📌 সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের ছয়ঘরিয়া এলাকায় ভোরে দ্রুতগামী যানের চাপায় পথচারী নারীর মৃত্যু ঘটে। নিহত রহিমা খাতুন (৫৫) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশঘাটা গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
সাতক্ষীরা-যশোর মহাসড়কের ছয়ঘরিয়া এলাকায় ভোরে একটি দ্রুতগামী যানের চাপায় পথচারী নারীর মৃত্যু ঘটে। নিহত রহিমা খাতুন (৫৫) সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বাঁশঘাটা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। ঘটনাস্থলে তাঁর মাথা থেঁতলানো ও দুই হাত ভাঙা অবস্থায় মরদেহ পড়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রহিমা খাতুন (৫৫) সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের ছয়ঘরিয়া এলাকায় ভোরে দ্রুতগামী যানের চাপায় নিহত হন
- 📌 মরদেহ উদ্ধার করা হয় মাথা ও দুই হাত ভাঙা অবস্থায়
- 📌 শরিফুল ইসলাম জানান, মা বাড়ি থেকে হাঁটতে বের হলেন, পরে সড়কে তাঁর মরদেহ পেয়ে খবর পান
- 📌 সাতক্ষীরা সদর থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে
- 📌 নিহতের স্বামী ইনসান আলী ছিলেন বাঁশঘাটা গ্রামের বাসিন্দা
📰 বিস্তারিত
আজ বৃহস্পতিবার ভোরে সাতক্ষীরা-যশোর সড়কের ছয়ঘরিয়া মোড় সংলগ্ন এলাকায় দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত রহিমা খাতুনের ছেলে শরিফুল ইসলাম জানান, ভোর চারটার দিকে তাঁর মা বাড়ি থেকে হাঁটতে বের হন। ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে তিনি খবর পান যে, সড়কের ওপর তাঁর মায়ের মরদেহ পড়ে আছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে শরিফুল ইসলাম তাঁর মায়ের মাথা থেঁতলানো ও দুই হাত ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। তিনি ধারণা করেন, সড়ক পার হওয়ার সময় দ্রুতগামী কোনো বাস বা ট্রাক চাপা দিয়ে চলে যাওয়ায় তাঁর মায়ের মৃত্যু হয়েছে।
সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
"ভোর চারটার দিকে মা বাড়ি থেকে হাঁটতে বের হন। ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে আমি খবর পাই যে, সড়কের ওপর তাঁর মায়ের মরদেহ পড়ে আছে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি মাথা ও দুই হাত ভাঙা অবস্থায় মরদেহ পড়ে আছে।"
— শরিফুল ইসলাম, নিহতের ছেলে
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ছয়ঘরিয়া, সাতক্ষীরা-যশোর সড়ক
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রহিমা খাতুন (৫৫), শরিফুল ইসলাম, মো. শফিকুল ইসলাম (ওসি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!