📌 এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিন মাসে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের প্রায় সব সূচকে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। আমানত, লেনদেন ও হিসাবধারীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন এজেন্ট ও আউটলেট যুক্ত হয়েছে। তবে প্রবাসী আয় কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে
এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিন মাসে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের প্রায় সব সূচকে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে আমানত, লেনদেন ও হিসাবধারীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন এজেন্ট ও আউটলেট যুক্ত হয়েছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এজেন্ট ব্যাংকিং।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সংগৃহীত আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ১২৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, যা মার্চ শেষে ছিল ৫০ হাজার ৫৬২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা
- 📌 তিন মাসে আমানত বৃদ্ধির পরিমাণ ৫৬৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা
- 📌 জুন শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ১৮৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, যা মার্চ শেষে ছিল ১ লাখ ৪২ হাজার ৬২৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা
- 📌 তিন মাসে লেনদেন বৃদ্ধির পরিমাণ ৩ হাজার ৫৬৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা
- 📌 জুন শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মোট হিসাবধারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৭২ লাখ ২৩ হাজার ৮১টি, যা মার্চ শেষে ছিল ২ কোটি ৬৪ লাখ ৬৪ হাজার ২০৩টি
- 📌 তিন মাসে নতুন হিসাব খোলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৭ লাখ ৫৮ হাজার ৮৭৮টি
- 📌 জুন শেষে এজেন্টের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ৪২৩টিতে, যা মার্চ শেষে ছিল ১৫ হাজার ১৮৪টি
- 📌 তিন মাসে নতুন এজেন্ট যুক্ত হয়েছে ২৩৯টি
- 📌 জুন শেষে আউটলেটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৫৯৭টিতে, যা মার্চ শেষে ছিল ২০ হাজার ৩৩৯টি
- 📌 তিন মাসে আউটলেট বৃদ্ধির সংখ্যা ২৫৮টি
- 📌 এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রবাসী আয় এসেছে ৫ হাজার ৯১৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা, যা মার্চ প্রান্তিকে ছিল ৮ হাজার ৯৫৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা
- 📌 তিন মাসের ব্যবধানে প্রবাসী আয় কমেছে ৩ হাজার ৩৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিন মাসে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের প্রায় সব সূচকে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। এই সময়ে আমানত, লেনদেন ও হিসাবধারীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন এজেন্ট ও আউটলেট যুক্ত হয়েছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এজেন্ট ব্যাংকিং।
জুন শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সংগৃহীত আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ১২৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। মার্চ শেষে এর পরিমাণ ছিল ৫০ হাজার ৫৬২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা। অর্থাৎ তিন মাসে আমানত বেড়েছে ৫৬৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। জুন শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মোট আমানতের মধ্যে শহরাঞ্চলের এজেন্টগুলোর মাধ্যমে সংগৃহীত হয়েছে ৯ হাজার ৭৫ কোটি টাকা। আর গ্রামাঞ্চলের এজেন্টগুলোর মাধ্যমে সংগৃহীত আমানতের পরিমাণ ৪২ হাজার ৫৩ কোটি টাকা।
এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে লেনদেনও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। জুন শেষে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৬ হাজার ১৮৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। মার্চ শেষে এই পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৪২ হাজার ৬২৩ কোটি ৭১ লাখ টাকা। তিন মাসের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৩ হাজার ৫৬৪ কোটি ৬৩ লাখ টাকা।
"এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সময়ের সঙ্গে এর পরিধি বাড়ায় এখন গ্রামীণ অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র সঞ্চয় সংগ্রহ, প্রবাসী আয় বিতরণ ও দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে এজেন্ট ব্যাংকিং।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গ্রাহকদের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫১ হাজার ১২৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকা (আমানত), ১ লাখ ৪৬ হাজার ১৮৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা (লেনদেন), ২ কোটি ৭২ লাখ ২৩ হাজার ৮১টি (হিসাবধারী)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!