📌 সাতক্ষীরার ভেটখালী মহাসড়কের সংস্কারকাজে মাত্র ৩২ শতাংশ অগ্রগতি। ৮২২ কোটি টাকার প্রকল্পে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় যানবাহন দুর্ঘটনা ও জনদুর্ভোগ বেড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অব্যবস্থাপনা ও ধীরগতির কারণে মহাসড়ক পরিণত হয়েছে দুর্ভোগের ফাঁদে
উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরার ভেটখালী মহাসড়কের সংস্কারকাজে প্রত্যাশিত অগ্রগতি না হওয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে। প্রকল্পের মাত্র ৩২ শতাংশ কাজ শেষ হওয়ায় মহাসড়কটি পরিণত হয়েছে দুর্ভোগের ফাঁদে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অব্যবস্থাপনা ও ধীরগতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলমান নির্মাণযজ্ঞে যানবাহন দুর্ঘটনা ও জনজীবনে বিপর্যয় নেমে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সাতক্ষীরা ভেটখালী মহাসড়কের সংস্কারকাজে মাত্র ৩২ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে
- 📌 ৮২২ কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল জুন ২০২৬ সালে
- 📌 মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে খানাখন্দ ও কাদাপানিতে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে
- 📌 স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সংস্কারের নামে মাসের পর মাস সড়ক খুঁড়ে রাখায় জনজীবন বিপর্যস্ত
- 📌 বৈদ্যুতিক খুঁটি স্থানান্তরের জটিলতার কারণে ২ ও ৩ নম্বর প্যাকেজের কাজ বাধাগ্রস্ত
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরা জেলা সদরের নিউ মার্কেট থেকে শ্যামনগর উপজেলার ভেটখালি পর্যন্ত বিস্তৃত ৬২ কিলোমিটার দীর্ঘ ভেটখালী মহাসড়কটি সংস্কারের নামে নির্মাণযজ্ঞ চলছে দীর্ঘদিন ধরে। প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ রয়েছে ৮২২ কোটি টাকা। ২০২৫ সালের অক্টোবরে কার্যাদেশ দেওয়া হলেও নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসচালক আব্দুর রউফ বলেন, ‘এই রাস্তায় গাড়ি চালানো মানেই জীবন বাজি রাখা। প্রতিদিন কোনো না কোনো গাড়ি কাদায় আটকে যাচ্ছে বা উল্টে দুর্ঘটনা ঘটছে। গাড়ি মেরামতের খরচ চালাতে গিয়ে লাভ তো দূরের কথা, পকেটের টাকা গচ্চা যাচ্ছে।’ শ্যামনগর উপজেলা সদরের বাসিন্দা আরিজুল আলম বলেন, ‘আশঙ্কাজনক কোনো রোগীকে এভাবে হাসপাতালে নেওয়া খুবই কঠিন। রাস্তার ঝাঁকুনিতে রোগীর অবস্থা আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।’
কালীগঞ্জ উপজেলা সদরে মোকাম নাজিমগঞ্জ হাটের ব্যবসায়ী আব্দুল লতিফ ও রাইসুল ইসলাম বলেন, ‘সড়কটি এ অঞ্চলের মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগমাধ্যম। অথচ এখন এটি চরম অবহেলার শিকার।’
‘বৈদ্যুতিক খুঁটির কারণে ২ ও ৩ নম্বর প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। চলতি বছরের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের অগ্রগতি হয়েছে প্রায় ৩২ শতাংশ।’ — আনোয়ার পারভেজ, নির্বাহী প্রকৌশলী, সাতক্ষীরা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাতক্ষীরা জেলা, শ্যামনগর ও কালীগঞ্জ উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনোয়ার পারভেজ, আব্দুর রউফ, আরিজুল আলম, আব্দুল লতিফ, রাইসুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮২২ কোটি টাকা, ৩২ শতাংশ, ৬২ কিলোমিটার, ১১ মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!