📌 গুরুদাসপুর উপজেলায় সার পাচারের অভিযোগে দুই ডিলারকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সার সংকটে কৃষকদের চাহিদা পূরণে দীর্ঘ লাইন despite জব্দকৃত ৩০ বস্তা সার
গুরুদাসপুর উপজেলায় সার পাচারের অভিযোগে দুই সার ডিলারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন সার সংকটের বিরুদ্ধে তৎপরতা বাড়িয়ে তুলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গুরুদাসপুর উপজেলায় সার পাচারের অভিযোগে ডিলার গিয়াস উদ্দিন ও সিদ্দিকুর রহমান শাহকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
- 📌 আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে, সন্তোষজনক জবাব না পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
- 📌 গিয়াস উদ্দিন সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা থেকে ১০ বস্তা ইউরিয়া সার পাচার করেন, অন্যদিকে সিদ্দিকুর রহমান শাহ পাবনার ভাঙ্গুড়া থেকে ২০ বস্তা সার পাচার করেন।
- 📌 সীমান্তবর্তী বিলবিয়াসপুর এলাকায় ৩০ বস্তা সার ও তিনটি অটোভ্যান জব্দ করা হয়, কিন্তু ঘটনাস্থলে কোনো ডিলার পাওয়া যায়নি।
- 📌 সার সংকটে কৃষকদের দীর্ঘ লাইন despite, চাহিদা পূরণে ব্যর্থতা নিয়ে কৃষকরা উদ্বিগ্ন।
📰 বিস্তারিত
গুরুদাসপুর উপজেলা পাশের উপজেলায় সার পাচারের অভিযোগে দুই ডিলারকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম নোটিশ প্রদান করেন। তিনি জানান, আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে ডিলার গিয়াস উদ্দিন ও সিদ্দিকুর রহমান শাহকে নোটিশের জবাব দিতে হবে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাহমিদা আফরোজ বলেন, গত সোমবার সীমান্তবর্তী বিলবিয়াসপুর এলাকায় তিনটি অটোভ্যানে সার নিয়ে যাওয়ার সময় আটক করা হয়। জব্দকৃত সার ছিল ৩০ বস্তা। তবে ঘটনাস্থলে কোনো ডিলার বা ভ্যানচালক পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে ভ্যানচালকদের বক্তব্য ও ক্যাশ মেমো পর্যালোচনা করে ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে আগে সার পাচার ও সিদ্দিকুর রহমান শাহর প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বেশি দামে সার বিক্রির অভিযোগে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। তবে তারা মুচলেকা দিয়ে জরিমানা পরিশোধ করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। এবার আবার পাচারের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
চলনবিলজুড়ে সরিষা, রসুন ও ভুট্টাসহ বিভিন্ন রবিশস্যের আবাদ শুরু হওয়ায় সার সংকটের কারণে কৃষকদের চাহিদা পূরণে ব্যর্থতা দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন ডিলারদের বিক্রয়কেন্দ্রে কৃষকদের দীর্ঘ লাইন দেখা যায়, কিন্তু সার পাচ্ছেন না। এতে চলতি মৌসুমের চাষাবাদ নিয়ে কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
"আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে। সন্তোষজনক জবাব না পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গুরুদাসপুর উপজেলা, নাটোর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কে এম রাফিউল ইসলাম, ফাহমিদা আফরোজ, গিয়াস উদ্দিন, সিদ্দিকুর রহমান শাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ নভেম্বর, ২০ হাজার টাকা, ১০ বস্তা, ২০ বস্তা, ৩০ বস্তা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!