📅 ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিচারিক নিলামে ক্রীত স্থাবর সম্পত্তির ওপর ভ্যাট আদায় অবৈধ ঘোষণা হাইকোর্টের

বিচারিক নিলামে ক্রীত স্থাবর সম্পত্তির ওপর ভ্যাট আদায় অবৈধ ঘোষণা হাইকোর্টের

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিচারিক নিলামে ক্রীত স্থাবর সম্পত্তির ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আদায়কে অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। অর্থঋণ আদালতের মাধ্যমে সম্পত্তি নিলামে ক্রেতাদের বিরুদ্ধে আরোপিত ভ্যাট ও স্ট্যাম্প ডিউটি আদায়ের নির্দেশ বাতিল করেছেন আদালত

ঢাকা: অর্থঋণ আদালতের মাধ্যমে বিচারিক নিলামে বিক্রি হওয়া স্থাবর সম্পত্তির ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) আদায়ের নির্দেশকে অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। বিচারপতি সরদার রাশেদ জাহাঙ্গীর ও বিচারপতি জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত ১ সেপ্টেম্বর এ রায় ঘোষণা করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিচারিক নিলামে ক্রীত স্থাবর সম্পত্তির ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আদায় অবৈধ ঘোষণা
  • 📌 অর্থঋণ আদালতের মাধ্যমে সম্পত্তি নিলামে ক্রেতাদের বিরুদ্ধে আরোপিত ভ্যাট আদায়ের নির্দেশ বাতিল
  • 📌 হাইকোর্ট রুল জারি করে নিলাম ক্রেতাদের কাছ থেকে ভ্যাট আদায় স্থগিত রাখার নির্দেশ
  • 📌 আদালত স্পষ্ট করেছেন, সংসদ কর্তৃক সম্পত্তি বিক্রয়কে ভ্যাটমুক্ত ঘোষণা করা হলে অধস্তন আইনে নতুন কর আরোপ সম্ভব নয়

📰 বিস্তারিত

হাইকোর্টের রায় অনুযায়ী, অর্থঋণ আদালতের মাধ্যমে বিচারিক নিলামে ক্রীত স্থাবর সম্পত্তির ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট আদায়ের নির্দেশ আইনানুগ কর্তৃত্ববহির্ভূত। বিচারপতি সরদার রাশেদ জাহাঙ্গীর ও বিচারপতি জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ গত ১ সেপ্টেম্বর এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আদালত আরও উল্লেখ করেন, সংশ্লিষ্ট এসআরওর অংশ বিশেষ যেখানে স্থাবর সম্পত্তির ক্রেতাকে ‘পণ্যের নিলাম ক্রেতা’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, তা আইনসম্মত নয়।

এই রায়ের ফলে অর্থঋণ আদালতের মাধ্যমে বিচারিক নিলামে ক্রীত স্থাবর সম্পত্তির ওপর আর ভ্যাট দিতে হবে না। আদালত স্পষ্ট করেছেন, সংসদ কোনো সম্পত্তির বিক্রয় বা হস্তান্তরকে আইনের মাধ্যমে ভ্যাটমুক্ত ঘোষণা করলে অধস্তন আইন বা এসআরও জারি করে ওই সম্পত্তির ওপর নতুন করে কর আরোপ করা যাবে না।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী মূলধন ঋণ পরিশোধে ব্যর্থতার পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক অর্থঋণ আদালতে মামলা করে। পরে অর্থঋণ আদালত আইন, ২০০৩-এর ৩৩ (১) ধারার অধীনে বন্ধকি সম্পত্তি নিলামে তোলা হয়। নিলামে আবেদনকারীরা সর্বোচ্চ ২৪ কোটি টাকা দর দিয়ে সম্পত্তিটি কেনেন এবং নির্ধারিত অর্থ জমা দেন। এরপর অর্থঋণ আদালত নিলামমূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট এবং প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প ডিউটি পরিশোধের নির্দেশ দেয়।

‘নিলাম ক্রেতাদের কাছ থেকে নিলামমূল্যের ওপর উৎসে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আদায়ের নির্দেশ আইনানুগ কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং এর কোনো আইনানুগ কার্যকারিতা নেই।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি সরদার রাশেদ জাহাঙ্গীর, বিচারপতি জিয়াউল হক
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫ শতাংশ, ২৪ কোটি টাকা, ৩৩ ধারা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖