📌 দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার খিয়ারমামুদপুর গ্রামে বেহাল সড়কের কারণে গুরুতর অসুস্থ মাকে হাসপাতালে নিতে বাধ্য হন দুই ছেলে। পুরোনো পেঁপেগাছ ভেঙে পড়ে তাঁর কোমর ও বাঁ পায়ে আঘাত লাগে
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার খিয়ারমামুদপুর গ্রামে বেহাল সড়কের কারণে গুরুতর অসুস্থ মাকে হাসপাতালে নিতে বাধ্য হন দুই ছেলে। পুরোনো পেঁপেগাছ ভেঙে পড়ে তাঁর কোমর ও বাঁ পায়ে প্রচণ্ড আঘাত লাগে। কাদায় ডুবন্ত সড়ক দিয়ে তাঁকে বহন করা সম্ভব না হওয়ায় বাঁশে ঝোলানো প্লাস্টিকের চেয়ারে বসিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
🔴 মূল ঘটনা
- 📌 পুরোনো পেঁপেগাছ ভেঙে তপতী রানীর কোমর ও বাঁ পায়ে প্রচণ্ড আঘাত লাগে।
- 📌 গ্রামের প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার সড়ক কাদায় ডুবে থাকায় হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
- 📌 দুই ছেলে গৌতম বসাক ও উত্তম বসাক বাঁশে ঝোলানো চেয়ারে মাকে বসিয়ে কাঁধে নিয়ে আধা কিলোমিটার পার হন।
- 📌 স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পর তপতী রানীর চিকিৎসা শুরু হয়।
📰 বিস্তারিত
গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ২ নম্বর কাটলা ইউনিয়নের খিয়ারমামুদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তপতী রানী ওই গ্রামের ধীমান বসাকের স্ত্রী। পরিবারের সূত্রে জানা যায়, সকালে গৃহস্থালি কাজ করার সময় পুরোনো পেঁপেগাছ ভেঙে তাঁর ওপর পড়ে। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।
গ্রামের সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। ভ্যান বা অন্যান্য যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, হাঁটাও ছিল কষ্টকর। ফলে দুই ছেলে গৌতম বসাক ও উত্তম বসাক উপায় না পেয়ে বাঁশের সঙ্গে দড়ি দিয়ে প্লাস্টিকের চেয়ার বেঁধে সেই চেয়ারে তপতী রানীকে বসিয়ে তাঁকে কাঁধে নিয়ে স্থানীয় বাজারে পৌঁছান।
উত্তম বসাক বলেন, ‘এ রাস্তা দিয়ে চলতে খুবই কষ্ট হয়, ভাই। হামার মায়োক (মা) এই রাস্তা দিয়ে নিতে কী যে কষ্ট হলো, তা ওপরওয়ালা জানে আর আমি জানি।’
"রাস্তাত খুবই কাদা। একে তো লাল মাটি, তার ওপর রাস্তা দিয়ে জমি চাষ করা ট্রাক্টর যায়, পাওয়ার ট্রিলার যায়, রাস্তা এক্কেবারে নষ্ট হইছে। হাটে আসার উপায় নাই। এই তনে হামরা দুই ভাই মিলে মায়োক বাঁশোত দড়ি বান্ধে চেয়ার বসে কান্ধোত (কাঁধ) করে এই রাস্তা পার করিছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বিরামপুর উপজেলার খিয়ারমামুদপুর গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তপতী রানী, গৌতম বসাক, উত্তম বসাক, ধীমান বসাক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার, আধা কিলোমিটার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!