📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সুনামগঞ্জে তালাবদ্ধ ঘরে মৃত্যু: একাকী বৃদ্ধার চার দিন পর উদ্ধার পচা লাশ

সুনামগঞ্জে তালাবদ্ধ ঘরে মৃত্যু: একাকী বৃদ্ধার চার দিন পর উদ্ধার পচা লাশ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে একাকী বৃদ্ধা আছিয়া বেগমের চার দিন পর তালাবদ্ধ ঘর থেকে অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, চিকিৎসার নামে নিয়ে যাওয়া টাকার জন্যই হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরসভার ইনাতনগর এলাকায় তালাবদ্ধ ঘর থেকে চার দিন পর বৃদ্ধা আছিয়া বেগমের (৬০) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয়রা পচা দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে তালাবদ্ধ ঘর থেকে চার দিন পর বৃদ্ধা আছিয়া বেগমের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
  • 📌 বৃদ্ধা গত বৃহস্পতিবার চিকিৎসার জন্য জেলা শহরে গেলেও ফিরে আসেননি
  • 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, চিকিৎসার নামে নিয়ে যাওয়া ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার জন্যই হত্যা করা হয়েছে
  • 📌 ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে

📰 বিস্তারিত

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরসভার ইনাতনগর এলাকায় সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয়রা পচা দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তালাবদ্ধ ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দেখতে পান কম্বল গায়ে জড়ানো অবস্থায় বৃদ্ধা আছিয়া বেগমের অর্ধগলিত মরদেহ। ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী জগন্নাথপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, মৃতদেহের বেশ কিছু অংশ পচে গিয়েছিল।

আছিয়া বেগম ছিলেন মৃত খালিক মিয়ার স্ত্রী। তিনি একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার পর থেকে একাকী বাড়িতে থাকতেন। গত বৃহস্পতিবার তিনি চিকিৎসার জন্য জেলা শহর সুনামগঞ্জে যান। এরপর থেকে তার সঙ্গে কারও কোনো যোগাযোগ হয়নি। আছিয়া বেগমের মেয়ে কল্পনা বেগম বলেন, ‘বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে মায়ের সঙ্গে আর কোনো যোগাযোগ হয়নি। একাধিকবার মোবাইলে ফোন করেও উনাকে পাইনি।’

কল্পনার স্বামী দিলশাদ মিয়া জানান, তার শাশুড়ির সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না। তবে তার কাছে চিকিৎসার জন্য নগদ ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা ছিল। তিনি ধারণা করেন, ওই টাকার জন্যই তাকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘরটি বাইর থেকে তালা দেওয়া হয়েছে।

উপপরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গলবার সকালে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

"আছিয়া বেগমের দেহের বেশ কিছু অংশ পচে গেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মঙ্গলবার সকালে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জগন্নাথপুর পৌরসভা, ইনাতনগর এলাকা, সুনামগঞ্জ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আছিয়া বেগম (৬০), কল্পনা বেগম, দিলশাদ মিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ দিন, ৬০ বছর, সাড়ে ৯টা, ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖