহিত্যে খেলা’, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বিলাসী’, রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘অর্ধাঙ্গী’, কাজী নজরুল ইসলামের ‘যৌবনের গান’ এবং মোতাহের হোসেন চৌধুরীর ‘জীবন ও বৃক্ষ’।

তালিকায় আরও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে সৈয়দ মুজতবা আলীর ‘গন্তব্য কাবুল’, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘মাসি-পিসি’, শওকত আলীর ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’, গী দ্য মোপাসাঁর ‘নেকলেস’ এবং আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘রেইনকোট’। পদ্য অংশে আলাওলের ‘ঋতু বর্ণন’, মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’, কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’, জীবনানন্দ দাশের ‘সুচেতনা’, জসীমউদ্দীনের ‘প্রতিদান’, সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘তাহারেই পড়ে মনে’ ও ‘আঠারো বছর বয়স’, ফররুখ আহমদের ‘পদ্মা’, শামসুর রাহমানের ‘ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯’, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ এবং আল মাহমুদের ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উপন্যাস হিসেবে শিক্ষার্থীরা পড়বেন সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ এবং নাটক হিসেবে সিকান্দার আবু জাফরের ‘সিরাজ-উদ-দৌলা’। এনসিটিবি জানিয়েছে, নতুন পাঠ্যসূচি থেকে শিক্ষার্থীদের সাহিত্যিকদের রচনা অধ্যয়নের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের গভীরতা বোঝার সুযোগ পাবে।

"পাঠ্যসূচিতে ২৪ জন সাহিত্যিকের রচনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের সাহিত্যের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)
  • 👥 মুখ্য ব্যক্তি: শিক্ষার্থীরা, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, সিকান্দার আবু জাফর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ জন কবি-সাহিত্যিক, ১২টি গদ্য, ১২টি পদ্য, ১টি উপন্যাস, ১টি নাটক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖