📌 ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের ভুয়া বিজ্ঞাপন থেকে ম্যালওয়্যারযুক্ত অ্যাপ ডাউনলোড করে ব্যবহারকারীরা ফোন নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন। সাইবার অপরাধীরা ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য চুরি করে আর্থিক প্রতারণায় লিপ্ত হচ্ছেন। ডিজিআর্মরএক্সের প্রতিষ্ঠাতা নিধি শ্রীবাস্তব বলেছেন, সামাজিক প্রকৌশল ও অনুমতি চুরির মাধ্যমে এই ঝুঁকি তৈরি হয়
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের বিজ্ঞাপন থেকে ম্যালওয়্যারযুক্ত অ্যাপ ডাউনলোড করে ব্যবহারকারীরা ফোনের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন। সাইবার অপরাধীরা ভুয়া বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য চুরি করে আর্থিক প্রতারণায় লিপ্ত হচ্ছেন। এছাড়াও, কিছু ক্ষেত্রে ফোনের ইন্টারনেট কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের বিজ্ঞাপন থেকে ম্যালওয়্যারযুক্ত অ্যাপ ডাউনলোড করে ব্যবহারকারীরা ফোন নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন
- 📌 অ্যাপ ইনস্টল করার পর অ্যাকসেসিবিলিটি, ভিপিএন বা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অনুমতি চেয়ে সাইবার অপরাধীরা ফোনের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছেন
- 📌 ম্যালওয়্যারযুক্ত অ্যাপ ব্যবহার করে ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য চুরির ঘটনা বাড়ছে
- 📌 বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার পর সরাসরি ‘এপিকে’ ফাইল ডাউনলোড করা হয়, যা গুগল প্লে স্টোরের পরিবর্তে
- 📌 কিছু ওয়েবসাইটের ঠিকানায় ‘ডট লাইভ’ ডোমেইনও দেখা যায়
📰 বিস্তারিত
ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে প্রচারিত ভুয়া বিজ্ঞাপনগুলোতে ক্লিক করলেই অপরিচিত ওয়েবসাইট স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে যায়। সেখান থেকে অ্যাপ নামাতে বলা হয়। ম্যালওয়্যারযুক্ত অ্যাপগুলো নামানোর আগে ফোনের বিভিন্ন যন্ত্র ও সেবা ব্যবহারের অনুমতি নিয়ে নেয়। এরপর অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ম্যালওয়্যারটি ছড়িয়ে পড়ে ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত ও আর্থিক তথ্য সংগ্রহ করে সাইবার অপরাধীদের কাছে পাঠাতে থাকে।
অনেক সময় অ্যাপের স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্য এসব অনুমতি প্রয়োজন বলে ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করা হয়। কিন্তু অনুমতি পেয়ে গেলে ক্ষতিকর অ্যাপ ফোনের বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিভিন্ন কাজ ধরনের কাজ করতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এসব অ্যাপ ফোনে ভিপিএন (ভার্চ্যুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক) ইনস্টল করে। এর মাধ্যমে ফোনের ইন্টারনেট–সংক্রান্ত তথ্য আক্রমণকারীদের নিয়ন্ত্রিত সার্ভারের মাধ্যমে আদান-প্রদান করানো হতে পারে। এতে ব্যবহারকারীর অনলাইন কার্যক্রম ও তথ্যের নিরাপত্তা আরও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।
কোনো কোনো ক্ষতিকর অ্যাপ ফোনের সেটিংস থেকেও নিজেকে আনইনস্টল করার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে পারে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ ও ডিজিআর্মরএক্সের প্রতিষ্ঠাতা নিধি শ্রীবাস্তব বলেছেন, এ ধরনের প্রতারণার মূল ঝুঁকি তৈরি হয় সামাজিক প্রকৌশল (সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং) কৌশল এবং যন্ত্রের অনুমতির সমন্বয়ে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিজ্ঞাপন থেকে প্রাপ্তবয়স্কদের ওয়েবসাইটে নিয়ে গিয়ে এপিকে ফাইল ডাউনলোড করানো পর্যন্ত বিষয়টি হয়তো সাধারণ প্রতারণা বলে মনে হতে পারে। কিন্তু অ্যাপটি যখন অ্যাকসেসিবিলিটি, ভিপিএন বা অন্য অ্যাপ ইনস্টলের মতো গুরুত্বপূর্ণ অনুমতি চায়, তখনই বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হয়।
"এসব অনুমতির মাধ্যমে সাইবার অপরাধীরা ফোনের ওপর উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণ পেতে পারে এবং আর্থিক প্রতারণার সুযোগ তৈরি করতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম প্ল্যাটফর্ম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিধি শ্রীবাস্তব (ডিজিআর্মরএক্স প্রতিষ্ঠাতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ০ (সংখ্যা উল্লেখিত নেই, তবে ম্যালওয়্যার আক্রমণের ঘটনা বাড়ছে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!