📌 পিরোজপুরের নেছারাবাদে ৪০টি পরিবারের দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা ইটের দেয়াল ও টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নারী, শিশু ও শিক্ষার্থীরা ঝুঁকিপূর্ণভাবে দেয়াল টপকে চলাচল করছেন। স্থানীয়রা আদালতে শরণাপন্ন হয়েছে এবং পুলিশের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় ৪০টি পরিবারের দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তা ইটের দেয়াল ও টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই অবরোধে নারী, শিশু ও শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণভাবে দেয়াল টপকে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয়রা দাবি, এই রাস্তা সরকারি খাসজমির ওপর দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলাচল করা হতো।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার আচার্য্যপাড়া এলাকায় ৪০টি পরিবারের চলাচলের রাস্তা ইটের দেয়াল ও টিনের বেড়া দিয়ে বন্ধ করা হয়েছে
- 📌 ১১২ জন স্থানীয় বাসিন্দা গণস্বাক্ষর করে আদালতে শরণাপন্ন হয়েছে এবং পুলিশের হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে
- 📌 ভুক্তভোগী মো. খাইরুল ইসলাম বলেছেন, এই রাস্তায় প্রায় ২০০ মানুষ নিয়মিত চলাচল করতেন, এখন নারী ও শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণভাবে দেয়াল টপকে চলাচল করতে হচ্ছে
- 📌 অভিযুক্ত সুব্রত আচার্য্য ও সোহাগ আচার্য্য দাবি করেছেন, ফিরোজ নামের এক ব্যক্তি জোরপূর্বক রাস্তা নেওয়ার চেষ্টা করছেন
- 📌 স্থানীয় ইউপি সদস্য ইসলাম গাজীর বাড়িতে বসবাসকারী মাহফুজা বলেছেন, তাঁর স্বামী ভারত থেকে এসেছিলেন এবং ভ্যানে ভাঙারি মালামাল কিনতেন
📰 বিস্তারিত
স্বরূপকাঠি পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আচার্য্যপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাস্তাটি বহু পুরোনো এবং সরকারি খাসজমির ওপর দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানুষ চলাচল করে আসছিল। বাধ্য হয়ে কেউ দেয়াল টপকে, আবার কেউ টিনের বেড়া পার হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।
ভুক্তভোগী মো. খাইরুল ইসলাম বলেছেন, ‘এটি আমাদের বহু বছরের চলাচলের রাস্তা। এই পথ দিয়ে প্রায় ২০০ মানুষ নিয়মিত চলাচল করেন। হঠাৎ রাস্তার মাঝখানে ইটের দেয়াল ও টিনের বেড়া দেওয়া হয়েছে। এখন নারী, শিশু ও স্কুলশিক্ষার্থীদেরও দেয়াল-বেড়া টপকে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
স্থানীয় বাসিন্দা পলাশ কুমার দাস জানান, তিনি প্রায় ১৫ বছর ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছেন। তাঁর ভাষ্য, স্থানীয়দের চলাচলের জন্য ওই রাস্তা ছাড়া বিকল্প কোনো পথ নেই। রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় বাসিন্দাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
অভিযুক্ত সুব্রত আচার্য্য ও সোহাগ আচার্য্য জমি খাস বলে জানান। তবে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তাঁরা। তাঁদের দাবি, ফিরোজ নামে এক ব্যক্তি জোরপূর্বক ওই জায়গা দিয়ে রাস্তা নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তাঁরা বলেন, কারও জমি দিয়ে চলাচল করতে হলে আপসের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করতে হবে।
নেছারাবাদ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রায়হান মাহমুদ বলেছেন, ঘটনাস্থলে প্রায় চার শতক খাস জমি রয়েছে। তবে রাস্তার জায়গাটি খাস জমির মধ্যে পড়েছে কি না, তা সরেজমিনে মাপজোখ করে নিশ্চিত হতে হবে। তিনি বলেছেন, ‘খাস জমির অংশ যদি রাস্তার মধ্যে পড়ে থাকে, তাহলে সেখানে কেউ বেড়া দিয়ে জনসাধারণের চলাচল বন্ধ করতে পারেন না।’
"এটি আমাদের বহু বছরের চলাচলের রাস্তা। এই পথ দিয়ে প্রায় ২০০ মানুষ নিয়মিত চলাচল করেন। হঠাৎ রাস্তার মাঝখানে ইটের দেয়াল ও টিনের বেড়া দেওয়া হয়েছে। এখন নারী, শিশু ও স্কুলশিক্ষার্থীদেরও দেয়াল-বেড়া টপকে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: আচার্য্যপাড়া, স্বরূপকাঠি পৌরসভা, নেছারাবাদ উপজেলা, পিরোজপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. খাইরুল ইসলাম, পলাশ কুমার দাস, সুব্রত আচার্য্য, সোহাগ আচার্য্য, মো. রায়হান মাহমুদ, ইসলাম গাজী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪০টি পরিবার, ১১২ জন স্বাক্ষরকারী, ২০০ জন নিয়মিত চলাচলকারী, ১৫ বছর বসবাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!