📅 ৩ অক্টোবর ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত
পটুয়াখালী থেকে অপহরণের শিকার কিশোরীকে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে উদ্ধার করে এসআরবি-১০, গ্রেপ্তার আসামি ৪১ বছর • গাজীপুরের গার্মেন্টস কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ছাদে আটকা ৭০ জন শ্রমিক, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতা চলছে • কক্সবাজার পেকুয়া: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের নিশ্চয়তা, শহীদ ওয়াসিম আকরামের পরিবার পাবে পূর্ণ ন্যায়বিচার • 'মাতৃভূমি: মে ওয়ার রেস্ট ইন পিস'-এর নতুন সংস্করণে এনওসি পেল সালমান খানের সিনেমা, সিবিএফসির ছাড়পত্রের অপেক্ষায় নভেম্বর মুক্তির সম্ভাবনা • এশিয়াড ক্রিকেটে বাজে পারফরম্যান্সের জন্য খাবার দাবি করলেন বাংলাদেশের অধিনায়ক লিটন দাস •

জামালপুরে একদিনে চারজন মারা গেলে এক উঠানে চারটি খাটিয়া রাখা, সকাল পর্যন্ত কান্না থামল না

জামালপুরে একদিনে চারজন মারা গেলে এক উঠানে চারটি খাটিয়া রাখা, সকাল পর্যন্ত কান্না থামল না

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুরে একদিনে চারজন মারা গেলে এক উঠানে চারটি খাটিয়া রাখা হয়। শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহের রহমতপুর বাইপাসে দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত হন, তাদের মধ্যে চারজন জামালপুরের বাসিন্দা। সকালে তাদের লাশ নিয়ে গোড়ারকান্দা গ্রামে দাফন করা হয়। প্রতিবেশীরা বলেন, এক উঠানে চারটি খাটিয়া রাখা দেখে কেউ কখনো ভাবতেন না

জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর ভাটিপাড়া গ্রামে একদিনে চারজন পরিবারের সদস্য মারা গেলে সকাল পর্যন্ত এক উঠানে চারটি খাটিয়া রাখা হয়। শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরের রহমতপুর বাইপাসে রাজীব পরিবহনের বাসের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে সাতজন নিহত হন, তাদের মধ্যে চারজন জামালপুরের বাসিন্দা। সকালে তাদের লাশ নিয়ে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। প্রতিবেশীরা বলছেন, এক উঠানে চারটি খাটিয়া রাখা দেখে কেউ কখনো ভাবতেন না।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শুক্রবার ময়মনসিংহের রহমতপুর বাইপাসে দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত, তাদের মধ্যে চারজন জামালপুরের বাসিন্দা
  • 📌 জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর ভাটিপাড়া গ্রামে এক উঠানে মা, ছেলে, নাতনি ও নাতনির শিশুসন্তানের লাশ রাখা হয়
  • 📌 ৯ টায় মর্জিনা বেগম (২৫) ও তার পাঁচ বছর বয়সী ছেলে মোজাব্বিদ ইসলাম মিনালের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়
  • 📌 ১১ টায় মোফাজ্জল হোসেন (৫৫) ও তার মা রাশিদা বেগম (৮৫) এর জানাজা শেষে দাফন করা হয়
  • 📌 প্রতিবেশী আবদুর রহমান (৭০) বলেন, এক উঠানে চারটি খাটিয়া রাখা দেখে কেউ কখনো ভাবতেন না

📰 বিস্তারিত

জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর ভাটিপাড়া গ্রামে শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহের রহমতপুর বাইপাসে দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত হন। তাদের মধ্যে চারজন জামালপুরের বাসিন্দা। শুক্রবার সকালে মোফাজ্জল হোসেন (৫৫) তার মা রাশিদা বেগম (৮৫), মেয়ে মর্জিনা বেগম (২৫) ও নাতি মোজাব্বিদ ইসলাম মিনাল (৫) এর সঙ্গে গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু দুর্ঘটনায় তাদের চারজনই মারা যান।

সকালে তাদের লাশ নিয়ে গোড়ারকান্দা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। ৯ টায় মর্জিনা বেগম ও তার ছেলে মোজাব্বিদ ইসলাম মিনালের জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরে ১১ টায় মোফাজ্জল হোসেন ও তার মা রাশিদা বেগমের জানাজা শেষে দাফন করা হয়। প্রতিবেশী আবদুর রহমান (৭০) বলেন, ‘এই বয়স পর্যন্ত গিরামে ম্যালা ঘটনা দেখছি, ম্যালা মাইনষের জানাজায় গেছি। কিন্তু এক বাড়ির উঠোনে চারটা খাটিয়া রাখা হবো—এমন কিছু দেহি নাই। এইহানে সকাল থেকেই মানুষের কান্না যেন থামতাছে না।’

মোফাজ্জল হোসেনের স্বজন ইউসুফ মিয়া বলেন, ‘আগে টেলিভিশনে দেখতাম, একই পরিবারের পাঁচ-সাতজন মারা গেছেন। আজ নিজের পরিবারে এমন ঘটনা ঘটল। বিষয়টি কষ্টের।’ মোফাজ্জল হোসেন দীর্ঘদিন গাজীপুরে বসবাস করতেন। শুক্রবার সকালে তিনি মা, মেয়ে ও নাতিকে সঙ্গে নিয়ে গ্রামের বাড়ি থেকে গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু দুর্ঘটনায় তাদের চারজনই মারা যান।

"এই বয়স পর্যন্ত গিরামে ম্যালা ঘটনা দেখছি, ম্যালা মাইনষের জানাজায় গেছি। কিন্তু এক বাড়ির উঠোনে চারটা খাটিয়া রাখা হবো—এমন কিছু দেহি নাই। এইহানে সকাল থেকেই মানুষের কান্না যেন থামতাছে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জামালপুর সদর উপজেলা, দড়িহামিদপুর ভাটিপাড়া গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোফাজ্জল হোসেন (৫৫), রাশিদা বেগম (৮৫), মর্জিনা বেগম (২৫), মোজাব্বিদ ইসলাম মিনাল (৫), আবদুর রহমান (৭০)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫ বছর (মর্জিনা বেগম), ৫ বছর (মোজাব্বিদ ইসলাম), ৫৫ বছর (মোফাজ্জল হোসেন), ৮৫ বছর (রাশিদা বেগম), ৭০ বছর (আবদুর রহমান)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖