📅 ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮:২১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মোবাইল টাওয়ারের যন্ত্রপাতি চুরি: ২০ মাসে ১৬ হাজার মিটার কেবল ও ২ হাজার ব্যাটারি চুরি, নেটওয়ার্কে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে অপারেটরদের

মোবাইল টাওয়ারের যন্ত্রপাতি চুরি: ২০ মাসে ১৬ হাজার মিটার কেবল ও ২ হাজার ব্যাটারি চুরি, নেটওয়ার্কে বিঘ্ন সৃষ্টি করছে অপারেটরদের

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশের চারটি মোবাইল অপারেটর থেকে গত ২০ মাসে প্রায় ১৬ হাজার মিটার পাওয়ার কেবল এবং ২ হাজারের বেশি ব্যাটারি চুরি হয়েছে। চুরির কারণে নেটওয়ার্কে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে এবং গ্রাহকরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অপারেটররা নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বললেও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি

বাংলাদেশের মোবাইল টাওয়ার ও নেটওয়ার্ক অবকাঠামোতে চোরের হানা বেড়েছে। গত ২০ মাসে চারটি মোবাইল অপারেটর থেকে প্রায় ১৬ হাজার মিটার পাওয়ার কেবল এবং ২ হাজারের বেশি ব্যাটারি চুরি হয়েছে। এছাড়াও রিমোট রেডিও ইউনিট (আরআরইউ) ও বেস ট্রান্সসিভার স্টেশন (বিটিএস) কার্ডও চুরির শিকার হয়েছে। চুরির কারণে নেটওয়ার্কে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে এবং গ্রাহকরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গত ২০ মাসে মোবাইল অপারেটরদের টাওয়ার থেকে ১৬ হাজার মিটার পাওয়ার কেবল এবং ২ হাজারের বেশি ব্যাটারি চুরি হয়েছে
  • 📌 চুরির কারণে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় নেটওয়ার্কে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে
  • 📌 টেলিটক সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত — চলতি বছরের প্রথম ৮ মাসে ৬ হাজার ৭৪৯ মিটার কেবল চুরি হয়েছে
  • 📌 চুরির প্রতিকার পেতে অ্যামটব বিটিআরসিকে চিঠি দিয়েছে, কিন্তু উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি
  • 📌 চোরেরা গ্রামীণ এলাকায় চুরি করা ব্যাটারি ভ্যান ও রিকশায় বিক্রি করছে

📰 বিস্তারিত

বাংলাদেশের চারটি মোবাইল অপারেটর থেকে গত ২০ মাসে প্রায় ১৬ হাজার মিটার পাওয়ার কেবল এবং ২ হাজারের বেশি ব্যাটারি চুরি হয়েছে। এছাড়াও রিমোট রেডিও ইউনিট (আরআরইউ) ও বেস ট্রান্সসিভার স্টেশন (বিটিএস) কার্ডও চুরির শিকার হয়েছে। মোবাইল অপারেটরদের তথ্য অনুযায়ী, চুরির কারণে নেটওয়ার্কে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে এবং গ্রাহকরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অপারেটররা বলছেন, যন্ত্রপাতি চুরি হয়ে যাওয়ায় কোনো কোনো এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্কে বিঘ্ন ঘটছে।

চলতি বছরের প্রথম ৮ মাসে মোবাইল টেলিকম অপারেটরদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (অ্যামটব) জানিয়েছে, ৪ অপারেটরের ৭ হাজার ৯৬৪ মিটার পাওয়ার কেবল, ১৯৪টি আরআরইউ, ১৭০টি বিটিএস কার্ড ও ৭৫৬টি ব্যাটারি চুরি হয়েছে। গত ২০ মাসে মোট চুরির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রায় ১৬ হাজার মিটার পাওয়ার কেবল, ২ হাজারের বেশি ব্যাটারি এবং ৫০০টির বেশি আরআরইউ চুরি হয়েছে।

অ্যামটবের মহাসচিব লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার বলেছেন, ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মোবাইল বিটিএস থেকে বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে। তিনি বলেন, এসব যন্ত্রপাতি সহজে স্থানীয় বাজারে পাওয়া যায় না। ফলে নতুন যন্ত্রপাতি বসানো বা মেরামত করতে অনেক সময় ও অর্থ লাগে। এতে নেটওয়ার্ক দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকে এবং গ্রাহকরা যথাযথ সেবা থেকে বঞ্চিত হন।

চুরির ঘটনাগুলো আগে চট্টগ্রামের পাহাড়ে বেশি হতো, কিন্তু বর্তমানে ঢাকার লালবাগ, বাড্ডা, মোহাম্মদপুর, সাভার এবং নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুরে চুরি ও ভাঙচুরের ঘটনা বেশি ঘটছে। অপারেটররা বলছেন, চুরি ঠেকাতে তারা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, কিন্তু উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।

"চুরি ঠেকাতে অপারেটররা নিজেদের উদ্যোগে বিভিন্ন নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। অ্যামটব বলছে, তারা স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা (লালবাগ, বাড্ডা, মোহাম্মদপুর, সাভার), নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, চট্টগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ জুলফিকার (অ্যামটব মহাসচিব)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ হাজার মিটার পাওয়ার কেবল, ২ হাজার+ ব্যাটারি, ৭ হাজার ৯৬৪ মিটার কেবল (চলতি বছরের ৮ মাসে), ৬ হাজার ৭৪৯ মিটার কেবল (টেলিটক, চলতি বছরের ৮ মাসে)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖