📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে আইনজীবী সরকারকে রিটের হুমকি দিয়েছেন

১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবিতে আইনজীবী সরকারকে রিটের হুমকি দিয়েছেন

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. মাহমুদুল হাসান অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং কালো টাকার বিস্তার রোধে ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবি জানিয়ে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। তিনি ১৫ দিনের মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে রিট দায়েরের হুমকি দিয়েছেন

সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট মো. মাহমুদুল হাসান অর্থনীতির মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং কালো টাকার বিস্তার রোধে সরকারকে ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। তিনি মন্ত্রিপরিষদ সচিব, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে এই নোটিশ প্রদান করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 মো. মাহমুদুল হাসান অর্থনীতির স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবি জানিয়েছেন এবং সরকারকে ১৫ দিনের মধ্যে পদক্ষেপ নিতে বলেছেন।
  • 📌 নোটিশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো রিজার্ভ ছাড়াই টাকা ছাপানোর ফলে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচ বাড়ছে।
  • 📌 ১০০০ টাকার নোটের ব্যবহার মূলত দুর্নীতিবাজদের কালো টাকা লুকিয়ে রাখার জন্য, যা দেশে ‘শ্যাডো ইকোনমি’ তৈরি করেছে।
  • 📌 ভারতের ২০০০ টাকার নোট বাতিলের সফল উদাহরণ অনুসরণ করে বাংলাদেশেও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে।
  • 📌 ১৫ দিনের মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়েরের হুমকি দিয়েছেন অ্যাডভোকেট।

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বিকাল ৫:২৭ মিনিটে মো. মাহমুদুল হাসান জনস্বার্থে সরকারকে একটি আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক স্বর্ণ, রৌপ্য বা বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াই অর্থনীতিতে টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছে, যা ‘কোয়ান্টিটি থিওরি অব মানি’ অনুযায়ী টাকার ক্রয়ক্ষমতা ধ্বংস করছে। এর ফলে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার খরচ বাড়ছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদে বর্ণিত জীবনধারণের অধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। কারণ, টাকার মান ধ্বংসের কারণে সাধারণ মানুষের খাদ্যাভাবের সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এছাড়া, ১০০০ টাকার নোটের ব্যবহার মূলত দুর্নীতিবাজদের কালো টাকা লুকিয়ে রাখার জন্য, যা দেশে একটি ধ্বংসাত্মক ‘শ্যাডো ইকোনমি’ তৈরি করেছে।

অ্যাডভোকেট বলেছেন, ভারতের ২০০০ টাকার নোট বাতিলের সফল উদাহরণ অনুসরণ করে বাংলাদেশেও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের দাবি জানানো হয়েছে। তিনি ১৫ দিনের মধ্যে সরকারকে পদক্ষেপ নিতে বলেছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদক্ষেপ না নিলে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়েরের হুমকি দিয়েছেন তিনি।

"বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ধরনের রিজার্ভ বা ব্যাকআপ ছাড়াই অর্থনীতিতে ক্রমাগত কৃত্রিম টাকা ছাপিয়ে সরবরাহ করছে। এর ফলে টাকার নিজস্ব মান বা ক্রয়ক্ষমতা চরমভাবে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মাহমুদুল হাসান (অ্যাডভোকেট)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০০ টাকা, ২২ সেপ্টেম্বর, ১৫ দিন, ৩২ অনুচ্ছেদ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖