📅 ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

পাহাড়ি মাটিরাঙ্গায় ইউটিউব ভিডিও দেখে পটল চাষ শুরু করে আনোয়ার, সফলতা দেখে এলাকার কৃষকরা আগ্রহী

পাহাড়ি মাটিরাঙ্গায় ইউটিউব ভিডিও দেখে পটল চাষ শুরু করে আনোয়ার, সফলতা দেখে এলাকার কৃষকরা আগ্রহী

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌরসভার কৃষক আনোয়ার হোসেন ইউটিউব ভিডিও দেখে পটল চাষ শুরু করেন। বর্গা জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ শুরু করে তিনি মাসে ৩৫০-৪০০ কেজি পটল উৎপাদন করছেন। সফলতার পর এলাকার কৃষকরা পটল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের চরপাড়ার কৃষক আনোয়ার হোসেন ইউটিউব ভিডিও দেখে পটল চাষ শুরু করেছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে তিনি এলাকার কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার বীজ বুনে দিয়েছেন। ধানের জমিতে মাচা তৈরি করে পরীক্ষামূলকভাবে পটল চাষ শুরু করে তিনি মাসে ৩৫০ থেকে ৪০০ কেজি পটল উৎপাদন করছেন। সফলতার পর এলাকার অন্যান্য কৃষকরা পটল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ইউটিউব ভিডিও দেখে পটল চাষ শুরু করে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌরসভার আনোয়ার হোসেন।
  • 📌 ১০ শতক জমিতে ৭-৮ হাজার টাকা খরচে পটল চাষ করে মাসে ৩৫০-৪০০ কেজি পটল উৎপাদন করছেন তিনি।
  • 📌 ২০২৪ সালে নওগাঁ থেকে বারি-১ ও বারি-২ জাতের ১০০টি পটলের চারা সংগ্রহ করে চাষ শুরু করেন আনোয়ার।
  • 📌 বর্তমানে এলাকায় মোট ৩০ শতক জমিতে পটল চাষ হচ্ছে।
  • 📌 আনোয়ারের সফলতা দেখে বাচ্চু মিয়া ও ছাত্তারও পটল চাষ শুরু করেছেন।

📰 বিস্তারিত

পটল বাংলাদেশের রান্নাঘরে অপরিহার্য সবজি। তবে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পৌরসভার চরপাড়ার কৃষক আনোয়ার হোসেন ইউটিউব ভিডিও দেখে এই জনপ্রিয় সবজির চাষ শুরু করেছেন। তিনি ২০২৪ সালে নওগাঁ থেকে বারি-১ ও বারি-২ জাতের ১০০টি পটলের চারা সংগ্রহ করেন। প্রতিটি চারা-কলমের দাম ছিল ১৭ টাকা। ধানের জমিতে ১০ শতক জায়গায় মাচা তৈরি করে তিনি পরীক্ষামূলকভাবে পটল চাষ শুরু করেন। জমি তৈরি, চারা, জৈব সার, বালাইনাশক, হলুদ ফেরোমন ফাঁদ ও মাচা তৈরি এবং শ্রমিক খরচ সহ সব মিলিয়ে ১০ শতকে তার খরচ হয়েছে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা।

আনোয়ারের পটলখেতে সূর্য অস্ত যাওয়ার মুহূর্তে মাচাজুড়ে ঝুলে থাকা সারি সারি সবুজ পটল দেখতে যেন প্রকৃতির এক অপূর্ব দৃশ্য। তিনি বলেছেন, “ব্যতিক্রমী ফসল করার চিন্তা থেকে ইউটিউব ফলো করে পটল চাষ শুরু করি। ভালোই ফলন হয়েছে এখন। ভবিষ্যতে আরও ব্যতিক্রমী কিছু করার চিন্তা রয়েছে।”

মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপজেলায় মাত্র ১ হেক্টর জমিতে পটলের আবাদ হয়েছে। এ মৌসুমে পটল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ মেট্রিক টন। বাজারে শীতকালীন সবজি আসায় পটলের দাম নেমে এসেছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়।

আনোয়ারের সফলতা দেখে চরপাড়ার আরেক কৃষক বাচ্চু মিয়া ও ওয়াছু এলাকার ছাত্তারও ১০ শতক জমিতে পটল চাষ শুরু করেছেন। সব মিলিয়ে তিন স্থানে মোট ৩০ শতক জমিতে এখন পটল চাষ হচ্ছে। পটলের পাশাপাশি আনোয়ার পুরো এক একর জমিতে ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো ও পেঁপেসহ মিশ্র সবজি চাষ করেছেন।

"আনোয়ার অত্যন্ত পরিশ্রমী একজন যুবক। তিনি ইউটিউব দেখে নিজ উদ্যোগেই উন্নত জাতের পটল চাষ শুরু করেছেন। আমাদের পক্ষ থেকে তাকে নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তার এই উদ্যোগ দেখে অন্য কৃষকরাও সবজি চাষে এগিয়ে আসছেন, যা অত্যন্ত ইতিবাচক।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা পৌরসভার চরপাড়া ও ওয়াছু এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনোয়ার হোসেন, বাচ্চু মিয়া, ছাত্তার, দেবাশীষ চাকমা, মো. শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০টি চারা, ১৭ টাকা প্রতি চারা, ৭-৮ হাজার টাকা ১০ শতক জমিতে খরচ, ৩৫০-৪০০ কেজি মাসিক উৎপাদন, ৩০ শতক জমিতে পটল চাষ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖