📅 ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:৪৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঠাকুরগাঁওতে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলে গ্রাহকরা মিটার রিডারকে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ায় ভিডিও

ঠাকুরগাঁওতে অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিলে গ্রাহকরা মিটার রিডারকে পাঁচ ঘণ্টা আটকে রাখে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ায় ভিডিও

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় এক মাসের ব্যবধানে বিদ্যুৎ বিলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগে গ্রাহকরা মিটার রিডারকে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখেন। গ্রামবাসীরা মিটার রিডিং ত্রুটিপূর্ণ বলে দাবি করে বিক্ষোভ করে। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি অতিরিক্ত বিল সংশোধন ও মিটার বদলের আশ্বাস দিলে গ্রাহকরা মিটার রিডারকে ছেড়ে দেন

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার কালিতলা মধুপুর গ্রামে এক মাসের ব্যবধানে বিদ্যুৎ বিলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির অভিযোগে গ্রাহকরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিটার রিডারকে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখেন। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঠাকুরগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মিটার রিডারকে গ্রাহকরা পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ রাখেন
  • 📌 একই মিটারে জুলাই মাসে বিল ছিল ২০০ টাকা, আগস্টে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৭০ ইউনিটের বেশি
  • 📌 গ্রাহক আকবর আলী দাবি করেন, ৮০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করলেও বিলে ৩৭০ ইউনিট দেখানো হয়েছে
  • 📌 গ্রামের বাসিন্দা মাহফুজ আলম বলেন, গত মাসে বিল ছিল ২০০ টাকা, এ মাসে ১৯০০ টাকা
  • 📌 পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি অতিরিক্ত বিল সংশোধন ও ত্রুটিপূর্ণ মিটার বদলের আশ্বাস দিলে গ্রাহকরা মিটার রিডারকে ছেড়ে দেন

📰 বিস্তারিত

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চাড়োল ইউনিয়নের কালিতলা মধুপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার ঘটনা ঘটে। গ্রাহকরা মিটার রিডারকে অবরুদ্ধ রাখার পিছনে ছিল বিদ্যুৎ বিলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। জুলাই মাসে যে মিটারে বিল এসেছিল ২০০ টাকা, আগস্টে একই মিটারে বিল বেড়ে দাঁড়ায় তিন হাজার টাকার বেশি। গ্রামের শতাধিক গ্রাহক এই অস্বাভাবিক বিলের অভিযোগ তুলেছেন।

বিল সংশোধনের জন্য বারবার অফিসে গিয়ে সমাধান না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন গ্রাহকরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিলের তথ্য সংগ্রহ করতে গ্রামে যান ঠাকুরগাঁও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বালিয়াডাঙ্গী জোনাল অফিসের মিটার রিডার সবুজ। আকবর আলী নামের এক গ্রাহক তাঁকে আটকে রাখেন। পরে তাঁর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে আরও গ্রামবাসী জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গেলেও প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে বাগ্বিতণ্ডা চলতে থাকে।

গ্রাহকদের মধ্যে অন্যতম আকবর আলী বলেন, ‘আমার জবাব লাগবে। গত মাসে ৮০ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার হয়েছে, এ মাসে কীভাবে ৩৭০ ইউনিট হলো? কোনো লাইট বাড়াইনি, ফ্যানও বাড়াইনি। বিল পরিশোধ করব না। পল্লী বিদ্যুতের লোকজনকে এর জবাব দিতে হবে।’ গ্রামের আরেক বাসিন্দা মাহফুজ আলম বলেন, ‘গত মাসে বিল ছিল ২০০ টাকা, এ মাসে ১৯০০ টাকা। এত গড়মিল কীভাবে হয়? আমরা অশিক্ষিত মানুষ, আমাদের ভুল হতে পারে। পল্লী বিদ্যুতের লোকজন শিক্ষিত, তাঁরা কেন ভুল করবেন?’

ঘটনাস্থলে থাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বালিয়াডাঙ্গী জোনাল অফিসের এনফোর্সমেন্ট কো-অর্ডিনেটর নির্মল রায় বলেন, পুলিশের সহযোগিতায় গ্রাহকদের অতিরিক্ত বিল সংশোধন এবং ত্রুটিপূর্ণ মিটার বদলে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলে তাঁরা মিটার রিডারকে ছেড়ে দেন। তিনি আরও বলেন, ‘আগে দায়িত্বে থাকা মিটার রিডার মাঠে না এসে ঘরে বসে মিটার রিডিং দিয়েছিলেন। তাঁকে বহিষ্কার করে নতুন একজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনিই গ্রামে বিলের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। আমরা বিষয়গুলো সম্পর্কে অবগত। কয়েক মাসের মধ্যে মিটার রিডিং এবং অফিসে জমা থাকা রিডিং যাচাই করে অতিরিক্ত বিলগুলো সমন্বয় করা হবে।’

"আমি বিল পরিশোধ করব না। পল্লী বিদ্যুতের লোকজনকে এর জবাব দিতে হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কালিতলা মধুপুর গ্রাম, চাড়োল ইউনিয়ন, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা, ঠাকুরগাঁও
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আকবর আলী, মাহফুজ আলম, নির্মল রায়, মো. হামিদুল হক, ইসলাম গাজী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ ঘণ্টা, ২০০ টাকা, ৮০ ইউনিট, ৩৭০ ইউনিট, ১৯০০ টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖