📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ৮:৩৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মহাকাশের অমূল্য গবেষণা যান সুইফট: নভেম্বরে পৃথিবীতে আছড়ে পড়বে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড

মহাকাশের অমূল্য গবেষণা যান সুইফট: নভেম্বরে পৃথিবীতে আছড়ে পড়বে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নাসার সুইফট টেলিস্কোপ, যা ২২ বছর ধরে মহাকাশের গামা-রশ্মি বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণ করে গবেষণার জন্য ৭ হাজার পত্র প্রকাশ করেছে, নভেম্বরের ৪ তারিখের দিকে পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়বে। বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণে এটি জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ড হয়ে পুড়ে যাবে, তবে কিছু ভারী অংশ পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে

মহাকাশ গবেষণায় বিপ্লব সৃষ্টিকারী নাসার সুইফট টেলিস্কোপ ২২ বছর ধরে মহাবিশ্বের গামা-রশ্মি বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণ করে বিজ্ঞানীদের অমূল্য তথ্য সরবরাহ করেছে। এই টেলিস্কোপের মাধ্যমে ২ হাজারাধিক গামা-রশ্মি বিস্ফোরণ, ১৪০০-এর অধিক সুপারনোভা এবং রাক্ষুস ব্ল্যাকহোলের কার্যকলাপের চিত্র ধারণ করা হয়েছে। তবে নভেম্বরের ৪ তারিখের দিকে এটি পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়বে এবং বায়ুমণ্ডলে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ডের মতো পুড়ে যাবে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নভেম্বরের ৪ তারিখের দিকে নাসার সুইফট টেলিস্কোপ পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়বে, যা ২২ বছর ধরে মহাকাশ পর্যবেক্ষণ করে আসছে।
  • 📌 ২ হাজারাধিক গামা-রশ্মি বিস্ফোরণ এবং ১৪০০-এর অধিক সুপারনোভা পর্যবেক্ষণ করে সুইফটের তথ্য থেকে ৭ হাজারাধিক গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে।
  • 📌 মহাকাশযানের মূল মিশন ছিল মাত্র দুই বছর, কিন্তু এটি ২২ বছর ধরে কাজ করে গেছে।
  • 📌 ২০০৪ সালে মহাকাশে পাঠানো সুইফটের কক্ষপথ ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসছিল, এবং নাসা একবার উদ্ধার অভিযান চালায়, কিন্তু সফল হয়নি।
  • 📌 ১২০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছালে সুইফটের বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণে জ্বলন্ত উল্কাপিণ্ডে পরিণত হবে এবং ৭৮ কিলোমিটার উচ্চতায় ভেঙে পুড়ে যাবে।
  • 📌 ৫২ হাজার সিসার টাইলস দিয়ে তৈরি আবরণ এবং সোলার প্যানেল বায়ুমণ্ডলে গলে বাষ্প হয়ে যাবে, তবে কিছু ভারী অংশ পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে।

📰 বিস্তারিত

মহাকাশ গবেষণায় বিপ্লব সৃষ্টিকারী নাসার সুইফট টেলিস্কোপ ২০০৪ সালে মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল। এর মূল মিশন ছিল মাত্র দুই বছর, কিন্তু এটি ২২ বছর ধরে মহাকাশের গামা-রশ্মি বিস্ফোরণ পর্যবেক্ষণ করে গবেষণার জন্য অমূল্য তথ্য সরবরাহ করেছে। এই টেলিস্কোপের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা ২ হাজারাধিক গামা-রশ্মি বিস্ফোরণ, ১৪০০-এর অধিক সুপারনোভা এবং রাক্ষুস ব্ল্যাকহোলের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করেছেন। এছাড়াও, এটি আমাদের সৌরজগতের কাছের গ্রহাণু এবং আন্তঃনাক্ষত্রিক ধূমকেতু ৩I/ATLAS-এর মতো বস্তুগুলির দিকে নজর রেখেছে। সুইফটের তথ্য থেকে প্রায় ৭ হাজার গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে, যা প্রতি সপ্তাহে গড়ে ছয়টি করে গবেষণাপত্রের রসদ জুগিয়েছে।

নাসার অ্যাস্ট্রোফিজিকস ডিভিশনের পরিচালক শন ডোমগাল-গোল্ডম্যান বলেছেন, সুইফট বিজ্ঞানীদের এমন এক অমূল্য তথ্যের ভাণ্ডার দিয়ে যাচ্ছে, যা আগামী কয়েক দশক ধরে নতুন নতুন আবিষ্কারের জ্বালানি হিসেবে কাজ করবে। তবে এই টেলিস্কোপের ২২তম জন্মদিন উদযাপন করা যাবে না, কারণ এটি নভেম্বরের ৪ তারিখের দিকে পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়বে।

সুইফটের কক্ষপথ ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসছিল। নাসা যখন বুঝতে পারল যে এটি ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন গত বছর এক দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযান চালানো হয়েছিল। বেসরকারি সংস্থা ক্যাটালিস্টের রোবোটিক যান ‘লিংক’ পাঠিয়ে সুইফটকে ধাক্কা দিয়ে আবারও নিরাপদ কক্ষপথে তুলে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু এই অভিযান সফল হয়নি এবং সুইফটকে বাঁচানোর আর কোনো চেষ্টা করা হয়নি।

সুইফটের পতনের সময় পৃথিবীর ঠিক কোথায় আঘাত হানবে তা নির্ধারণ করা কঠিন, কারণ এটি সম্পূর্ণ অনিয়ন্ত্রিতভাবে পতন করবে। যুক্তরাজ্যের মহাকাশ প্রকৌশলী ডিন স্লাডেনের মতে, সুইফট যখন ভূপৃষ্ঠ থেকে ১২০ কিলোমিটার উচ্চতায় নেমে আসবে, তখন এর ধ্বংসলীলা শুরু হবে। বায়ুমণ্ডলের ঘর্ষণে এর সামনের অংশ জ্বলতে শুরু করবে এবং ৭৮ কিলোমিটার উচ্চতায় মূল কাঠামো ভেঙে পুড়ে যাবে। সুইফটের গায়ে ৫২ হাজার সিসার টাইলস দিয়ে তৈরি বিশেষ আবরণ বায়ুমণ্ডলে গলে বাষ্প হয়ে যাবে। তবে কিছু ভারী অংশ, যেমন ছয়টি ভারী রিঅ্যাকশন হুইল এবং লেন্সের কিছু অংশ পৃথিবীতে পৌঁছাতে পারে।

"সুইফট বিজ্ঞানীদের এমন এক অমূল্য তথ্যের ভাণ্ডার দিয়ে যাচ্ছে, যা আগামী কয়েক দশক ধরে নতুন নতুন আবিষ্কারের জ্বালানি হিসেবে কাজ করবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: পৃথিবী (অনিয়ন্ত্রিত পতন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শন ডোমগাল-গোল্ডম্যান, ডিন স্লাডেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ বছর (মহাকাশে কাজ), ৭ হাজার (গবেষণাপত্র), ৫২ হাজার (সিসার টাইলস), ১২০ কিলোমিটার (উচ্চতা), ৭৮ কিলোমিটার (পতনের সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖