📌 তীব্র বৃষ্টির মধ্যে সন্দ্বীপ থেকে চট্টগ্রাম যাত্রা শুরু করা ফেরি ‘কপোতাক্ষ’ মাঝসাগরে আটকে পড়ে। স্বাভাবিক আড়াই ঘণ্টার পথ শেষ হতে সময় লাগে ১৯ ঘণ্টা। প্রায় ৩০০ যাত্রী সারা রাত ভোগান্তির শিকার হন
সন্দ্বীপ থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করা একটি যাত্রীবাহী ফেরি মাঝসাগরে আটকে পড়ায় প্রায় ৩০০ যাত্রীকে সারা রাত ভোগান্তিতে কাটাতে হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় ১৭ ঘণ্টা বেশি সময় নিয়ে ফেরিটি গন্তব্যে পৌঁছায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ফেরি ‘কপোতাক্ষ’ সন্দ্বীপ থেকে চট্টগ্রাম যাত্রায় মাঝসাগরে আটকে পড়ে
- 📌 স্বাভাবিক আড়াই ঘণ্টার যাত্রা শেষ হতে সময় লাগে ১৯ ঘণ্টা
- 📌 প্রায় ৩০০ যাত্রী সারা রাত ফেরিতে অবস্থান করেন
- 📌 ফেরির মাস্টার জোয়ার-ভাটার সময়সূচি না মানায় দুর্ঘটনা ঘটে
- 📌 ফেরির ক্যানটিনে খাবারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
বুধবার বিকেলে সন্দ্বীপের এনাম নাহার থেকে যাত্রা শুরু করা ফেরি ‘কপোতাক্ষ’ গুপ্তছড়া ঘাট থেকে সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ফেরিঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। যাত্রা শুরুর মাত্র ১০ মিনিট পরেই ফেরিটি সন্দ্বীপ চ্যানেলে পলিমাটিতে আটকে যায়। ফলে যাত্রীদের ভোগান্তির শুরু হয়। জোলেখা খানম নামের এক যাত্রী জানান, তিনি বিকেল তিনটায় বাসযোগে যাত্রা শুরু করলেও গন্তব্যে পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় ১৯ ঘণ্টা। তিনি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টায় চট্টগ্রামের হালিশহরের বাসায় পৌঁছান।
ফেরিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে জোলেখা খানমের ভাই মো. শরীফুল ইসলাম (৪০) ডায়রিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন। জোলেখা জানান, ফেরি আটকে যাওয়ার পর ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো ফেরি অন্ধকার হয়ে যায়। যাত্রীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে যাত্রীদের আপত্তির পর ঘণ্টাখানেক পর ইঞ্জিন চালু করা হয়। রাত যত বাড়তে থাকে, অসুস্থ ভাইকে নিয়ে তাঁর দুশ্চিন্তাও তত বাড়তে থাকে।
ফেরির ক্যানটিনে খাবারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগ করেন যাত্রীরা। জোলেখা খানম জানান, যাত্রীদের কাছে পর্যাপ্ত খাবার না থাকায় ফেরির কর্মীরা দ্বিগুণ-তিন গুণ দামে খাবার বিক্রি করেছেন। রাতে স্থানীয়দের কাছ থেকে খাদ্যসহায়তা পেলেও অনেক যাত্রীকে বাধ্য হয়ে বেশি দামে খাবার কিনতে হয়েছে।
‘কিছু বুঝে ওঠার আগেই সাগরের মধ্যেই ফেরি আটকে যায়। বাইরে তাকিয়ে দেখি ঘুটঘুটে অন্ধকার। এর মধ্যেই শুরু হয় বৃষ্টি। পরে জানতে পারলাম কাদায় ফেরি আটকে গেছে। দুশ্চিন্তা নিয়ে সারা রাত ফেরির মধ্যেই ছিলাম। অনেক কষ্টের পর সকালে বাসায় পৌঁছেছি।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সন্দ্বীপ চ্যানেল, সন্দ্বীপ থেকে চট্টগ্রাম পথে
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জোলেখা খানম, মো. শরীফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ ঘণ্টা, প্রায় ৩০০ যাত্রী, ৫৫ বছর, ৪০ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!