📌 টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিন দিনব্যাপী 'সুইট ফেস্টিভ্যাল'। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন উদ্বোধন করেন এই মেলা। জেলার বিভিন্ন উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি প্রদর্শিত হচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আয়োজিত হয়েছে
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী 'সুইট ফেস্টিভ্যাল' বা মিষ্টি উৎসবের দ্বিতীয় দিনে মাঠ মুখর হয়ে উঠেছে। মেলায় টাঙ্গাইলের বিভিন্ন উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির প্রদর্শনী ও বিক্রি চলছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে মেলার উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু)। আজ শনিবার বিকেলে বিভিন্ন বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মেলার প্রাঙ্গণে ভিড়ের সৃষ্টি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **মেলার উদ্বোধন**: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু) গতকাল বিকেলে উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইলের প্রথমবারের মতো তিন দিনব্যাপী 'সুইট ফেস্টিভ্যাল'।
- 📌 **উপজেলা-ভিত্তিক মিষ্টি প্রদর্শনী**: টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চমচম, মির্জাপুরের জামুর্কীর সন্দেশ, মধুপুরের জিলাপি, গারোর বাজারের রসগোল্লা, নাগরপুরের কাঁচা গোল্লা, বাসাইলের সাদা দইসহ ১০টি উপজেলার মিষ্টি প্রদর্শিত হচ্ছে।
- 📌 **প্রতিমন্ত্রীর কথা**: সুলতান সালাউদ্দিন বলেন, 'টাঙ্গাইলের চমচম বাংলাদেশের গর্ব। এই ঐতিহ্যবাহী পণ্যকে আরও এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্ব আমাদের।'
- 📌 **মেলায় ভিড়**: বৃষ্টির মধ্যেও মেলায় মানুষের উপস্থিতি কমেনি। স্থানীয় বাসিন্দা বর্ণ দাস বলেন, 'এক মাঠে এত মিষ্টি দেখে খুব ভালো লাগল।'
- 📌 **অর্থনৈতিক লক্ষ্য**: জেলা প্রশাসক শরীফা হক জানান, এই আয়োজন তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে।
📰 বিস্তারিত
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই মেলায় জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে স্টল দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি স্টলে ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির প্রদর্শনী ও বিক্রি চলছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চমচম, মির্জাপুরের জামুর্কীর সন্দেশ, মধুপুরের জিলাপি, গারোর বাজারের রসগোল্লা, নাগরপুরের কাঁচা গোল্লা, বাসাইলের সাদা দইসহ নানা ধরনের মিষ্টি মেলায় উপস্থিত।
মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন বলেন, 'টাঙ্গাইলের চমচম সারা বাংলাদেশ তথা বিশ্বের অনেক মানুষই কমবেশি চেনে। টাঙ্গাইলের শাড়ি যেমন বাংলাদেশের গর্ব ও ঐতিহ্য, তেমনি চমচমও আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এই পণ্যকে কীভাবে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, সেটি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।'
মেলায় অংশগ্রহণকারী স্থানীয় বাসিন্দা বর্ণ দাস এবার এসএসসি পাস করেছেন। তিনি বলেন, 'অনেক নতুন নতুন মিষ্টি দেখলাম। খেলামও অনেক। এক মাঠেই সব মিষ্টি দেখে খুব ভালো লাগল।' আজ বিকেলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিলেও মেলায় মানুষের উপস্থিতিতে কমতি ছিল না। শহরের সাবালিয়া এলাকার অমিনুর রহমান মেয়েকে নিয়ে মেলায় এসেছেন। তিনি বলেন, 'মিষ্টির জন্য টাঙ্গাইলের অনেক সুনাম রয়েছে। জেলার বিভিন্ন প্রান্তে নানা রকমের মিষ্টি তৈরি হয়। ছোট মেয়েকে এই সব মিষ্টির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই মেলায় নিয়ে এসেছি।'
ব্যাংক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান মানিকগঞ্জ থেকে টাঙ্গাইলে এসেছিলেন। মিষ্টি উৎসবের কথা শুনে তিনি মেলায় আসেন। তিনি বলেন, 'মিষ্টি খেয়ে বাড়ির জন্যও কিনে নিয়ে যাচ্ছি।'
সাবেক অধ্যক্ষ শামসুল হুদা বলেন, 'টাঙ্গাইলে আগে কখনো এমন উৎসব হয়নি। এই আয়োজন নতুন প্রজন্মকে দেশীয় ঐতিহ্যবাহী মিষ্টির প্রতি আগ্রহী করে তুলবে।' জেলা মিষ্টি ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি স্বপন ঘোষ বলেন, 'মেলায় অনেক মানুষ আসছেন। মিষ্টির প্রতি মানুষের আগ্রহও দেখা যাচ্ছে। প্রথমবারের মতো আয়োজিত মিষ্টি উৎসব সফল হবে বলে আমি মনে করি।'
"টাঙ্গাইলের চমচম সারা বাংলাদেশ তথা বিশ্বের অনেক মানুষই কমবেশি চেনে। টাঙ্গাইলের শাড়ি যেমন বাংলাদেশের গর্ব ও ঐতিহ্য, তেমনি চমচমও আমাদের ঐতিহ্যের অংশ। এই পণ্যকে কীভাবে আরও এগিয়ে নেওয়া যায়, সেটি আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান, টাঙ্গাইল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু), বর্ণ দাস, অমিনুর রহমান, মিজানুর রহমান, শামসুল হুদা, স্বপন ঘোষ, জেলা প্রশাসক শরীফা হক
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ দিনব্যাপী উৎসব, ১০টি উপজেলার মিষ্টি প্রদর্শনী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!